Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষায় ‘ডিএনটি’ বা ‘ডু নট ট্র্যাক’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 78 বার

প্রকাশিত: October 17, 2012 | 8:18 PM

ডেস্ক রিপোর্ট : ‘ডু নট ট্র্যাক’ বা ডিএনটি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি বা গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে এটা একটা ভালো অস্ত্র। তবে ইন্টারনেট জগতের পুরোটা এখনও এই হাতিয়ারের আওতায় আসেনি। আজকাল কোনো কিছু খুঁজতে আমরা গুগলে চলে যাই। যেমন ধরুন, আপনার একটা ভালো কফি মেশিন দরকার। সেজন্য আপনি গুগলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলেন। হয়তো আপনি পেয়েও গেলেন অনেক তথ্য। এরপর বেরিয়ে গেলেন গুগল থেকে। ঘটনাটা এখানেই শেষ হতে পারত। কিন্তু দেখা গেল, পরদিন আপনি যখন ফেসবুক ব্যবহার করতে গেলেন তখন আপনার চোখের সামনে আগের দিনের খোঁজা কফি মেশিন! ভাবছেন, ফেসবুক কীভাবে বুঝতে পারল যে, আপনি এই মেশিনটিই খুঁজছেন? উত্তরটা খুব সহজ। গুগলে যখন আপনি সার্চ করছিলেন তখন আপনার পছন্দের এই বিষয়টা চলে গেছে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থার কাছে। ফলে তারাই আপনাকে ঘুরে-ফিরে এই পণ্যটা দেখাতে থাকে। ব্যবসা-বাণিজ্যের এই যুগে সবাই চাইবে তার পণ্য বেশি বেশি বিক্রি করতে। তাই তারা আশ্রয় নেবে বিভিন্ন পন্থার, এটাই স্বাভাবিক। সেটা হয়তো আপনার ভালো নাও লাগতে পারে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে আপনি কী করতে পারেন? একটা উপায় হতে পারে এই, আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজারে গিয়ে ‘ডু নট ট্র্যাক’ অপশনটা চালু করে দিতে পারেন। তাহলেই আর আপনার যাবতীয় তথ্য বেচাকেনা করতে পারবে না কেউ। ২০০৯ সালে কয়েকজন গবেষক প্রথম এই ধরনের হাতিয়ারের কথা বলেন। এর পরের বছর মাইক্রোসফট তাদের ‘ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৯’ ভার্সনে এই ডিএনটি ব্যবস্থা চালু করে। পরে ‘মজিলা ফায়ারফক্স, সাফারি এবং অপেরা’ও এ ব্যবস্থা চালু করেছে। কিন্তু তারপরও পুরো ইন্টারনেট জগত এখনও সুরক্ষিত নয়। ফলে চিন্তিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল অ্যাজেন্ডা বিষয়ক কমিশনার নেলি ক্রুস। তিনি এ বিষয়ে একটা সর্বজনীন নীতি তৈরির পক্ষে এবং এ জন্য তিনি ডাব্লিউ৩সিকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। ডাব্লিউ৩সির পুরোটা হচ্ছে, ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম’। এটা ইন্টারনেটের মানরক্ষাকারী একটা আন্তর্জাতিক সংস্থা। প্রায় ৫০টি কোম্পানি ও ডাটা প্রাইভেসি বিশেষজ্ঞ এই সংস্থার সদস্য। ইইউ কমিশনার ক্রুস ডাব্লিউ৩সিকে নীতিমালা তৈরির জন্য এ বছরের জুন পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন। এরপর সেটা বাড়িয়ে অক্টোবর পর্যন্ত নেয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে ডাব্লিউ৩সি নীতিমালার একটা খসড়া তৈরি করে। কিন্তু সেটা মনঃপূত হয়নি ইইউ কমিশনারসহ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইইউ কর্মকর্তাদের। খসড়াটা দেখে সন্তুষ্ট নন জার্মানির কেন্দ্রীয় তথ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থাও। ডিডাব্লিউর কাছে পাঠানো এক লিখিত বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, খসড়ায় নানা ফাঁকফোকর রাখা হয়েছে। জার্মানির এই প্রতিক্রিয়ার চেয়ে যেন এক ডিগ্রি ওপরে মার্কিন ফেডারেল ট্রেড কমিশনের চেয়ারম্যান জন লিবোভিেসর বক্তব্য। তিনি বলেন, ওই খসড়ার ফাঁকটা এত বড় যে, সেখান দিয়ে একটা ভার্চুয়াল ট্রাক চলে যেতে পারবে! মাইক্রোসফটসহ অন্য যারা এরই মধ্যে ডিএনটি ব্যবস্থা চালু করেছে, তাদের স্বাগত জানিয়েছেন ইইউ কমিশনার ক্রুস। তিনি বলেন, গোপনীয়তা একটা মৌলিক বিষয়। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এটাকে বিবেচনায় না নেয়, তাহলে মানুষও তাদের বিশ্বাস করবে না। আর সেটা যদি হয় তাহলে তা ব্যবসায়ীদের জন্য বরং ক্ষতিরই কারণ হবে। কেননা অনলাইন ব্যবসার বাজারটা অনেক বড়। তাই অনলাইন প্রাইভেসি আর অনলাইন ব্যবসাকে একসঙ্গে হাতে হাত রেখে চলতে হবে। আগামী বছরের শুরু থেকেই সার্বজনীন ডিএনটি ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা। কিন্তু সেটা সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। জার্মানির কেন্দ্রীয় তথ্য নিরাপত্তা সংস্থা মনে করছে, সময়সীমাটা ঠিক রাখা সম্ভব হবে না। ডাব্লিউতসির মধ্যে থাকা বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলোর লবির কারণে এই বিলম্ব হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদি শেষ পর্যন্ত এই সময়সীমা মানা সম্ভব না হয়, তাহলে ইইউর বর্তমান প্রাইভেসি নির্দেশনায় পরিবর্তন আনা হতে পারে। ফলে কোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহের আগে তার কাছ থেকে অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। আর এর ব্যতিক্রম হলে এখন যেখানে একটা দেশের সরকার কোনো ওয়েবসাইটকে জরিমানা করতে পারে, পরিবর্তিত আইনে সে ক্ষমতা পাবে ইউরোপীয় কমিশনও। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV