আটলান্টিক সিটিতে গীতা জয়ন্তী পালিত
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে বেদ-পুরাণের মতোই গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রেখেছে ভাগবত গীতা। এটি একমাত্র গ্রন্থ যার জয়ন্তী পালিত হয়। প্রতি বছর অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথি অর্থাৎ মোক্ষদা একাদশী তিথিতে গীতা জয়ন্তী পালিত হয়।

উল্লেখ্য, কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে এই তিথিতেই অর্জুনকে গীতার জ্ঞান দিয়েছিলেন শ্রী কৃষ্ণ । গীতার মাধ্যমে ব্যক্তিকে জীবনে সাফল্যের পথ দেখিয়েছেন শ্রী কৃষ্ণ। হিন্দু ধর্মে বেদ-পুরাণের মতোই গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রেখেছে ভাগবত গীতা। ভাগবত গীতার আক্ষরিক অর্থ হলো “পরমেশ্বরের গান”। এটি বিশ্বের সর্বাধিক পরিচিত বৈদিক শাস্ত্র।এ শাস্ত্রকে বৈদিক জ্ঞানের সারমর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
গত ৩ ডিসেম্বর, শনিবার ছিল গীতা জয়ন্তী।নিউ জারসি রাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে গীতা জয়ন্তীতে ভক্তরা সারাদিনব্যাপী শ্রীকৃষ্ণর আরাধনা করেন, তুলসী মালা জপেন, সঙ্গে পাঠ করেন হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ভাগবত গীতা। এছাড়া কৃষ্ণ ভক্তদের অনেকেই গীতা জয়ন্তী উপলক্ষে গীতা দান করেন।
প্রচলিত ধারণা অনুসারে এই বিশেষ তিথিতে ভাগবত গীতা পাঠ করলে কিংবা গীতা পাঠ শুনলে পূণ্য লাভ করা সম্ভব।এছাড়া গীতা দানের মাধ্যমেও পূণ্য অর্জন সম্ভব ।
সংস্কৃতে রচিত এ শাস্ত্রের ১৮ টি অধ্যায় এবং ৭০০ টি শ্লোক রয়েছে । সেখানে রয়েছে সংস্কৃতি, কর্ম, ধর্মীয় ও ব্যবহারিক জ্ঞান। গীতার আঠারোটি অধ্যায়ে বর্ণিত কাহিনী একজন ব্যক্তির সমগ্র জীবনের সারমর্ম। তাই মনে করা হয়, গীতা পাঠ করলে মানুষ তার জীবনের সকল মানে বুঝতে পারেন, জানতে পারেন তার জীবনের লক্ষ্য। তাই গীতা জয়ন্তীর পবিত্র দিনে গীতা পাঠ করা বা শোনা খুবই শুভ মনে করা হয়ে থাকে।
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women