অভিজ্ঞজনের মতামত: দুর্নীতি ও দুর্বল ব্যবস্থাপনা দূর হলেই নিউইয়র্ক রুটে বিমান লাভ করবে
এনা, নিউইর্য়ক : দুর্নীতি এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনা দূর করা সম্ভব হলে নিউইয়র্ক রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সপ্তাহের ৭ দিনই ফ্লাইট চালিয়ে বিপুলভাবে লাভবান হতে পারবে। এ অভিমত পোষণ করেছেন উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশী মালিকানাধীন ট্র্যাভেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘নাটাব’ (নর্থ আমেরিকা ট্র্যাভেল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) এর প্রেসিডেন্ট এবং আমেরিকায় সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে পুরনো ট্র্যাভেল এজেন্সী ‘ওয়ার্ল্ডওয়াইড ট্র্যাভেলস’র মালিক নাজমুল হুদা।
নিউইয়র্ক রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুর উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শীঘ্রই প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি (এফএএ)। একইসাথে আমেরিকায় পরিবহনের যোগ্য নতুন প্রজন্মের এয়ারক্রাফ্টও বোয়িং কোম্পানী থেকে শীঘ্রই সরবরাহ পেতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এরই পরিপ্রেক্ষিতে লোকসানী এ রুটে বিমান চালিয়ে লাভের মুখ দেখা সম্ভব কিনা বার্তা সংস্থা এনার পক্ষ থেকে তা জানতে চাওয়া হয় নাটাবের প্রেসিডেন্ট এবং প্রবাসের বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য ট্র্যাভেল ব্যবসায়ী নাজমুল হুদার কাছে। দু’যুগের অধিক সময়ের অভিজ্ঞতায় অভিজ্ঞ নাজমুল হুদা বলেন, নিউইয়র্ক রুটে বিমানের লোকসানের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি। ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ের বড় কর্তাদের সন্তুষ্ট রাখতে নিউইয়র্ক অফিসের সকলকে তটস্থ থাকতে হয়। ক্রেতাকে টিকিট ক্রয়ের পর সীট রিজার্ভ করতেও ঘুষ দিতে হয়েছে। এছাড়া, সপ্তাহে দুটি করে ফ্লাইট পরিচালনার জন্যে দু’জন লোকই যেখানে যথেষ্ঠ, সেখানে ১২/১৪ জন রাখা হয়।
ঢাকা অফিসের লোকজন নিউইয়র্কে আসা-যাওয়ার সময় বিনামূল্যে টিকিট পেতেন। অফিসারদের আত্মীয়-স্বজন-বন্ধু-বান্ধবকেও বিনা টিকিটে ভ্রমণের সুবিধা দেয়া হয়েছে। কখনো চলতি পথে এয়ারক্রাফ্ট অচল হয়ে পড়লে তা মেরামতের নামে বিপুল অর্থ হরিলুটের ঘটনাও ঘটেছে। নাজমুল হুদা উল্লেখ করেন, নিউইয়র্ক রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপরোক্ত দুর্নীতির অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। যাদেরকে তদন্তের জন্যে পাঠানো হয়, তারাই ছিলেন ঐসব দুর্নীতির সাথে জড়িত। অর্থাৎ দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের নামে তারা নিউইয়র্কে বিলাস ভ্রমণ করেছেন। খরচের বোঝা বাড়িয়েছেন। নাজমুল হুদা বলেন, নাটাবের পক্ষ থেকে আমরা সকলেই সোচ্চার ছিলাম। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় লোকসান কমানো সম্ভব হয়নি।
নাজমুল হুদা বলেন, বিমানের ফ্লাইট নেই, কিন্তু তাই বলে আমাদের ব্যবসা থেমে নেই। এখন প্রতিদিন গড়ে ৬টি করে ফ্লাইট জেএফকে ত্যাগ করছে বিভিন্ন পথ ঘুরে ঢাকায় যাবার জন্যে। এগুলো হচ্ছে আমিরাতের দুটি এবং কাতার, কুয়েত, ইত্তেহাদ, সৌদিয়ার একটি করে। প্রতিটি ফ্লাইটেই ২৫%এর বেশী প্যাসেঞ্জার যাচ্ছেন বাংলাদেশে। অর্থাৎ এখন যদি বিমান এ রুটে চালু হয় এবং সপ্তাহের ৭ দিনই ফ্লাইট যাতায়াত করে তবুও প্যাসেঞ্জারের সংকট হবে না। তবে এজন্যে দরকার দক্ষ ব্যবস্থাপনা। ৬ বছর আগে এ রুটে বিমান বন্ধ হবার প্রাক্কালে এ রুট পরিচালনার দায়িত্ব ‘জিএসএ’র (জেনারেল সেলস এজেন্ট) নিকট হস্তান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়। সে লক্ষ্যে টেন্ডার আহবানও করা হয়েছিল। সে টেন্ডারের সিদ্ধান্ত হেড অফিসের দেয়ার কথা। তার আগেই রুট বন্ধ হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, বৃটিশ এয়ারলাইন্স বহু বছর যাবত জিএসএ’র মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। বিমানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে ‘জিএসএ’র বিকল্প নেই বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী কূটনীতিকরাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উর্দ্ধতন একজন কূটনীতিক ১২ জানুয়ারি বার্তা সংস্থা এনাকে বলেন, বিমানের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বেসরকারী খাতে ছেড়ে দেয়াই উত্তম। তাহলে সকল রুটেই ‘লোকসানী খাত’ আর থাকবে না।
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








