চকোলেটের ইতিকথা : পৃথিবীতে প্রথম চকোলেটের প্রচলন শুরু হয় প্রায় তিন হাজার একশত বছর আগে

প্রাঞ্জল সেলিম : এমন কাউকে পাওয়া যাবে না, যিনি তার জীবনে একবারও চকোলেট খাননি। ছোট-বড় সবার কাছেই চকলেট খুব আকর্ষণীয় একটা খাবার। কিন্তু প্রশ্ন হলো, চকোলেট কেন এত মজা লাগে। অনেকে বলবে, এমনি এমনিই মজা লাগে। কিন্তু আসল কারণটা চকোলেট বানানোর মধ্যেই নিহিত। চকোলেট বানাতে বেশ কিছু উপাদান মেশানো হয়, আর সেগুলোর কারণেই চকোলেট এত মজার।
নানান স্বাদের চকোলেট
সারাবিশ্বে চকোলেট কোম্পানিগুলো নানান স্বাদের চকোলেট বানায়। তার মধ্যে মিল্ক চকোলেটই সবার বেশি প্রিয়। এ ছাড়া ডার্ক চকোলেট, হোয়াইট চকোলেট অনেকেই পছন্দ করে। বিভিন্ন দেশের সরকার মিল্ক চকোলেটে দুধ ও অন্যান্য উপাদান নিদিষ্ট করে দিয়েছে। আমেরিকায় চকোলেটে শতকরা ১০ ভাগ চকোলেট-লিকার থাকতে হয়। আর ইংল্যান্ডে মিল্ক চকোলেটে কমপক্ষে শতকরা ২৫ ভাগ সলিড কাকাউ থাকতে হবে। অন্যদিকে ডার্ক চকোলেটের ক্ষেত্রে আমেরিকায় ১৫ ভাগ চকোলেট-লিকার এবং ইংল্যান্ডে ৩৫ ভাগ সলিড কাকাউ থাকতে হবে। আবার চকোলেটের স্বাদ আরও আকর্ষণীয় করার জন্য চকোলেটে মিন্ট, কমলা বা স্ট্রবেরির স্বাদ যোগ করা হয়। এ ছাড়া মাঝে মাঝে বাদাম, ফল, ক্যারামেল এমনকি মচমচে দানাশস্যও ব্যবহার করা হয়।
চকোলেটের ইতিহাস
কাকাউ গাছের বীজ থেকে চকোলেট তৈরি করা হয়। গ্রিক শব্দ থিওব্রামার অর্থ হলো দেবতার খাদ্য। ৯০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে দক্ষিণ আমেরিকার প্রাচীন আজটেক জাতি কাকাউ গাছকে গভীরভাবে ভক্তি করত এবং এর বীজ মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করত। তারা এ গাছকে ক্ষমতা ও সম্পদের উত্স বলে মনে করত। এরপর আজটেক জাতি আবিষ্কার করল যে, কাকাউ বীজ গুঁড়া করে তার সঙ্গে মসলা মিশিয়ে চমত্কার সতেজকারী ও সুস্বাদু পানীয় বানানো যায়। তবে এ পানীয় বর্তমান সময়ের চকলেটের তুলনায় অনেক বেশি তিতা স্বাদের ছিল। এর সঙ্গে মিষ্টি সুগন্ধ মিশিয়ে পান করতে হতো। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, পৃথিবীতে প্রথম চকোলেটের প্রচলন শুরু হয় আজ থেকে প্রায় তিন হাজার একশত বছর আগে। তখন থেকেই কাকাউ পানীয় ব্যয়বহুল বিলাসী খাবারের মর্যাদা পায়। এর কয়েক বছর পরেই ১৮৩১ সালে ব্রিটেনে ক্যাডবেরি নামে একটি চকোলেট ফার্ম চকোলেট উত্পাদন শুরু করে। রুডলফের আবিষ্কৃত চকোলেটই ছিল প্রথম মজাদার চকোলেট। এ সময় থেকেই চকোলেটের আসল মজা পেতে শুরু করে মানুষ।
কেমন করে এলো মিল্ক চকোলেট
১৮৭৫ সালে সুইজারল্যান্ডের নাগরিক ড্যানিয়েল পিটার প্রথম মিল্ক চকোলেট তৈরি করেন। এর ফলে কালো শক্ত চকোলেটের চেয়ে এ চকোলেটটি মিষ্টি ও নরম হওয়ায় অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পায়। এরপর ১৮৭৯ সালে রুডলফ লিন্ড, যে সবচেয়ে পছন্দের চকোলেটের রেসিপি তৈরি করে সবার মন কাড়েন ।
এরপর একে একে ক্যাডবেরি ও হার্শে নামের চকোলেট কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯০৫ সালে ক্যাডবেরি ডেইরি মিল্ক নামে যে চকোলেট বাজারে আনে তা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পায়। কেবল ওই সময়েই নয়, বর্তমানেও এ চকোলেট বেশ জনপ্রিয়। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে মিল্ক চকোলেটই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।ইত্তেফাক
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল








