আগামী নির্বাচন অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনেই হবে : জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে বর্ষ বরনে অর্থমন্ত্রী
নিউইিয়র্ক : জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন বাঙালীর প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছে। পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা প্রদান করেন মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ.কে আব্দুল মোমেন। অনুষ্ঠানে মূল্যবান বক্তৃতা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। গোটা অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিকল্পনা ও সঞ্চালনা করেন মিশনের মিনিস্টার (কালচারাল) অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ।
সরকারের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বৈশাখী অনুষ্ঠান ও বাঙালী সংস্কৃতির তাত্ত্বিক দিক তুলে ধরে বলেন, ধর্মান্ধ মৌলবাদী রাজনীতি রুখে দাঁড়ানোই এবারের পহেলা বৈশাখের অঙ্গীকার হওয়া উচিত। আগামী নির্বাচন অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনেই হবে জানিয়ে তিনি প্রবাসী বাঙালীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ.কে আব্দুল মোমেন স্বাগত বক্তব্যে বলেন, প্রতি বছরই পহেলা বৈশাখী আমাদের মন প্রান বাঙালীত্বের আমেজে ভরে দেয়। উপভোগ করি সবাই। সবারই ভাল লাগার অনুভূতি এনে দেয় এই বৈশাখী আবাহন। আর হাতছানি দেয় ফেলে আশা স্বদেশের পানে ছুটে যাওয়ার জন্য। গ্রামে গঞ্জে হাটে মাঠে ঘাটে বৈশাখীর মেলার আয়োজন করা হয়। সেথায় রং বেরংয়ের কারুশিল্প, হরেক রকমের মাটির গড়া হাড়িপাতিলসহ পুতুলের ছড়াছড়ি থাকে। মুড়ি,মুরকি,মুড়ালি,ছানা,সন্দেশ,দই,মিস্টিসহ নানান ধরনের মুখরোচক খাবারের মৌ মৌ ঘ্রানে অন্য রকমের আনন্দ অনুভূতির জন্ম দেয়। প্রবাসেও সেই অনুভূতির রোমন্থনে আমাদের রক্ত প্রবাহে জেগে ওঠে বহুমাত্রিক সংস্কৃতির ধারক বাঙালীত্ব। যা আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের স্মারক এবং শ্বাসত ও চিরন্তন গর্ব-অলংকারের আরেক রূপ। যেখানে যুক্তির শক্তি মুক্তির মন্ত্র। ধর্মান্ধ ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে মুক্তমনা মানুষের মেলবন্ধন রচনার দিক দর্শনও এই বাঙালীত্ব। আর ১লা বৈশাখ বাঙালী সংস্কৃতির প্রাণ প্রবাহে প্রতিবছরই সঞ্চারণ ঘটায় নতুন প্রাণ স্পন্দনের। এই প্রাণ বাণই সকল অন্ধকার-কূপ মন্ডকতার বিরুদ্ধে সভ্যতার শক্তি হিসেবে কাজ করছে।
ড. এ.কে আব্দুল মোমেন আরো বলেন, আসলে জীবন বোধ যেখানে গভীর, সংস্কৃতির স্পন্দন সেখানে প্রতি মুহুর্তে দৃশ্যমান নানা আঙিকে। মানুষের প্রাত্যহিক জীবন-ধারণ, সহজাত প্রবৃত্তির চর্চা, শীলন, ধর্ম, সংসার, দর্শন আর সমাজের বুনিয়াদি আচরণ সবই সংস্কৃতির সামগ্রিক বন্ধন রূপ। মানুষ কখনো-কখনো স্মৃতির ভেলায় ভাসতে যেমন ভালোবাসে, তেমনি সংস্কৃতির রোমন্থনে পায় তৃপ্তির আস্বাদ। তাই বার-বার অনায়াসে সে ফিরে যেতে চায় তার চিরন্তন সহজাত সংস্কৃতির মঞ্চে যা প্রাণবান, স্বপ্নবান আর হৃদয়বান মানুষই ধারণ করে। পালন করে বাংলা বর্ষ বরনের আনুষ্ঠানিকতা। অনুষ্ঠানে আগত সূদূর প্রবাসে বসবাসরত বাঙালীদের সবাইকে তিনি বৈশাখী শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠান পরিকল্পনায় বর্ষ বরনের গান ও লোক সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এতে মিশনের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বিভিন্ন পরিবার থেকে তৈরী বাঙালী পিঠা, পায়েশ ও মিশনের খাবার পরিবেশন করা হয়।
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests