কচ্ছপ দিয়ে গাছ বাঁচানো!

‘ইল অঁ আগ্রেতেস’ দ্বীপে গেলে কচ্ছপ দেখে অবাক হবেন। দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে ওরা। এখানে-ওখানে ডিম পাড়ছে। ‘জামাই আদর’-এ আছে। অনেক দূর থেকে খুব যত্ন করে এনে সেখানে ছেড়ে দেয়া হয়েছে ওদের। ওরা পেট পুরে খাচ্ছে আর গাছ বাঁচাচ্ছে।
কচ্ছপ খাবে আর তাতে বেঁচে থাকবে গাছ—শুনলে অবাকই লাগে। কিন্তু বাস্তবে তাই হচ্ছে। মরিশাসে এমন অনেক প্রাণী ও গাছপালা ছিল জনসংখ্যার চাপ এবং আরও কিছু কারণে যেসব আজ প্রায় বিলুপ্ত। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী রক্ষার চেষ্টা তো সব জায়গাতেই হয়। মরিশাসে চেষ্টাটা হচ্ছে বিচিত্র উপায়ে। ইল অঁ আগ্রেতেসের কথাই ধরুন। সেখানে কিছুদিন আগেও গরু-ছাগলসহ এমন অনেক প্রাণী ছিল, যেগুলো আসলে বহিরাগত। অর্থাত্ কোনো না কোনো সময় তাদের বাইরে থেকে আনা হয়েছিল।
সম্প্রতি সেই প্রাণীগুলোকে একে একে বিদায় করা হয়েছে। কারণ ওইগুলো অতীতে ছিল অথচ এখন নেই—এমন কিছু গাছকে ফিরিয়ে আনা কখনও সম্ভব হবে না। গাছগুলোকে চারা অবস্থাতেই গরু-ছাগল খেয়ে ফেলবে। তাই আগে গরু-ছাগল বিদায় করা হয়। তারপর নিয়ে আসা হয় বিশাল আকৃতির বিশেষ প্রজাতির কিছু কচ্ছপ। ওরা যাতে সুস্থ-সবল থাকে, সেই ব্যবস্থাও করা হলো। তারপর দ্বীপে এনে লাগানো হলো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া গাছগুলো। ফল হয় সেই গাছে। কচ্ছপ গরু-ছাগলের মতো চারা গাছ না খেয়ে অপেক্ষায় থাকে সেই ফলের জন্য। ফলে থাকে শক্ত শক্ত বীজ। এমনিতে সেই বীজ মাটিতে পড়লে ওপরের শক্ত আবরণের জন্য অঙ্কুরোদগম হয় না। ফলে গাছের সংখ্যা বৃদ্ধিও হয় না। কিন্তু কচ্ছপ ফল খেলে মলের সঙ্গে সেই বীজ বেরিয়ে আসে আবরণমুক্ত হয়ে। ফলে অঙ্কুরোদম হয়, গাছের চারাও হয় সেই বীজ থেকে।
এভাবেই হারিয়ে যাওয়া গাছপালা এবং প্রাণীকে ফিরিয়ে আনায় কচ্ছপের মতো বিশেষ কিছু প্রাণীকে ব্যবহার করার কৌশল অবলম্বনের কথা ভাবছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। তবে এমন উদ্যোগের সমালোচনাও করছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, এভাবে কিছু সমস্যার সাময়িক সমাধান করা গেলেও পরে কিছু ক্ষতিও হবে পরিবেশের। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
কচ্ছপ খাবে আর তাতে বেঁচে থাকবে গাছ—শুনলে অবাকই লাগে। কিন্তু বাস্তবে তাই হচ্ছে। মরিশাসে এমন অনেক প্রাণী ও গাছপালা ছিল জনসংখ্যার চাপ এবং আরও কিছু কারণে যেসব আজ প্রায় বিলুপ্ত। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী রক্ষার চেষ্টা তো সব জায়গাতেই হয়। মরিশাসে চেষ্টাটা হচ্ছে বিচিত্র উপায়ে। ইল অঁ আগ্রেতেসের কথাই ধরুন। সেখানে কিছুদিন আগেও গরু-ছাগলসহ এমন অনেক প্রাণী ছিল, যেগুলো আসলে বহিরাগত। অর্থাত্ কোনো না কোনো সময় তাদের বাইরে থেকে আনা হয়েছিল।
সম্প্রতি সেই প্রাণীগুলোকে একে একে বিদায় করা হয়েছে। কারণ ওইগুলো অতীতে ছিল অথচ এখন নেই—এমন কিছু গাছকে ফিরিয়ে আনা কখনও সম্ভব হবে না। গাছগুলোকে চারা অবস্থাতেই গরু-ছাগল খেয়ে ফেলবে। তাই আগে গরু-ছাগল বিদায় করা হয়। তারপর নিয়ে আসা হয় বিশাল আকৃতির বিশেষ প্রজাতির কিছু কচ্ছপ। ওরা যাতে সুস্থ-সবল থাকে, সেই ব্যবস্থাও করা হলো। তারপর দ্বীপে এনে লাগানো হলো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া গাছগুলো। ফল হয় সেই গাছে। কচ্ছপ গরু-ছাগলের মতো চারা গাছ না খেয়ে অপেক্ষায় থাকে সেই ফলের জন্য। ফলে থাকে শক্ত শক্ত বীজ। এমনিতে সেই বীজ মাটিতে পড়লে ওপরের শক্ত আবরণের জন্য অঙ্কুরোদগম হয় না। ফলে গাছের সংখ্যা বৃদ্ধিও হয় না। কিন্তু কচ্ছপ ফল খেলে মলের সঙ্গে সেই বীজ বেরিয়ে আসে আবরণমুক্ত হয়ে। ফলে অঙ্কুরোদম হয়, গাছের চারাও হয় সেই বীজ থেকে।
এভাবেই হারিয়ে যাওয়া গাছপালা এবং প্রাণীকে ফিরিয়ে আনায় কচ্ছপের মতো বিশেষ কিছু প্রাণীকে ব্যবহার করার কৌশল অবলম্বনের কথা ভাবছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। তবে এমন উদ্যোগের সমালোচনাও করছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, এভাবে কিছু সমস্যার সাময়িক সমাধান করা গেলেও পরে কিছু ক্ষতিও হবে পরিবেশের। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল








