ক্যান্সার প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরনের ফলমূল,শাকসবজি ও চা

অধ্যাপক ডা:মোঃ শহীদুল্লাহ্: খাবার দাবারের ধরন, ব্যায়াম না করার অভ্যাস আর শরীরের বাড়তি ওজন শতকরা প্রায় ৪০ ভাগ ক্ষেত্রে এসবই ক্যান্সারের কারণ। আবার সব ধরনের ক্যন্সারের প্রায় ৩০ শতাংশই খাবারের সাথে সম্পর্কযুক্ত। খাবারের ধরন ক্যন্সারের একটা রিষ্ক ফ্যাক্টর। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। অতএব, খাবার হচ্ছে ক্যান্সারের পরিবর্তনযোগ্য রিষ্ক ফ্যাক্টর। খাবারে বেশি বেশি ফলমূল, শাক সবজি থাকলে কোন কোন ক্যান্সার ও ক্রনিক অসুখ কম হয়। এসব খাবারে আছে ক্যান্সার প্রতিরোধী কিছু উপাদান। ক্যান্সার প্রতিরোধী কয়েকটি খাবারের উদাহরণ হচ্ছে:
টমেটো
টমেটোতে আছে প্রচুর লাইকোপিন নামক শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট। টমেটো সস্, টমেটো পেস্ট বা টমেটো ক্যাচাপ-লাইকোপিনের ঘন উত্স। লাইকোপিন পুরুষদের প্রস্টেট আর মহিলাদের জরায়ুর মুখ ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমাতে সহায়ক। এ ছাড়া বৃহদন্ত্র, মলাশয়, পাকস্থলি, গ্রাসনালী ইত্যাদি অঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধেও টমেটো সহায়ক বলে বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণ।
গাজর, পাকা পেঁপে, মিষ্টি আলু, লাল শাক
এগুলো শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট ‘বিটা ক্যারোটিনের’ গুরুত্বপূর্ণ উত্স। এসব খাবার নিয়মিত খেলে অনেক ধরনের ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমে।
সীম
সীমের ফাইটোক্যামিকেল ‘আইসোফ্ল্যাভোন’ প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর বলে ধারণা করা হয়।
পালং শাক
সবুজ শাকের মধ্যে পালং শাক সেরা। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে লুটিন ও ভিটামিন ই। পালং শাকের এন্টি-অক্সিডেন্ট লিভার, ডিম্বাশয়, কোলন ও প্রস্টেটের ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর।
রসুন
গ্রাসনালী, পাকস্থলি ও স্তনের ক্যান্সার কমাতে রসুন কার্যকর। রান্না করার মিনিট দশেক আগে কুচি কুচি করে কেটে রেখে দিলে রসুনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
আনারস
ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট। আনারস ভিটামিন সি-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্স। এ ছাড়া আনারসে আছে ‘ব্রোমেলেইন’ নামের এক এনজাইম। এটি স্তন ও ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
আপেল
আপেলে আছে ‘কোয়ার্সেটিন’ নামের এক এন্টি-অক্সিডেন্ট, যা কমিয়ে দেয় পাকস্থলি ও কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা। এটি প্রস্টেট ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধিও কমিয়ে দেয়।
চা
চায়ে আছে শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট ‘ইজিসিজি’। এটি পাকস্থলি, লিভার ও ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর। কালো চায়ের চেয়ে সবুজ চাই বেশি ভালো। সবুজ চায়ে এন্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি।
আমাদের হাতের কাছেই আছে প্রচুর ফলমূল ও শাক সবজি। এসবের বিভিন্ন এন্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। স্বাস্থ্যকর দীর্ঘ জীবনের জন্য এবং ক্যান্সার প্রতিরোধের আশায় আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন ধরনের ফলমূল ও শাকসবজি থাকা একান্ত আবশ্যক। আর চাও পান করা উচিত্ দৈনিক কয়েক কাপ।ইত্তেফাক
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests