ঝুঁকিতে উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা


<!–ul>
অনলাইন ডেস্ক : গবেষকেরা সতর্ক করে জানিয়েছেন উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা বর্তমানে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকির মুখে রয়েছেন। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে টেলিগ্রাফ অনলাইন। এক্সপি থেকে আপগ্রেড করে উইন্ডোজের সাম্প্রতিক সংস্করণগুলোতে যেতে দেরি করছেন অনেক ব্যবহারকারী। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, ২০১৪ সালে উইন্ডোজ এক্সপির জন্য আর কোনো আপডেট বা নিরাপত্তা দেবে না মাইক্রোসফট, যা এক্সপি ব্যবহারকারীদের জন্য সাইবার নিরাপত্তায় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রযুক্তি বিশ্লেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে শিগগিরই উইন্ডোজের সাম্প্রতিক সংস্করণে আপগ্রেড করে নেওয়ার। ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল থেকে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের তৈরি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপির সাপোর্ট-সুবিধা শেষ হচ্ছে। উইন্ডোজ এক্সপির পাশাপাশি মাইক্রোসফট অফিস ২০০৩-এর অফিসিয়াল সাপোর্টও শেষ হবে একই সময়ে। ফলে এর পরে অফিসিয়ালভাবে উইন্ডোজ এক্সপির আর কোনো সাপোর্ট-সুবিধা দেবে না মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফটের বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম সংস্করণের মধ্যে উইন্ডোজ এক্সপির বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। মাইক্রোসফটের প্রযুক্তি গবেষকেরা জানিয়েছেন, এক বছরের মধ্যেই উইন্ডোজ এক্সপির সাপোর্ট সুবিধা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অথচ অনেক প্রতিষ্ঠান উইন্ডোজের এ সংস্করণটি থেকে অন্য কোনো সংস্করণে আপগ্রেডের কোনো পরিকল্পনা করেনি। উইন্ডোজ এক্সপি পুরোনো সংস্করণ হওয়াতে এতে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি থাকছে। বর্তমানে মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮ এর সংস্করণটি চলছে। এর আগে উইন্ডোজের ভিস্তা ও উইন্ডোজ ৭ সংস্করণটিও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালের পর থেকে এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম আর সমর্থন করবে না তাই এক্সপিনির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলোর এখনই উইন্ডোজ সেভেন বা পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেমে চলে যাওয়া উচিত। ২০১২ সালেই ডেস্কটপ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যায় মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৭। ২০১২ সালের আগস্ট মাসে ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে উইন্ডোজ ৭ দখল করেছিল ৪২.৭৬ শতাংশ আর এক্সপির দখলে ছিল ৪২.৫২ শতাংশ। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে অনেক প্রতিষ্ঠানই এখনও পুরোনো এক্সপিতেই রয়ে গেছে। উইন্ডোজ ভিস্তার দখলে নিয়েছিল বাজারের ৬.১৫ শতাংশ। উইন্ডোজের পরের অবস্থানে ছিল ম্যাক ওএসএক্স১০.৭ ও ম্যাক ওএসএক্স১০.৬। ডেস্কটপ বাজারের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম দুটির দখল যথাক্রমে ২.৪৫ শতাংশ ও ২.৩৮ শতাংশ। ২০০৯ সালে উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্ত করেছিল মাইক্রোসফট। ২০০১ সালে উন্মুক্ত করা উইন্ডোজ এক্সপিকে জনপ্রিয়তায় পেছনে ফেলতে তিন বছর লেগেছিল উইন্ডোজ ৭-এর। ২০১২ সালের ২৬ অক্টোবর থেকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণ ‘উইন্ডোজ ৮’ বিক্রি শুরু করছে মাইক্রোসফট। মাইক্রোসফটের তথ্য অনুযায়ী, উইন্ডোজ ৮ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে।প্রথম আলো
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK