Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

গর্ভকালীন জটিলতায় বিশ্বে প্রতিদিন ১হাজার অন্তঃসত্ত্বা নারী মারা যাচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 87 বার

প্রকাশিত: September 18, 2010 | 12:06 AM

মিনারা হেলেন(বাংলাপ্রেস)-গর্ভকালীন এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় নানা জটিলতায় বিশ্বে প্রতিদিন এক হাজার নারী মারা যাচ্ছে। এর মধ্যে ৫৭০ জন আফ্রিকার সাব সাহরা অঞ্চলে, ৩০০ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এবং বাকিরা উন্নত দেশে মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে গত বুধবার এ কথা বলা হয়েছে। এ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এমডিজি) শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর হার শতকরা ৩৪ ভাগ কমেছে। ১৯৯০ সালে বিশ্বে বছরে গর্ভবতী নারী মারা গেছে পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার। ২০০৮ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৮ হাজারে। এ সময়ের মধ্যে গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর হার বার্ষিক দুই দশমিক তিন শতাংশ কমেছে। তবে এ হার লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের চেয়েও কম। ২০১৫ সালের মধ্যে এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে প্রতি বছর মাতৃমৃত্যুর হার পাঁচ দশমিক পাঁচ শতাংশ কমাতে হবে। এমডিজি পরিকল্পনায় ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে মাতৃমৃত্যুর হার ৭৫ শতাংশ কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডবি্লউএইচও), ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে নতুন এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর প্রচুর রক্তক্ষরণ, সংক্রমণ, উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিরাপদ গর্ভপাত গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর পেছনে মূলত এ চারটি বিষয়কে বড় কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডবি্লউএইচওর মহাপরিচালক মার্গারেট চান বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে মাতৃমৃত্যুর হার কমে আসাটা ইতিবাচক। গর্ভবতী নারীর মৃত্যুতে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং তাতে কাজও হচ্ছে।’

ইউনিসেফের প্রধান অ্যান্থনি লেক বলেন, ‘মাতৃ স্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং নারীর জীবন রক্ষার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের আরো কিছু করা প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের কাছে সেবা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV