Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

আহলে বাইত মিশন ইউএসএ’র উদ্যোগে ১২ দিনব্যাপী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 63 বার

প্রকাশিত: November 28, 2017 | 6:34 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর আগমন উপলক্ষে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত নিউ ইয়র্কের আহলে বাইত মিশন ১২ দিন ব্যাপী এই আয়োজনে প্রতিদিনই রাসুল সাঃ এর জীবনের বিভিন্ন দিক, জন্মের পূর্বপর অবস্থা বিভিন্ন অলৌকিক দিক নিয়ে অত্যন্ত উৎসব মুখর ও ধর্মীয় আমেজে পালিত হচ্ছে। ১৯ শে নভেম্বর শুরু হলেও ৩০ শে নভেম্বর শেষ পর্বের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। ১৯ শে নভেম্বর প্রথম দিনের মুল বক্তা মওলানা হাফেজ আইনুল হুদা ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এর গুরুত্ব সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করেন। তিনি প্রতিটি ঘরে ঘরে রাসুল (সাঃ) এর মহব্বত ও শ্রদ্ধার আলো জ্বালাতে পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন। খাদেম কমিটির সেক্রেটারী শওকত আনোয়ার সাহেবের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হলেও অন্যান্যদের মাধ্য বক্তব্য রাখেন ফকরুদ্দিন সাবের ঠাকুর, নুরুল ইসলাম, হাফিজ মেজবাহ উদ্দিন প্রমুখ। দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ দিনেও ঈদে মিলাদুন্নবী সম্পর্কে বিভিন্ন দিক নিয়ে বিভিন্ন বক্তাগণ আলোচনা, নাতে রসুল ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন হয়। বিভিন্ন সময় বক্তব্য রাখেন ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য গিয়াস আহমেদ, মোতাহার হোসেন, কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আশ্রাব, নুরুল ইসলাম, হাফিজ মেজবাহউদ্দিন, আতাউর রহমান প্রমুখ।
বিভিন্ন বক্তাগন বলেন, সারা বিশ্ব যখন ঘোড় অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, নিজ হাতে জীবন্ত কন্যা সন্তানদের হত্যা করা হতো, যখন নারীদের কোন অধিকারই ছিলনা ঠিক তখন নির্দিষ্ট সময়ে মহান আল্লাহ তায়ালা নুর নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে বিশ্ব মানবতার দূত এবং রাহমাতাল্লিল আলামিন হিসেবে এই বিশ্বে প্রেরণ করেন। পূর্ববর্তী কিতাব গুলোতে আল্লাহ তায়ালা এই সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর আগমন সম্পর্কে ভবিষ্যৎ বানী করে গেছেন। তাই কোটি কোটি মানুষ এই ইমামুল মুরসালিন, রাহমাতাল্লিল আলামিন এবং নুর নবীর আগমন অর্থাৎ জন্মের জন্যে প্রতিক্ষার প্রহর গুনেছেন। কিন্তু আমরা অতি সৌভাগ্যবান উম্মত যে, আমরা এই দয়াল নবীর উম্মত হয়ে শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। যদিও পূর্ববর্তী সকল নবী রাসুলগণ এই সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত হওয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা করেছেন। শুধুমাত্র ঈসা আঃ এর প্রার্থনা কবুল হয়েছে। তিনি পুনরায় এই পৃথিবীতে ফিরে আসবেন মুহাম্মদ সাঃ এর একজন উম্মত হিসেবে, নবী হিসেবে নয়। শুধু তাই নয় ঈসা আঃ এসে নবী সাঃ এর বংশধর ইমাম মাহদী আঃ এর অনুসারী হবেন। খলিফা হবেন ইমাম মাহদী। ঈসা আঃ নয়। অতএব হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর একজন উম্মত হতে পেরে আমরা অতি সৌভাগ্যবান। মুহাম্মদ সাঃ এর জন্মের কারনেই আমরা তাঁর উম্মত হতে পেরেছি। সাহাবাগন ও নবী করিম সাঃ এর জন্মের কারণে সৌভাগ্যবান হয়েছেন এবং তারাও ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করেছেন। যুগে যুগে ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হয়েছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তা চলবে। নবীর জন্মের সময় শয়তান শুধুই কেদেছে। আজও কাদছে। শয়তানের অনুসারীগণ কখনোই ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করবে না বরং তারা বিরোধীতা করবে। নবী করিম সাঃ নিজে তাঁর জন্ম দিন পালন করেছেন প্রতি সোমবার রোজা পালন করার মাধ্যমে। কিন্তু বর্তমান সৌদি ওহাবী-সালাফী এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী ইসলামী গ্রুপ ঈদে মিলাদুন্নবী, সিরাতুন্নবী, শবে মেরাজ, শবে বরাত, শবে কদর, আশুরা সহ বিভিন্ন ইসলামিক এবাদতকে বিদাত আখ্যায়িত করে বিভিন্ন মসজিদে, মাজারে, জনবহুল রাস্তাঘাটে মার্কেটে আত্মঘাতি বোমা মেরে ইসলামী বিশ্বকে দ্বিধাবিভক্ত করে হাসির পাত্র হিসেবে ইসলামকে দ্বার করিয়েছে। বক্তাগণ বলেন, এই চরমপন্থী গ্রুপ গত সপ্তাহে মিশরে সুফি আকিদায় বিশ্বাসী মসজিদে ২৩৮ জন নির্দোষ মুসল্লীদের হত্যা করেছে। সারা বিশ্বে ওহাবী মতাদর্শের এই চরমপন্থীগণ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে ইসলাম দ্বিধা বিভক্ত করে ফেৎনার সৃষ্টি করছে যা কোরআন ও হাদিসের আলোকে গ্রহণযোগ্য নয়। বক্তাগণ এই চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠ গড়ায় দার করার আহব্বান জানান। আজ মুসলিম বিশ্ব দ্বিধা বিভক্ত। শুধু ফেৎনা আর ফেৎনা। তাই ঈদে মিলাদুন্নবী হোক আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম। সমস্ত দ্বিধা বিভক্ত সামনে রেখে মুসলিম ভাই বোন হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের শত্রু মোকাবেলা করতে হবে। ঈদে মিলাদুন্নবী হোক আমাদের সমস্ত প্রেরণার উৎস। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV