উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ:দুই নেত্রীকে নির্বাসনে পাঠিয়ে লাভ হবে না

সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ:ওয়াশিংটনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিউটেনিস
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া এ বিউটেনিস এক গোপন তারবার্তায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে ওয়াশিংটনকে জানান, বাংলাদেশের রাজনীতি তরল পদার্থের মতো। খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তকে অনেকে গুরুত্ব সহকারে দেখছে। তবে জনগণের অনেকেই এমনকি রাজনৈতিক নেতারাও মনে করছেন, দুই নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠন সম্ভব নয়। তাঁদের নির্বাসন দিয়ে কোনো লাভ হবে না, দূরে সরিয়ে রাখলেও তাঁদের প্রভাব এখানে থাকবেই। গত ৩০ আগস্ট উইকিলিকসের ফাঁস করা এক মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তায় একথা বলা হয়েছে।
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া একেবারে দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে রাজি হয়েছিলেন। ২০০৭ সালের ১৫ এপ্রিল ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো প্রথম দফায় গ্রেপ্তার হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। খালেদার দেশ ছাড়ার বিষয়ে ২০০৭ সালের ১৭ এপ্রিল বিউটেনিসের পাঠানো তারবার্তায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা হয়।
তারবার্তায় বলা হয়েছে, এনবিআরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৫ এপ্রিল খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু এর ২৪ ঘণ্টা পর তাঁকে আবার ছেড়েও দেয়া হয়। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আলোচনা হয়। তাঁরা খালেদা জিয়াকে বিদেশ চলে যেতে চাপ দেন। খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে রাজি হলেও শর্ত দেন যে, তাঁর সঙ্গে দুই ছেলেকেও তিনি বিদেশে নিয়ে যাবেন। এর প্রেক্ষিতেই ১৭ এপ্রিল বড় ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। তবে খালেদা জিয়া কোন দেশে যাবেন সে বিষয়টি তখন চূড়ান্ত হয়নি।
তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান দূতাবাসকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চলে যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি বলেছেন, কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেনাবাহিনী হুমকি দিচ্ছে খালেদা জিয়ার নামে মামলা দেয়া হবে, গ্রেপ্তার করা হবে তারেক রহমানকেও। এ অবস্থায় বিদেশে চলে যাওয়া ছাড়া খালেদার সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। তারেক রহমানকে চিকিত্সার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলেও দাবি করেন জোবাইদা। কারণ তারেক উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও পিঠের ব্যথায় ভুগছেন।
তারবার্তায় বলা হয়, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া বিদেশে যাচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকোও যাবেন। তবে তারেকের বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। সেনাবাহিনী খালেদা জিয়ার ভাই মেজর (অব.) সাঈদ এস্কান্দার এবং মেজর জেনারেল রুমির মাধ্যমে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। মুশফিকুর আরো জানিয়েছেন, নতুন কোনো মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে খালেদাকে বিদেশ যেতে রাজি করানো হচ্ছে। মুশফিকুর রহমান অনুমান করছেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার আগেই কোনো একসময় খালেদা জিয়া বিদেশে চলে যাবেন। ২৩ এপ্রিল শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা।
তারবার্তায় বলা হয়, স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচার হচ্ছে, খালেদা জিয়া চিকিত্সা নেয়ার অজুহাত দেখিয়ে তাঁর ছেলে তারেক ও কোকোকে নিয়ে সৌদি আরব চলে যেতে পারেন। অবশ্য কখন তাঁরা যাচ্ছেন, সে বিষয়টি বিএনপির সাবেক এমপি মুশফিক নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। তবে খালেদা যে সৌদি আরবেই যাচ্ছেন, সে বিষয়ে ইঙ্গিত করেছেন তিনি।ইত্তেফাক
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








