অক্সফোর্ড গ্রাজুয়েট হয়েও কেরানির চাকরি

ডেস্ক: বিশ্বের সেরা বিদ্যাপীঠগুলোর অন্যতম লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। উন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের সব দেশের শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের ঠিকানা ও গৌরবের প্রতীক এই অক্সফোর্ড। তাই বিশ্বের ধনী, গরিব, সাদা, কালো, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব মেধাবী শিক্ষার্থীরাই অক্সফোর্ডে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু তাদের সবাই সেই লোভনীয় সুযোগ পায় না। তাদের মধ্য থেকে হাতেগোনা যে কয়জন সে লোভনীয় সুযোগটি পান তারা আসলে যে কোন বিচারে বিশ্বের অন্যতম সেরা মেধাবী। তাদের মেধার শ্রেষ্ঠত্বের ব্যাপারে কারও মধ্যে ন্যূনতম পরিমাণ সন্দেহ বা সংশয়ের অবকাশ নেই। বিশ্ব সেরা এই বিদ্যাপীঠের অংশ হওয়ার স্বপ্ন দেখার পিছনে যে বিষয়গুলো নিয়ামকের ভূমিকা পালন করে তার মধ্যে অন্যতম হলো সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর বিশ্বের নামীদামি ও লোভনীয় চাকরি ও বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার হাতছানি। তাইতো সবার অক্সফোর্ডের অংশ হতে এতো দৌড়ঝাঁপ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লন্ডনের টেমস নদী দিয়ে যেমন অনেক পানি প্রবাহিত হয়েছে, তেমনি অক্সফোর্ডের বাস্তবতায়ও অনেক পরিবর্তন এসেছে। এক সময় এই বিশ্ব সেরা প্রতিষ্ঠানটির গ্রাজুয়েটদের জন্য যা ছিল বাস্তব এখন তা কেবল ধূসর স্মৃতি, কল্পনা ও স্বপ্নে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের লোভনীয় সব চাকরি তারা পেলেও এখন তাদের নিম্নমানের চাকরিও করতে হচ্ছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ও ইউরোপের ঋণ সংকটই এর পিছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে। অর্থনৈতিক এই সঙ্কটের ফলে তাদের নিজের যোগ্যতা কোন কাজেই আসছে না। ফলে অক্সফোর্ড গ্রাজুয়েটদেরকে কেরানি, হোটেলের ওয়েটার, পানশালার কর্মী ও লন্ড্রি দোকানের বয়ও হতে হচ্ছে। আগে তারা চার্টার্ড একাউন্টেন্ট ও কারিগরি প্রকৌশলীর চাকরি করলেও তার সংখ্যা বর্তমানে কমে আসছে। আর এই তথ্য খোদ অক্সফোর্ড থেকেই জানা গেছে। অক্সফোর্ডের ইতিহাসে এই প্রথম তাদের ছাত্ররা গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করার পরবর্তী ৬ মাস কিভাবে কাটায় তার উপর তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে চাকরির বাজারের একটি সামগ্রিক চিত্রের পাশাপাশি কিছু শিক্ষার্থীকে চিকিৎসক, ব্যাংকার ও ব্যবস্থাপনা পরামর্শকের চাকরি পেতে দেখা গেলেও অন্যদেরকে পেশা জীবনের সিঁড়িতে পা রাখতে রীতিমতো সংগ্রাম করতে দেখা যাচ্ছে। এ সময়ে সাড়ে ৩ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০০ শিক্ষার্থীকে ননগ্রাজুয়েট চাকরি তথা অফিসের কেরানি, বিক্রয় সহকারী ও ওয়েটারের কাজ করতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে জেনারেল প্র্যাকটিশনার, অর্থ ও বিনিয়োগ বিশ্লেষক, রেজিস্ট্রার, কনসালটেন্ট, শিক্ষক, গবেষক, ব্যবস্থাপনা কনসালটেন্ট, বিজ্ঞাপন ও মার্কেটিং নির্বাহীরা সবচেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছে। বৃটেনে গ্রাজুয়েট বেকারের পরিমাণ ২৫ ভাগে দাঁড়ালেও অক্সফোর্ডের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ৬ ভাগ। তবে গ্রাজুয়েটদের বিভাগ ও কলেজের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে। এক্ষেত্রে কর্মমুখী বিষয়ে গ্রাজুয়েটরা চাকরি পাওয়ার দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। মানবজমিন
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests