জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের দোয়া ও মোনাজাত পূর্ব আলোচনা সভায় মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত করার ঐন্দ্রজালিক ক্ষমতা ছিল এই মহান নেতার। হিমালয় পর্বতসম ব্যক্তিত্ব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘাতকদের বুলেটের সামনেও ছিলেন উন্নতশীর। তিনি রাজনীতির কবি (পোয়েট অব পলিটিক্স), যিনি মনুষত্ত্বের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে জন্ম-জন্মান্তর সংগ্রাম করেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, কেবল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই দেশ স্বাধীন করা যায়। বঙ্গবন্ধু মানুষের এতটাই আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন তার অঙ্গুলি ইশারায় গোটা জাতি মুক্তির মঞ্চে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। প্রসঙ্গত ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেন, গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন শতকরা ২ ভাগ ভারতীয়। আর অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল শতকরা ৯৮ ভাগ বাঙালী। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এবং পাকিস্তানের হাতে স্বেচ্ছায় বন্ধিত্ব গ্রহণ তার সাহস, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার স্বাক্ষর বহন করছে। আমাদের ৭২’র সংবিধানের চার মূলনীতি তাঁকে বিশ্ব মানব মুক্তির পথ প্রদর্শক হিসাবে পরিচয় করিয়ে দেয়। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার অপরাহ্নে বাংলাদেশ মিশন মিলনায়তনে শোক দিবসের এই কর্মসূচী পালিত হয়। বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও কনস্যুলেট জেনারেল’র কার্যালয় যৌথভাবে এই কর্মসূচীর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কনসাল জেনারেল শাব্বির আহ্মদ চৌধুরী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন মিশনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল মোমেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর অংশ বিশেষ পাঠ করেন মিশনের মিনিস্টার (কালচারাল) অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ। আলোচনায় অংশ নেন- বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, বাঙালী পত্রিকার সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, প্রবীন সাংবাদিক সৈয়দ মাহমুদ উল্লাহ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বেলাল বেগ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মিশনের প্রেস সেক্রেটারী মামুন-অর-রশিদ। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে কোরআন তেলোয়াত ও মোনাজাত করা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মিশন ও কনস্যুলেটের কর্মকর্তা কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার শান্তি ও রুহের মাগফেরাতের জন্য ত্রিশ পারা কোরআন খতম করেছে, যা মোনাজাতে বঙ্গবন্ধুর নামে বকশিশ করা হয়। মোনাজাত শেষে ইফতার পার্টির মাধ্যমে শেয় হয় মিশন ও কনস্যুলেটের যৌথ আয়োজনে শোক দিবসের কর্মসূচী।
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
