গুয়াম দ্বীপে সর্বাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্রে
অনলাইন ডেস্ক : প্রশান্ত মহাসাগরীয় গুয়াম দ্বীপে সর্বাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে পেন্টাগন। বলা হচ্ছে,উত্তর কোরিয়ার পরমাণু হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্র এমন সিদ্ধান্ত নিলো।
এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী চাক হেগেল জানান,উত্তর কোরিয়া পরমাণু কর্মসূচির বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্র দেশগুলোর জন্য ক্রমশ হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মিত্র দেশ দক্ষিণ কোরিয়া,জাপান এবং নিজ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে ওয়াশিংটন।
হেগেল বলেন, তাদের এখন পারামাণবিক শক্তি ও ক্ষমতা আছে। ক্ষেপণাস্ত্র চালানোর ক্ষমতাও তাদের আছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তারা পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যে ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে তা উদ্বেগজনক ও আমাদের দেশসহ মিত্র দেশ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য হুমকিস্বরুপ।
এই সিস্টেমে আছে একটি ট্রাক মাউন্টেড লঞ্চার,ইন্টারসেপ্টর মিসাইল এবং এ এন/টিপিআই ২ ট্র্যাকিং রাডার,সেইসঙ্গে আছে ইন্টিগ্রেটেড ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম।
বুধবার মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায় যে,আগামী সপ্তাহে দেশটি ব্যালিস্টিক টার্মিনাল হাই অ্যাটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করবে। এই সিস্টেমে আছে একটি ট্রাক মাউন্টেড লঞ্চার,ইন্টারসেপ্টর মিসাইল এবং এ এন/টিপিআই ২ ট্র্যাকিং রাডার,সেইসঙ্গে আছে ইন্টিগ্রেটেড ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম।
পেন্টাগন বলছে,গুয়ামে পর্যাপ্ত পরিমাণে সেনা নিয়োগসহ মিসাইল সিস্টেম স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার কথা ভেবে। উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির বিষয়টিকে মাথায় রেখে এমন সিদ্ধান্ত।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন,গুয়ামে এই সিস্টেম মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু এইসব পরিপ্রেক্ষিতে নয়।
মিসাইল অ্যাডভোকেসি গ্রুপের চেয়ারম্যান বিবিসির সংবাদদাতাকে বলেন,পেন্টাগনের এমন সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায় যে পিয়ংইয়ংয়ের হুমকিকে ওয়াশিংটন কতটা গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে। কিন্তু এটাকে কেবল আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হবে। এর থেকে বেশি কিছু ভাবা হবে না।
কয়েক সপ্তাহ ধরে পিয়ংইয়ং দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছে। এর মধ্যে পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর বিষয়টিও আছে। ইতিমধ্যে উত্তর কোরিয়া তিনবার পরমাণু পরীক্ষা চালিয়েছে। আর সর্বশেষ বন্ধ হয়ে যাওয়া ইয়ংবিয়ন পরমাণু স্থাপনা আবার চালুর ঘোষণাও দিয়েছে ।
এদিকে বুধবার উত্তর কোরিয়ার সরকার গুরুত্বপূর্ণ একটি যৌথ শিল্প-কারখানায় দক্ষিণ কোরীয় কর্মীদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে দুই কোরিয়ার মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যাবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার পরমাণু বোমা পরীক্ষা চালানোকে কেন্দ্র করে কোরিয়া উপদ্বীপে উত্তেজনা বেড়ে যায়। উত্তর কোরিয়ার ওই পদক্ষেপের পর দেশটির ওপর নতুন করে আরো নিষেধাজ্ঞা জারি করে জাতিসংঘ। সংকট সমাধানে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। বিবিসি।সমকাল
সর্বশেষ সংবাদ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests