Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীর চার শতাধিক শিক্ষার্থীর গ্র্যাজুয়েশন: আপন আলোয় উদ্ভাসিত নতুন প্রজন্ম

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 129 বার

প্রকাশিত: July 10, 2020 | 1:07 PM

আটলান্টিক সিটি থেকে সুব্রত চৌধুরী: আট জুলাই ২০২০ বুধবার দিনটি ছিল আটলান্টিক সিটি ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত দ্বাদশ গ্রেডের বাংলাদেশী আমেরিকান শিক্ষার্থীদের জন্য স্বপ্নপূরনের দিন। আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থীর গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হল আটলান্টিক সিটি হাই স্কুল এর খেলার মাঠে ।তাদের মধ্যে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম নয়।করোনাকালে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিন পর্বে এই গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।সকাল থেকেই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীরা গ্র্যাজুয়েশন গাউন পরে পরিবারের সদস্যদের সাথে অনুষ্ঠানস্থলে সমবেত হতে থাকে।

তাদের সবার শরীরি ভাষায় চার বছরের কঠোর পরিশ্রম শেষে প্রাপ্তির পূর্ণতা,চোখে-মুখে খুশির আনন্দ ঝিলিক।অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর কৃতি শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষনার সাথে সাথে তুমুল করতালিতে গমগম করে ওঠে বিশাল মাঠ। পূর্বসূরি বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এবারও উওরসূরী বাংলাদেশী আমেরিকান শিক্ষার্থীদের জয়জয়কার।আর এই জয়-জয়কার অবস্থার মধ্যে আপন আলোয় উদ্ভাসিত বাংলাদেশী আমেরিকান শিক্ষার্থী শেখ নাহিয়ান,তৌসিফ জামান,ওয়াহিদুল মেহেদী,আজরা জেসমিন ও আরাফাত রহমান।তারা মেধারস্বীকৃতিস্বরূপ মেধা তালিকার সেরা দশে গৌরবজনক স্থান লাভ করার গৌরব অর্জন করেছে।

শেখ নাহিয়ান – বাংলাদেশের ঢাকা জেলার গর্বিত প্রবাসী শিক্ষার্থী শেখ নাহিয়ান মেধা তালিকায় প্রথম স্থান লাভ করেছে।তার জন্ম ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে । বাবা শেখ নাহিয়ান ও মা ওয়াজেদা বেগম এর দুই সন্তানের মধ্যে সে বড়।ছোটবেলা থেকেই মেধাবী নাহিয়ান লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিল।তার অবসর কাটে ভলান্টিয়ার কাজে আর লেখালেখি করে।তার অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে।পেশাগত জীবনে নাহিয়ান এর ইচ্ছা বায়ো কেমিস্ট হবার। তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষদের জন্য কিছু করা।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মা-বাবার অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার আহবান- সেরাটা দাও, সেরাটা পাবে।স্কুল জীবনে সে ক্রস কাউনটি, ট্র্যাক এন্ড ফিল্ড এ দলপতি, লিও ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছে।ভেটনর সিটিতে বসবাসকারী সদালাপী,বন্ধুভাবাপন্ন নাহিয়ান তার ভবিষ্যত সাফল্যের জন্য সবার দোয়াপ্রার্থী।

তৌসিফ জামান -মেধাবী শিক্ষার্থী তৌসিফ জামান এর জন্ম ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে।বাংলাদেশে তার বাড়ি লক্ষীপুর জেলায়। মেধাবী এই শিক্ষার্থী মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান লাভ করেছে। মা ফরিদা ইয়াসমীন এর তিন সন্তানের মধ্যে তৌসিফ সবার বড়। ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় সে বেশ মেধাবী ছিল।স্কুল জীবনে লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজের সাথে সে নিজেকে জড়িত রেখেছিল। অবসরে সে বই পড়ে, খেলাধূলা করে ।তার আদর্শ ষ্টিভ হকিং ।পড়ালেখায় নজরকাড়া ফলফলের জন্য সে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে।পেশাগত জীবনে তৌসিফ চক্ষু চিকিৎসক হতে চায়। তার খুব ইচ্ছা বাংলাদেশের গরীব মানুষদের জন্য কিছু করা।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মা ও নানা মোস্তাফিজুর রহমানের অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার উপদেশ- সময় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা দেখাতে পারলে সাফল্য ধরা দেবেই। আটলানটিক সিটির ট্রেন্টন টেরেস এভিনিউতে বসবাসকারী শান্তশিষ্ট ,বন্ধুবৎসল তৌসিফ তার উত্তরোত্তর সাফল্যের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে।

ওয়াহিদুল মেহেদী- কৃতি শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল মেহেদীর জন্ম ২০০২ সালে বাংলাদেশের গাজীপুর জেলায়। গর্বিত প্রবাসী শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল মেহেদী মেধা তালিকায় চতুর্থ স্থান লাভ করেছে।সে ২০০৬ সালে আমেরিকায় আসে। বাবা জাকারিয়া আলভি আর মা মরহুমা শাহানা বেগম এর চার সন্তানের মধ্যে মেহেদী সবার ছোট। ছোটবেলা থেকেই সে বেশ মেধাবী ছিল।স্কুল জীবনে লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজের সাথে সে নিজেকে জড়িত রেখেছিল।তার অবসর কাটে খেলাধূলা করে, গবেষনা কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখে।তার আদর্শ রাইট ভ্রাতৃদ্বয়।পড়ালেখায় অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সে রাটগারস বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে।পেশাগত জীবনে মেহেদীর ইচ্ছা এরোস্পেস প্রকৌশলী হবার। তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের মানুষদের জন্য কিছু করা।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মা-বাবার অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার উপদেশ- সময় মেনে পড়ালেখা করলে সাফল্য পাবে। আটলানটিক সিটির টেক্সাস এভিনিউতে বসবাসকারী আলাপী,বন্ধুবৎসল মেহেদী তার ভবিষ্যত সাফল্যের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে।

আজরা জেবিন -বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার গর্বিত প্রবাসী শিক্ষার্থী আজরা জেবিন মেধা তালিকায় সপ্তম স্থান অধিকার করেছে।তার জন্ম ২০০১ সালে বাংলাদেশে।২০০৮ সালে সে আমেরিকায় আসে। বাবা আকিকুর কিনান আর মা রহিমা আকতার এর তিন সন্তানের মধ্যে সে দ্বিতীয় ।ছোটবেলা থেকেই মেধাবী আজরা লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিল।তার অবসর কাটে ভলান্টিয়ার কাজে,খেলাধূলা করে।তার প্রিয় ব্যক্তিত্ব তার কাজিন সুভা।তার অসামান্য কৃতিত্বেরস্বীকৃতিস্বরূপ সে রাটগারস বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভেরসুযোগ পেয়েছে।পেশাগত জীবনে আজরার ইচ্ছা চিকিৎসক হবার। তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মা-বাবার অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার আহবান- সময়জ্ঞান মেনে পড়ালেখা করলে সাফল্য পাবেই। আটলানটিক সিটিরআর্কটিক এভিনিউতে বসবাসকারীসদালাপী,বন্ধুভাবাপন্ন আজরা তার ভবিষ্যত সাফল্যেরজন্য সবার দোয়াপ্রার্থী।

আরাফাত রহমান – বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার গর্বিত প্রবাসী শিক্ষার্থী আরাফাত রহমান মেধা তালিকায় নবম স্থান দখল করেছে।তাঁর জন্ম ২০০১ সালে,বাংলাদেশে। বাবা মো: মিজানুর রহমান আর মা ফাতেমা ইয়াসমীন এর সাথে ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসে।দুই ভাইবোনের মধ্যে আরাফাত বড়।ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় মেধাবী আরাফাত লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিল।তার অবসর কাটে খেলাধূলা করে।

তার প্রিয় ব্যক্তিত্ব তার মা।তার কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সে টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে।বড় হয়ে তার ইচ্ছা সার্জন হবার। তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষদের সেবা করা।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মার অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার পরামর্শ – সময়মতো পড়ালেখা করলে সাফল্য আসবেই । আটলান্টিক সিটির ফেয়ারমাউনট এভিনিউতে বসবাসকারী সদালাপী,বন্ধুভাবাপন্ন আরাফাত তার ভবিষ্যত সাফল্যের জন্য সবার দোয়াপ্রার্থী। প্রবাসের নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের অসামান্য সাফল্য কমিউনিটিতে বেশ সাড়া ফেলেছে।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV