করোনাভাইরাস: মিশিগানে গৃহবন্দি স্বজাতির পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশিরা
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : করোনাভাইরাস প্রকোপের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সবগুলো অঙ্গরাজ্য। এ অবস্থায় মিশিগান অঙ্গরাজ্যে গৃহবন্দি স্বজাতির পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশিরা।
সোমবার অঙ্গরাজ্যটিতে বসবাসরত গণমাধ্যমকর্মী আশিক রহমান বিপদগ্রস্ত প্রবাসীদের জন্য চলমান তাদের বিভিন্ন কার্যক্রমের বিবরণ দেন।
তিনি জানান, ভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচতে মিশিগানের বাংলাদেশিরাও বাধ্য হয়ে হোম কোয়ারেন্টিনে আছে। একরকম বন্দি অবস্থায় কর্মচঞ্চল মানুষগুলো ঘরে বসে দিন কাটাচ্ছে। সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে সম্প্রতি দেশ থেকে আসা নতুন অভিবাসীরা।
আশিক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে এসে এ মহামারী মোকাবেলা করতে হবে তা হয়ত একবারের জন্যও ভাবেননি তারা। যারা ছোট ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে এসেছেন এসব পরিবারের সদস্যরাই বেশি আর্থিক কষ্টে আছেন। ওদের কাছে নেই বাড়িভাড়া ও সংসার চালানোর মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ ডলার, পাচ্ছেন না রাষ্ট্র ঘোষিত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও। সুবিধাবঞ্চিত এসব মানুষের কথা চিন্তা করে এগিয়ে এসেছে মিশিগানে বসরাসরত কিছু স্বদেশী ভাই-বোন।”
‘চিলড্রেন ক্লিনিক অব মিশিগান’ এর মালিক বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “করোনাভাইরাসের এ ভয়াবহতায় বাংলাদেশি ভাই-বোনদেরকে সহযোগিতার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিশেষ করে শিশুসন্তানদের নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন থাকেন। একটু জ্বর, কাশি ও সর্দি হলেই ভাবেন হয়তা কিছু একটা হয়ে গেছে। কমিউনিটির মানুষের জন্য আমি ও আমার আরও দুই চিকিৎসক সহকর্মী ফারজানা নুর ও রেশমী বৈষ্ণমের সমন্বয়ে চব্বিশ ঘণ্টা টেলিমেডিসিন সেবা চালু রেখেছি।
এমনকি ফ্যামিলি প্যাকেজ হিসেবে আমি ও আমার বন্ধু-বান্ধবের সহযোগিতায় শিশুদের দুগ্ধজাত পণ্য, জরুরি ওষুধ সামগ্রী, পিডিয়ালাইট, গ্লোভস ও মাস্কসহ একটি প্যাকেট আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছি। এখন পর্যন্ত ১৫০টির মতো প্যাকেট বিতরণ করেছি। প্রতিদিনই ৪০/৫০টি ফোন আসে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যতদিন মানুষের প্রয়োজন ততদিনই আমরা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস পৌঁছে দেব।”
টেলিমেডিসিন সেবা ও অন্যান্য প্রয়োজনে এ মোবাইল নাম্বারগুলো- ৩১৩৮৭১১৯১২/ ৩১৩৮৭১১৯১৩/ ৫৮৬৫৭৮৯৩৪৫ সচল রয়েছে বলে জানান মোহাম্মদ হোসেন।
এদিকে সিটি কাউন্সিলম্যান কামরুল হাসান জানান, সামাজিক সংগঠন ‘ব্যাপাক’ এর উদ্যোগে হ্যামট্রামক ও ডেট্রয়েট সিটিতে নবাগত ১৫ পরিবারকে পাঁচ হাজার পাঁচশ ডলার আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহে আরও ৬ হাজার ডলার বিতরণ করা হবে।
এ অর্থ সংগ্রহে সহযোগিতা করছেন ‘ব্যাপাক’ চেয়ারম্যান এহসান তাকবিম ববি ও প্রেসিডেন্ট শফিউল হাসান। হ্যামট্রামেক সিটি কাউন্সিলর কামরুল হাসান, সেলিম আহমেদ ও সৈয়দ সাহেদুল হকসহ ‘ব্যাপাক’ এর সদস্যরা ভুক্তভোগী পরিবার চিহ্নিত করে এ অর্থ বিতরণ করছেন।
‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগান’ এর সদস্য মোস্তফা কামাল জানান, তার সংগঠনের সদস্যরা নগদ অর্থ বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এসব অর্থ বাংলাদেশের দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষ ও মিশিগানে নতুন আসা পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে।
এছাড়া প্রবাসীদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন ‘দেশী ফ্রুট মার্কেটের’ মালিক শেখর দে, নাজমুল হাসান শাহীন, মঞ্জুরুল করিম তুহিন, মঞ্জু চৌধুরী, খাজা আফজল, আব্দুল জব্বার, নাজেল হুদা ও আরমানী আসাদসহ আরও অনেকে। বিডিনিউজ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং