Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

ইংরেজি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 21 বার

প্রকাশিত: February 2, 2013 | 7:26 AM

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান : সতেরো শতকের প্রথম ভাগেই বাংলা অঞ্চলে ইংরেজি ভাষার প্রচলন শুরু হয়ে যায়। ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত চার্লস উডের এডুকেশনাল ডিসপ্যাচ-এ বলা হয়, নিম্নস্তরে শিক্ষাদানের ভাষা হবে নিজ নিজ মাতৃভাষা, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে হবে ইংরেজি। বঙ্গে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র ১৭৮০ সালে জেমস হিকি প্রকাশিত বেঙ্গল গেজেট।
ইংরেজির কেজো-ব্যবহার তো ছিলই, সেই সঙ্গে অনেক বাঙালি ইংরেজিতে সাহিত্য রচনা করেছেন। ব্রিটিশ আমলে বাংলার মানুষ ইংরেজিকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে তাদের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে গ্রহণ করেছিল। ঢাকার নবাব শামসুদ্দৌল্লাহ্ (১৭৭০-১৮৩১) রাজদ্রোহের অভিযোগে কারারুদ্ধ হয়েছিলেন, অথচ ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর ছিল অসীম অনুরাগ। নবাবের ইংরেজিতে সাহিত্যিক দক্ষতা ছিল, এ কথা বিশপ হেবার লিখেছেন তাঁর ন্যারেটিভ অব এ জার্নি (১৮২৭) গ্রন্থে। লালবিহারী দে (১৮২৪-১৮৯৪) ইংরেজিতে একাধিক বই লিখেছেন। সেসব লেখালেখি সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। আর মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) তো ইংরেজিতে সাহিত্য রচনার জন্য প্রসিদ্ধ। দ্য ক্যাপটিভ লেডি তাঁর উল্লেখযোগ্য ইংরেজি রচনা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস রাজমোহন’স ওয়াইফ লিখেছিলেন ইংরেজিতে। সৈয়দ আমীর আলী মুসলমান লেখকদের অন্যতম, যিনি ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন। ইংরেজিতে লেখা তাঁর দুটি উল্লেখযোগ্য বই: দ্য স্পিরিট অব ইসলাম (১৮৯১) এবং এ শর্ট হিস্টরি অব সারাসিন্স্ (১৮৯৮)। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাড়িতে শেখা ইংরেজির জ্ঞান নিয়েই সুলতানা’স ড্রিম-এর (১৯০৮) মতো কালোত্তীর্ণ গ্রন্থ রচনা করেন।
আমরা যখন স্কুলে পড়ি, তখনকার সময়ে স্কুলের নাম ছিল মিডল ইংলিশ স্কুল আর হাই ইংলিশ স্কুল। ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট, ১৯৯২’ পাস হওয়ার পর বাংলাদেশে যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বরাবর মাতৃদুগ্ধসম মাতৃভাষার পক্ষে জোরালোভাবে বলে গেছেন। তিনি নোবেল পেয়েছেন ইংরেজি ভাষায় সং অফারিংস (১৯১৩) রচনার জন্য। নোবেল পুরস্কারের জন্য সুইডিশ একাডেমিকে ধন্যবাদ দিয়ে যে টেলিগ্রাম তিনি করেন, সেখানে নিজের কবিতা থেকে এই উদ্ধৃতি দেন: ‘Thou hast made me known to friends whom I knew not. Thou hast given me seats in homes not my own. Thou hast brought the distant near and made a brother of the stranger.’
গীতাঞ্জলির বাংলা সংস্করণে লাইনগুলো পাওয়া যাবে এভাবে:
‘কত অজানারে জানাইলে তুমি,
কত ঘরে দিলে ঠাঁই—
দূরকে করিলে নিকট, বন্ধু,
পরকে করিলে ভাই।’প্রথম আলো

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV