Wednesday, 11 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

ডি লিট নিতে শেখ হাসিনা আগরতলা যাচ্ছেন নভেম্বরে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 56 বার

প্রকাশিত: October 13, 2011 | 9:07 PM

পরিতোষ পাল, কলকাতা থেকে: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ প্রথম ভারতের কোনও বিশ্ববিদ্যালয় সাম্মানিক ডি লিট সম্মান দিতে চলেছে। ত্রিপুরার সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্কের নিরিখে শেখ হাসিনাকে সাম্মানিক ডি লিট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ত্রিপুরার কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। গত বছর তাকে এ সম্মান দেয়ার কথা থাকলেও শেখ হাসিনার ব্যস্ত সফরসূচির জন্য দেয়া যায়নি। তবে কয়েক দিন আগে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অরুণোদয় সাহা রাজ্যের গভর্নর ডি ওয়াই পাতিলকে সঙ্গে করে ঢাকায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছেন। শেখ হাসিনা সে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে সাম্মানিক ডি লিট গ্রহণ করতে আগরতলা আসতে পারেন বলে জানিয়েছেন। ভিসি জানিয়েছেন, এ সম্মান জানানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে ত্রিপুরার ঐতিহাসিক সম্পর্ককে স্মরণ করা হবে। ভিসি সাহা আরও জানিযেছেন, সমাবর্তনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনিই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে ডি লিট সম্মান তুলে দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় এ ডিলিট সম্মান দেয়ার দিনক্ষণ ঠিক করছে বলে জানা গেছে। এদিকে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ত্রিপুরা সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে ত্রিপুরা সরকারও বেশকিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বলে জানা গেছে। আগরতলার অদূরে তৈরি মুক্তিযুদ্ধ পার্কের শেখ হাসিনা যেতে পারেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরা অনন্য ভূমিকা পালন করেছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিল সেখানে। বহু নেতা সে সময় ত্রিপুরায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাকে কেন্দ্র করেও ত্রিপুরার নাম জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। বাংলাদেশের মানুষও ত্রিপুরার সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ককে মূল্য দিয়ে এসেছেন। কিছুদিন আগে ত্রিপুরার পালাটানায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রানজিট সুবিধা দেয়ায় ত্রিপুরা সরকার বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। এমনকি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশকে একশ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেয়ার প্রস্তাব করেছেন।  মানবজমিন

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV