Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

এইচএসবিসি ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্র শাখার মাধ্যমে বাংলাদেশে জঙ্গি ‘অর্থায়ন’!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 62 বার

প্রকাশিত: July 17, 2012 | 12:24 PM

Details

অনলাইনডেস্ক : এইচএসবিসি ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্র শাখা থেকে বাংলাদেশে এমন কিছু ব্যাংকে অর্থ পাঠানো হয়েছে, যারা জঙ্গি সংগঠনে তহবিল যুগিয়েছে বলে মনে করে মার্কিন সিনেট। খবর আলজাজিরা।

মার্কিন সিনেট উপ কমিটির এক তদন্তের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার আলজাজিরা অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এইচএসবিসির শিথিল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে মেক্সিকোর মাদকচক্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য দিয়ে কোটি কোটি ডলার পাচার করেছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনে অর্থ জোগানোর অভিযোগ থাকলেও এইচএসবিসি এসব ব্যাংককে আর্থিক সেবা দিয়েছে। কেবল বাংলাদেশ নয়, সৌদি আরবের কিছু ব্যাংককেও এইচএসবিসি একই ধরনের সেবা দিয়েছে। সিনেট কমিটি বলছে, এইচএসবিসির তদারক ব্যবস্থা যথাযথ না হওয়ায় দীর্ঘ সাত বছর ধরে ব্যাংকটির মাধ্যমে মুদ্রা পাচার হয়ে আসছে। মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য চোরাচালান থেকে মুনাফা এইচএসবিসির মার্কিন ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে। সিনেটের উপ কমিটি জানিয়েছে, লন্ডনভিত্তিক ব্যাংকটির সমস্যা চিহ্নিত করার দুর্বল প্রক্রিয়া সম্পর্কে মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা অবগত থাকলেও তারা এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এই উপ কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর কার্ল লেভিন সাংবাদিকদের বলেন, মার্কিন অর্থ ব্যবস্থায় ঢোকার পথ হিসেবে এইচএসবিসির যুক্তরাষ্ট্রের শাখাকে কাজে লাগানো হয়েছে। এই ব্যাংকে অর্থ পাচারের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ না থাকায় তাদের যুক্তরাষ্ট্রের শাখাগুলোতে মেক্সিকোর মাদকচক্রের অর্থ এবং আরো কিছু সন্দেহজনক তহবিল এসেছে। মাদকচক্রগুলো এইচএসবিসি ব্যাংকের মার্কিন শাখা দিয়ে ২০০২ সাল থেকে ২০০৯ সাল এভাবে অর্থ পাচার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এইচএসবিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিজেদের ‘দুর্বলতার’ জন্য শুনানিতে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইবে। বিবৃতিতে এইসএসবিসি দাবি করেছে, অর্থ পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইনগুলো আরো জোরালোভাবে অনুসরণের জন্য গত বছর ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।  বিশ্বের ৮০টি দেশে এইচএসবিসি গত বছর আয় করেছে ১ হাজার ৬৮০ কোটি ডলার।ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ