টেক্সাসের নদী পাড়ি দিতে গিয়ে ২৩০ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে আসতে বাংলাদেশিরা বেছে নিয়েছেন বিপদসঙ্কুল মেক্সিকো-টেক্সাস সীমান্ত। অবৈধভাবে প্রবেশ করতে গিয়ে ২৩০ জন বাংলাদেশি ২০১৮ সালেই লাতিন আমেরিকান কুখ্যাত ড্রাগ কার্টেলদের হাতে অন্তত ৫০ কোটি টাকা তুলে দিয়েছে। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মার্কিন সীমান্তের রিও গ্রান্দি নদী পাড়ি দেয়ার সময় প্রত্যেকে ধরা পড়েছেন। সর্বশেষ ১৭ই মে টেক্সাসের লারেদোর সীমান্তরক্ষী বাহিনী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, দক্ষিণ লারেদোর রিও গ্রান্দি নদী পাড়ি দেওয়ার সময় ইউএস বর্ডার পেট্রল এজেন্টস আরো আট জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা অবৈধভাবে নদী পাড়ি দিয়েছিল। এই আট জনকে নিয়ে শুধু এই একটি সীমান্তেই ধরা পড়া বাংলাদেশিদের সংখ্যা ২৩০-এ পৌঁছেছে। লারেদো সেক্টর অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ পেট্রল এজেন্ট গ্যাব্রিয়েল অ্যাকোস্তা বলেছেন, অন্যান্য সীমান্তের তুলনায় বাংলাদেশিরাই এই সীমান্তে সর্বাধিক সংখ্যক অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছেন। মি. অ্যাকোস্তা বলেন, এটা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আমাদের এজেন্টরা প্রায় দৈনিক ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করছেন। আর অবৈধভাবে তারা কেন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে, সেটা কেবল তাদের গ্রেপ্তারের পরেই নির্ধারণ করা সম্ভব।’
অনুসন্ধানে দেখা যায়, রিও গ্রান্দি নদীটি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-মধ্য কোলোরোডো থেকে উৎসারিত হয়ে গালফ অব মেক্সিকোতে প্রবাহিত হয়েছে। নিউ মেক্সিকো এবং টেক্সাসের যে সীমান্ত নদী দ্বারা বিভক্ত সেখান থেকেই বিদেশি অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। গত ১৮ই এপ্রিল এ বিষয়ে মার্কিন ডিজটাল ম্যাগাজিন ওয়াশিংটন এক্সামিনারের সাংবাদিক অ্যানা গিয়ারিটেল্লি একটি অনুসন্ধানী রিপোর্ট প্রকাশ করেন। এর শিরোনাম ছিল, ‘বাংলাদেশিজ পেয়িং ড্রাগ কার্টেল আপ টু ২৭০০০ ডলার টু বি স্মাগলড ইনটু দি ইউএস।’ এতে বলা হয়, প্রত্যেক বাংলাদেশি মাথাপিছু ২৭ হাজার ডলার পাচারকারীদের পরিশোধ করেছে। ২৩০ জনের খরচ পড়ে ৫০ কোটি ৯২ লাখ টাকা।
এক্সামিনার রিপোর্ট বলেছে, চলতি আর্থিক বছরে লারেদোর এজেন্টরা ১৮৩ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে। এ থেকে বোঝা যায়, গত মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ৪৭ বাংলাদেশি অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় জন বাংলাদেশি অবৈধভাবে এই সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। একজন মার্কিন মুখপাত্র এক্সামিনারকে বলেছেন, এশিয়া থেকে সাড়ে আট হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে ২০১৭ সালে যত অবৈধ অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার চেষ্টা করেছে তাদের ৬০ ভাগই লারেদোকে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। মি. গ্যাব্রিয়েল অ্যাকোস্টা এক্সামিনারকে বলেছেন, বাংলাদেশিরা শুধু একক চেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার চেষ্টা চালায় তা নয়, তাতের পেছনে আছে ড্রাগ কার্টেল। এশিয়া থেকে তারাই ঘাটে ঘাটে থাকে এবং তাদের এ পর্যন্ত নিয়ে আসে। এশিয়া থেকে তাদের প্রথমে আনা হয় দক্ষিণ আমেরিকায়। এরপর সেখানে থেকে বিভিন্ন পরিবহনে তাদের মধ্য আমেরিকার নানা স্থান ঘুরি?য়ে আনা হয় মেক্সিকোতে। মানবপাচারকারী চক্রই তাদেরকে নিয়ে আসে। এই ব্যক্তিরা (বাংলাদেশি) নিজেরা কিন্তু জানে না যুক্তরাষ্ট্র নামের দেশে কোন সীমান্ত দিয়ে তারা ঢুকবে। লারেদো থেকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ২৫ হাজার ৪৬০ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে ২০১৭ সালে।
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের








