আল কায়েদার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কাজী রেজোয়ানুল আহসান নাফিস গ্রেপ্তার
,
শিহাব উদ্দিন কিসলু, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে বিস্ফোরক ভর্তি একটি ভ্যান সেলফোনের ডিভাইসের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানোর চেষ্টার অভিযোগে কাজী রেজোয়ানুল আহসান নাফিস (২১) নামের এক ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে এফবিআই ও নিউইয়র্ক পুলিশ।বুধবার তাকে গ্রেফতার করে আদালতে শুনানির পর জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে আদালত।
উল্লেখ্য, চলতি বছর জানুয়ারিতে স্টুডেন্ট ভিসায় জ্যামাইকা থেকে নিউইয়র্কে আসে নাফিস।
এফবিআই এবং নিউইয়র্ক পুলিশ গত এক মাস যাবত যৌথভাবে অপারেশন চালিয়ে অবশেষে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলো তাকে।
কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, নাফিস আল কায়েদার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এমনকি এফবিআই চরকেও তার দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করেছে সে। এছাড়া যুক্তরাস্ট্রে হামলার পরিকল্পনাতেও আল কায়েদার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সক্রিয় সদস্য নাফিস।
সে নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের সামনে বিস্ফোরক ভর্তি একটি ভ্যান সেলফোনের ডিভাইসের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানোর চেষ্টা করে।
এফবিআই’র সহকরী পরিচালক মেরি গেল গান বলেছেন, নাফিসের এ ষড়যন্ত্র জনগণের জন্য হুমকি ছিল না। কারণ নাফিসের দুজন সহযোগী ছিল এফবিআইয়ের গুপ্তচর।
তিনি আরো জানান, গত জুলাই মাসে নাফিসের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ পাওয়া যায়। ফেসবুকের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আল কায়েদার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতো নাফিস। ফেসবুকে একবার নাফিস লিখেছে, ‘ছোট কিছু নয়, বড় কিছু করতে চাই। খুব . . . খুব বড় কিছু। যা সমগ্র আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দেবে। এর মাধ্যমে আমেরিকা তার বিদেশ নীতি বদলাতে বাধ্য হবে।
’কাউসার মুমিন , নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র থেকে মাত্র কয়েক ব্লক দুরে লোয়ার ম্যানহাটানের ফিনান্সিয়াল ডিষ্ট্রিক্ট এলাকায় লিবার্টি এভিনিউর উপর অবস্থিত নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক বোমা মেরে উড়িয়ে দিতে গিয়ে এফবিআইয়ের নিকট হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশী যুবক নাফিস। মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের মতে, শুধু মাত্র বোমা হামলার পরিকল্পনা নিয়ে গত জানুয়ারিতে স্টুডেন্ট ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা একুশ বছর বয়সী কাজী মুহম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিস এর সমস্ত পরিকল্পনা এফবিআইয়ের পর্যবেণে ছিল এবং আক্রমণ অভিযানে সহযোগী হিসেবে নাফিস যাকে বেঁছে নিয়েছিল তিনি মূলত এফবি আইয়ের এজেন্ট। গতকাল সকালে বোমা হামলার সব পরিকল্পনা শেষে চুড়ান্ত বিস্ফোরণ চেষ্টার প্রাক্কালে পুলিশ তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। নাফিস নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের জ্যামাইকা এলাকার বাসিন্দা। নাফিসের বিস্তারিত পরিচয় দেয়নি এফবিআই। এফবিআই‘র পাতা ফাঁদে পা দিয়ে তার তৈরী বোমা নিয়ে গিয়ে যখন ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক ভবনের সামনে গিয়ে তা কার্যকর করতে গিয়েই নাফিস দেখে যে সেটা প্রকৃত বোমা নয়। আর এভাবেই নাটক শেষে নাফিসকে গ্রেপ্তার করে ফেডারেল এজেন্টরা। নাফিসের এইঅপকের্মর খবর আমেরিকার সব প্রধান প্রধান মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার হওয়ার পর বাংলাদেশী কমিউনিটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। এদেশে এসেই নাফিস আল কায়েদার প্িরত সহানুভূতিশীল কাউকে খুঁজে পাবার চেষ্ঠা করলে পেয়ে যায় একজনকে, যে কিনা ছিল এফবিআই‘র ইনফরমার। সে ইনফরমার নিজেকে আল কায়দার প্রতি সহমর্মী আন্ডার কভার এফবিআই এজেন্ট হিসাবে পরিচয় দিয়ে নাফিসের সাথে মিশে যায়। এর আগে ম্যানহাটানের সেন্ট্রাল পার্কে এজেন্টের সাথে সাাৎ আলাপে (যা রেকর্ডে ধারণকৃত) নাফিস তাকে বলে, তার আকাঙ্খা বিশ্বব্যাপী মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠা। পরবর্তীতে আরো দেখা সাাৎ ও টেলিফোন আলাপে নাফিস জানায়, তার সাথে আল কায়দার যোগাযোগ আছে এবং তারা তাকে সহযোগিতা করবে। কর্তৃপ দাবী করেছে নাফিস আল কায়দার বহির্বিশ্ব শাখার সদস্য। গ্রেপ্তার হওয়ার আগে ছদ্মবেশী এজেন্টের কাছে তার পরিকল্পনার কথা অর্থাৎ নিউইয়র্কের যে কোন একটি বড় স্থাপনা বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে আমেরিকার অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবার ইচ্ছা প্রকাশ করে নাফিস। প্রথমে সে টার্গেট করেছিল নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্চকে, কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে নিউইয়র্কের অন্যতম প্রাচীন স্থাপনা হিসাবে পরিচিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বেছে নেয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ছদ্মবেশী এজেন্ট নকল বিস্ফোরকসহ একটি প্লান দেয় নাফিসকে। নাফিস সেটা চালিয়ে নিয়ে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের সামনে রেখে অদূরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কাছে মিলেনিয়াম হোটেলের সামনে গিয়ে সে ফোনের সাহায্যে বোমা বিস্ফোরণের চেষ্ঠা করে ব্যর্থ হয় আর ঠিক তখন ই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপরে ব্রুকলীন এ তার বিরুদ্ধে গণবিধ্বংসী বিস্ফোরণের পরিকল্পা ও আল কায়দাকে সহযোগিতার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এফবিআই’র সহকরী পরিচালক মেরি গেল গান বলেছেন, নাফিসের এ ষড়যন্ত্র জনগণের জন্য হুমকি ছিল না। কারণ নাফিসের দুজন সহযোগী ছিল এফবিআইয়ের গুপ্তচর। তিনি আরো জানান, গত জুলাই মাসে নাফিসের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ পাওয়া যায়। ফেসবুকের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আল কায়েদার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতো নাফিস। ফেসবুকে একবার নাফিস লিখেছে, ‘ছোট কিছু নয়, বড় কিছু করতে চাই। খুব খুব বড় কিছু। যা সমগ্র আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দেবে। এর মাধ্যমে আমেরিকা তার বিদেশ নীতি বদলাতে বাধ্য হবে। এদিকে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে মোমেন জানিয়েছেন, নাফিস নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকায় বসাবস করতেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা করছেন তারা। নাফিস ‘আসলেই বাংলাদেশি কি না’ তাও খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests