চুক্তিভিত্তিক বিয়ে লন্ডনে ফেঁসে গেছেন এক বাংলাদেশী
ডেস্ক: লন্ডনে চুক্তিভিত্তিক বিয়ের সঙ্গে জড়িত থাকায় ফেঁসে গেছেন গিয়াস উদ্দিন নামে এক বাংলাদেশী। তার অধীনে যারা চাকরি করেন তাদের তার রেস্তরাঁয় কর্মজীবী পোলিশ নাগরিকদের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। গতকাল অনলাইন ডেইলি মেইলে এ খবর ছাপা হয়। এতে বলা হয়, লন্ডনে বৈধভাবে বসবাসের অধিকার হারিয়েছেন অথবা অধিকার নেই এমন ব্যক্তিকে বিদেশীদের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে তাদের সেখানে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই তা করা হয় অর্থের বিনিময়ে। এ ধরনের বিয়েকে চুক্তিভিত্তিক বিয়ে বলা হয়। লন্ডনের বেডফোর্ডশায়ারে গিয়াস উদ্দিনের আছে ‘মোজা’ নামের একটি রেস্তরাঁ। তিনি সেখানকার ম্যানেজার। তার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি বাংলাদেশী অনেক পুরুষকে অনেক পোলিশ নারীর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক বিয়ে দিয়েছেন। এরা সবাই তার রেস্তরাঁর কর্মচারী। বিয়ের পর পরই তারা রেস্তরাঁর কাজে ফিরে গেছে। গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে আরও অনেক এ ধরনের বিয়ে আয়োজনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব বিয়ের পর বিয়ের রেজিস্ট্রাররা দেখতে পান, বিবাহিত বর বা কনেরা ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় কথা বলেন। বরের ভাষার সঙ্গে কনের ভাষা মেলে না। তাছাড়া তারা বিয়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা পরই কাজে ছুটে গিয়েছেন। এ থেকে তাদের ওই বিয়ে নিয়ে সন্দেহ হয়। এ নিয়ে গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত ও মামলা চলছে। তাতে জুরিরা তাকে দোষী দেখতে পান। তবে বেডফোর্ডশায়ারের লেইটন বুজার্ড এলাকায় মোজা রেস্তরাঁর ম্যানেজার গিয়াস উদ্দিন দাবি করেছেন, তিনি বাংলাদেশীদের পোলিশ নারীদের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার ঘটনায় জড়িত নন। এ নিয়ে লুটন ক্রাউন কোর্টে মামলা চলছে। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, চুক্তিভিত্তিক বিয়ের মাধ্যমে গিয়াস উদ্দিন তার আত্মীয়দের যুক্তরাজ্যে নিচ্ছেন। তারপর তাদের বিয়ে দিয়ে তাদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করছেন। এ অভিযোগে তিনি ও অন্য ৮ জনের বিরুদ্ধে এ মাসেই শাস্তি হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ৬ জনই দোষ স্বীকার করেছেন। গিয়াস উদ্দিন ও অন্য দু’জনকে জুরিরা অভিযুক্ত করেছেন। এতে বলা হয়েছে, তিনি অন্যদের সহযোগিতায় যেসব লোক ইন্ডিয়ান রেস্তরাঁয় কাজ করেন তাদের জন্য চুক্তিভিত্তিক বিয়ের আয়োজন করেন। এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ তুলে ধরা হয়। বলা হয়, ২০১০ সালের ১৩ই ডিসেম্বর মিল্টন কেনিস রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে ডরোটা উসোকা ও মোহাম্মদ রেজাউল মিয়া তাদের বিয়ে নিবন্ধিত করতে অনুরোধ করেন। এ সময় রেজিস্ট্রার দেখতে পান, রেজাউল মিয়া ও ডরোটা একে অন্যের সঙ্গে পরিষ্কার করে কথা বলতে পারছেন না। তাদের ভাষায় রয়েছে মারাত্মক পার্থক্য। তারা কেউ ইংরেজিতেও কথা বলতে পারেন না। রেজাউল পোলিশ ভাষায় কথা বলতে পারেন না। অন্যদিকে ডরোটা পারেন না বাংলায় কথা বলতে। অভিযোগে বলা হয়, তারা কখনও স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করেননি। অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন হলেন ৫ সন্তানের জনক। তিনি লুটনের আইভি রোডে বসবাস করেন। একই ঠিকানা ব্যবহার করেন অভিযুক্ত মোহাম্মদ রেজাউল মিয়া (৩৫)। লুটনের স্পেন্সার রোডে বসবাস করেন অপর অভিযুক্ত মোহাম্মদ দোলন মিয়া (২৯)। তারা নিজেরা নির্দোষ দাবি করেছেন। প্রসিকিউশনে দাবি করা হয়েছে মোহাম্মদ রেজাউল মিয়া হলেন গিয়াস উদ্দিনের শ্যালক। দোলন মিয়া হলেন গিয়াস উদ্দিনের ভাইপো। গিয়াস উদ্দিনের আছে বৃটিশ নাগরিকত্ব।মানবজমিন
সর্বশেষ সংবাদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং