Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

তরলে ডুবিয়ে ঠাণ্ডা করুন কম্পিউটার!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 8 বার

প্রকাশিত: March 21, 2013 | 5:59 PM

একটি আইফোনকে দিব্যি তরলে ডুবিয়ে দিলেন গবেষক। এরপর সেটিতে ফোন করলেন। বাহ, দিব্যি বেজে যাচ্ছে! তবে বিশেষ এ তরল পদার্থের মূল কাজ এটা নয়। এ তরল বাঁচাতে পারে অনেক বিদ্যুত্। যুক্তরাজ্যের গবেষকরা বিশ্বাস করেন, ফেসবুক এবং গুগলের মতো জায়ান্টদের বৈশ্বিক তথ্য সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলো ঠাণ্ডা রাখতে এখন যে পরিমাণ বিদ্যুত্ খরচ হয়, তার নব্বই শতাংশের বেশি কমিয়ে আনা সম্ভব। তথ্য সংরক্ষণের এসব কেন্দ্রে কী পরিমাণ বিদ্যুত্ খরচ হয়, সেটা অল্পতে বোঝানো কঠিন। তবে গবেষকদের হিসাবে, বিশ্বে বর্তমানে যে পরিমাণ বিদ্যুত্ খরচ হচ্ছে, তার দুই শতাংশের মতো ব্যয় হচ্ছে এসব তথ্যকেন্দ্রে। আর এ দুই শতাংশের অর্ধেক ব্যয় হয় শুধু সার্ভারগুলোকে ঠাণ্ডা রাখতে। হিসাবটা বেশি জটিল মনে হচ্ছে? আসলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় সেটির কিছু অংশ সবসময় ঠাণ্ডা রাখতে হয়। এ ঠাণ্ডা রাখার কাজটি করে কুলিং ফ্যান। কম্পিউটার সিপিইউয়ের পেছন দিকে এই ফ্যান থাকে। ল্যাপটপের ক্ষেত্রে সাধারণ কি বোর্ডের উপরের দিকে কুলিং ফ্যানের অবস্থান। আমরা এই যে ফেসবুকে ছবি শেয়ার করি, স্ট্যাটাস দিই কিংবা ইউটিউবে যেসব ভিডিও শেয়ার করি, সেগুলো বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত কম্পিউটার সার্ভারে গিয়ে জমা হয়। এসব সার্ভারের কর্মক্ষমতা আমাদের বাড়ির কম্পিউটার বা ল্যাপটপের চেয়ে অনেক বেশি। বড় বড় ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে থাকে অসংখ্য সার্ভার। এসব সার্ভার ঠাণ্ডা রাখতে যে বায়ু শীতলীকরণ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়, তার পেছনে বিদ্যুত্ খরচ হয় অনেক। যুক্তরাজ্যভিত্তিক নতুন প্রতিষ্ঠান ‘আইসোটোপ’ বায়ুভিত্তিক শীতলীকরণ ব্যবস্থার একটি বিকল্প উপায় তৈরি করেছে। বিশেষ তরল পদার্থ দিয়ে তৈরি এ বিকল্প শীতলীকরণ ব্যবস্থায় বিদ্যুত্ খরচ নাটকীয়ভাবে অনেক কমিয়ে আনা যাবে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা রিচার্ড ব্যারিংটন এ বিষয়ে বলেন, সর্বশেষ সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, শুধু তথ্য সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে চলতি বছর খরচ হবে ৪৩ গিগাওয়াট শক্তি। এ শক্তি নব্বইটি মাঝারি আকারের পরমাণু কেন্দ্রের সমান। ব্যারিংটন মনে করেন, এয়ারকুলিং সিস্টেমের বদলে তাদের তৈরি তরল শীতলীকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করলে বিদ্যুত্ সাশ্রয় হবে হাজার গুণ বেশি। এতে তথ্য সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর খরচ যেমন কমবে, তেমনি পরিবেশের ক্ষতিও কমে যাবে অনেক। বিশেষ এ তরলের কাজ শুধু সার্ভার ঠাণ্ডা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং সার্ভার ঠাণ্ডা রাখতে গিয়ে এ তরল পদার্থ যখন গরম হয়ে যাবে, তখন তা ব্যবহার করা যাবে শীতের সময় ঘর গরম রাখতেও। ফলে এ তরল ব্যবহার করা যাবে দুই কাজে। আইসোটোপ এই বিশেষ তরল নিয়ে উত্তর ইংল্যান্ডে অবস্থিত লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করছে। তারা এমন এক তরল পদার্থ সার্ভার শীতলীকরণের জন্য ব্যবহার করছে, যা বিদ্যুত্ পরিবাহী নয়; ফলে কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার সুযোগও নেই। এরই মধ্যে ওই তরলে আইফোন ডুবিয়ে পরীক্ষা করেছেন গবেষকরা। ইউটিউবে এ পরীক্ষার ভিডিও রয়েছে। এখানে বলা প্রয়োজন, তথ্য সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলো ঠাণ্ডা রাখতে গুগল এবং ফেসবুকও বিভিন্ন বিকল্প পন্থার কথা ভাবছে। গুগল সম্প্রতি তাদের কিছু তথ্য সংরক্ষণ কেন্দ্র উত্তর আর্কটিকে সরিয়ে নেয়ার কথাও জানিয়েছে। সেখানকার শীতল পরিবেশ কম্পিউটার সার্ভারগুলোকে ঠাণ্ডা রাখতে সহায়ক হবে। এক্ষেত্রে খরচও কমবে। ব্যারিংটন গুগলের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি মনে করেন, এভাবে দুনিয়ার যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ সার্ভার আর্কটিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আইসোটোপ এখন পর্যন্ত দুটি তরল শীতলীকরণ ব্যবস্থাযুক্ত কম্পিউটার সার্ভার স্থাপন করেছে। কিন্তু গুগল বা ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজন অনেক বড় ব্যবস্থা। আইসোটোপ তাই তাদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে কি না, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আরও সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থার দিকেই ছুটবে। আর তখন তরল শীতলীকরণ ব্যবস্থার মতো ভিন্ন পদ্ধতিগুলোর গুরুত্বও বাড়বে। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV