তরুণরা ব্যাকরণগত ভুল সংশোধন ও বানানের জন্য অনলাইন নির্ভর :আইবিএম-এর জরিপ তথ্য


ব্যাকরণগত ভুল সংশোধন ও শব্দের বানান সঠিকভাবে লেখা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য মূলত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ওপরেই নির্ভর করে তরুণরা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (আইবিএম)-এর করা এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। টেলিগ্রাফ অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের শতকরা ৪০ শতাংশ ব্যাকরণগত ভুল ও বানান সংশোধনের জন্য অনলাইনের ওপর নির্ভর করেন। আইবিএমের করা সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, সব বয়সীদের ক্ষেত্রেই গড়ে ৩৫ শতাংশ মানুষ এখন বানানের জন্য অনলাইন ওপর নির্ভরশীল। আইবিএমের এ গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সীরা তাঁদের কাজের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন। ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা অনলাইনে কেনাকাটার আগে ফেসবুক, টুইটার ব্যবহার করে বন্ধুদের মতামত জানতে চান। আইবিএম জানিয়েছে, দুই হাজার ব্যক্তির মধ্যে চালানো এ জরিপে দেখা গেছে, অনলাইনে কিছু কেনার আগে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্রেতারা পণ্যটি নিয়ে অনলাইনে বিশ্লেষণ দেখছেন, অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে তুলনা করছেন, তারপর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। জরিপে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, টেলিভিশন বা রেডিও বিজ্ঞাপনে সাড়া দেন ১১ শতাংশ ক্রেতা তবে অনলাইনে রিভিউ দেখে সাড়া দেন ৬৪ শতাংশ। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, আইবিএমের এ গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইননির্ভর হয়ে পড়ছেন অধিকাংশ মানুষ।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








