Monday, 8 June 2026 |
শিরোনাম
বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
সব ক্যাটাগরি

কানেকটিকাটে ম্যানচেস্টারের বায়তুল মামুর মসজিদের নতুন কমিটি: সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আসিক রহমান, কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়া

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 35 বার

প্রকাশিত: July 11, 2020 | 9:48 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের ম্যানচেস্টারের বায়তুল মামুর মসজিদের ২০২০-২০২৩ সালের জন্য নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। সংবিধান মোতাবেক নিবন্ধিত ৪৯ সদস্যের মধ্যে ৩১ সদস্যের উপস্হিতিতে এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে গঠিত এই নতুন কমিটিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ সহ ১৩ টি পদের মধ্যে ১১ টি পদে আগের কমিটিতে যারা ছিলেন তারাই পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু  নতুন ২ জন  সদস্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ব্যক্তিগত কারনে ফজলুর রহমান এবং হোসেইনুর চৌধুরী কমিটিতে থাকতে না পারায় নতুন যারা যুক্ত হয়েছেন তারা হলেন হাবিবুর রহমান (সদস্য) এবং নাসিমুল করিম বাবু (সদস্য)।

নুরুল ইসলাম (সভাপতি)

নুরুল ইসলামকে সভাপতি, আসিক রহমানকে সাধারণ সম্পাদক এবং তারেক আম্বিয়াকে কোষাধ্যক্ষ হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত করা হয়েছে।

আসিক রহমান (সাধারণ সম্পাদক)

গত ২৬ জুন শুক্রবার আসরের নামাজের পর মসজিদের সাধারণ সভা যথাসময়ে শুরু হয়।

তারেক আম্বিয়া (কোষাধ্যক্ষ)

সভাটি পরিচালনা করেন মসজিদের সাধারন সম্পাদক আশিকুর রহমান। শুরুতে সভাটি খুব ভাল ভাবে চলছিল। সভার এক পর্যায়ে মসজিদের সংবিধান নিয়ে প্রস্তাব উঠে যে প্রস্তাবটি অতি পুরাতন, প্রত্যেক বৎসর এ প্রস্তাবটি আসে কিন্তু কোন বৎসর সেটা পাশ হয়নি। তদ্রুপ এ বছর ও সেটা প্রস্তাব আকারে আসে। সাধারণ সভায় যে কোন প্রস্তাব আসতে পারে সেটা স্বাভাবিক কিন্তু সমস্যা হলো অন্য জায়গায়, মসজিদের সংবিধান মোতাবেক নতুন প্রস্তাবে শুধু গুড স্টান্ডিং সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন। এখন কথা হচ্ছে কারা গুড স্ট্যান্ডিং সদস্য। সংবিধানে গুড স্ট্যান্ডিং সদস্যের সংজ্ঞা হচ্ছে যারা মসজিদে টানা ৩ বছর সদস্য থাকবেন একমাত্র তারাই ভোট দিতে পারবেন আর এ জায়গায়ই কিছু লোকের আপত্তি। যারা এ সংবিধানটি তৈরী করেছেন তারা এ মসজিদের ভবিষ্যত চিন্তা করে যাতে মসজিদের কমিটি নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি না হয় সে দিক বিবেচনা করে হয়তো করেছিলেন। কারণ আমরা জানি এ প্রবাসে প্রত্যেকটি মসজিদে কমিটি নিয়ে সমস্যা আছে এবং হয়। সেই দিক বিবেচনা করে যাতে টাকা ওয়ালারা টাকা খরচ করে রাতারাতি কেউ এসে কমিটিতে ঢুকতে না পারেন সেই জন্য গুড স্ট্যান্ডিং সদস্যের ব্যবস্হা রাখা হয়। যারা এ সংবিধানটি তৈরী করেছিলেন তাদের কেউ কেউ এ সভাতেও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগেও সাধারণ সভায় বিভিন্ন সময় সংবিধান সংসোধনের প্রস্তাব আসে এবং কিছু কিছু প্রস্তাব অতীতে পাশ করা হয়েছে. যেহেতু ৩ বছর একটানা সদস্য না থাকলে ভোটাধিকার প্রয়গ করা যাবে না তাই অতীতের ন্যায় সভাতে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। কেউ কেউ চান এ বছর যারা নতুন সদস্য হয়েছেন তাদের ভোট দেয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য যা ছিল সংবিধান বিরোধী, কমিটির বক্তব্য ছিল সংবিধানের বাইরে তারা কিছু করবেন না। তারা অনুরোধ করেছেন যারা নতুন সদস্য হযেছেন তারা ৩ বছর সদস্য থেকে আগামীতে যেন সংবিধান পরিবর্তন করেন তাতে কারও সমস্যা নাই। সভায় প্রথমেই প্রশ্ন উত্তর পর্বে সদস্য কত জন হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে একজন জিজ্ঞেস করে মসজিদের সদস্য সংখা কত হবে এর উত্তরে বর্তমান কোষাধ্যক্ষ তারেক আম্বিয়া বলেন, আমাদের টুটাল বিল্ডিং কেপাসিটি হচ্ছে ২৬৫-৩০০ এর মত তবে সদস্য করতে হবে ১৩০ জন। প্রতেক পার্কিং এর বিপরিতে ৩জন করে পারমিশন দেয়। যখন তারেক আম্বিয়া এ উত্তর গুলো দিচ্ছিলেন তখন হারুন আহমেদ বলে উঠেন উনি ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সাথে কথা বলেছেন ফায়ার ডিপার্চমেন্ট বলেছে ৬০০ লোক আসতে পারবে তখন তারেক আম্বিয়া হারুন আহমেদকে চেলেঞ্জ করে ফায়ার ডিপার্টমেন্টের দেয়া লেমিনেট করা কপি সবাইকে দেখিয়ে প্রমান করেন হারুন একজন মিথ্যুক। আর ফায়ার ডিপার্টমেন্টের এ কাগজ সবসময় মসজিদের মেইন দরজার পাশে সবসময় ওয়ালে লাগানো ছিল। যেহেতু এরা মসজিদে আসেনা সেহেতু এ বিষয় গুলো এরা একেবারে জানে না। না জেনে তারেককে হেয় করার জন্য সে প্রথমেই এ কান্ড করে। এর পরে হারুনের অনুসারি আহমেদ আহসান হেলাল নামের এক নতুন সদস্য বলে উঠেন কমিটির লোকজনের আচার ব্যবহার ভাল না। কমিটিতে সব খারাপ লোক. এ কথা বলার সাথে সাথে অনেক মুসল্লি তার প্রতিবাদ করেন। এক পর্যায়ে এক মুসল্লী বলে উঠেন শয়তানরা সব সময় শয়তানি করবে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে। এ কথা বলার সাথে সাথে হারুন আহমদ নামের এক ব্যক্তি লাফ দিয়ে উঠেন এবং ওই শয়তান বলা ব্যক্তির দিকে মারমূখী হয়ে তেড়ে আসেন। তার সাথে সরকার মামুন, আহমেদ আহসান হেলাল, লিটন এবং বাহাউদ্দিন পিয়াল সহ যারা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য পরিকল্পনা করে এসেছিল তারাও  তার সাথে যোগ দেয়। কমিটির লোকজন শক্ত থাকার কারণে তাদের এ পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারে নি, তবুও তারা কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃস্টি করতে সক্ষম হয়েছে।
শুধু এটা করে তারা ক্ষান্ত হয়নি তারা পরবর্তীতে বর্তমান কমিটির লোকজনের বিরুদ্ধে ম্যানচেস্টার পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। ম্যানচেস্টার পুলিশ, যারা ওই দিন মিটিংএ উপস্থিত ছিলেন তাদের অনেকের কাছ থেকে ফোনের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে জানতে চায়।দুংখের বিষয় একটি কুচক্রিমহলের যোগসাজসে মসজিদের মত পবিত্র স্হানকেও পুলিশের নিকট হেয় প্রতিপন্ন করা হল। তাছাড়া মসজিদকে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে মসজিদের সুনাম বিনষ্ট করা হচ্ছে। বর্তমান মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশিক রহমান এ নিয়ে একটি প্রতিবাদ দিয়েছেন যেটা বিভিন্ন  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে।

যারা এ বিশৃঙ্খলার সাথে জড়িত তাদের সনাক্ত করে এরা যাতে ভবিষ্যতে মসজিদের কোন ক্ষতি করতে না পারে তার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেয়ার ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, বর্তমান মসজিদ পরিচালনা কমিটির সুন্দর নেতৃত্বে বেসমেন্টে শুরু হওয়া মসজিদটি আজ ১০,০০০ হাজার স্কয়ার ফুটের নতুন মসজিদ ভবন সহ দুটি ভবনের মালিক। ফিউনারেল সার্ভিস, ইসলামী ক্লাস সহ বিভিন্ন ভাবে মসজিদের কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। মসজিদের বর্তমানে কোন ঋন নেই বরং মসজিদ ফান্ডে বেশ কিছু টাকাও জমা আছে। মসজিদের এই উন্নতি একটি মহল কোনভাবেই সহ্য করতে পারছে না তারাই বারবার এভাবে মসজিদকে বিতর্কিত করছে, আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করুন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV