Tuesday, 9 June 2026 |
শিরোনাম
Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
সব ক্যাটাগরি

নতুন কণার সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা : এক বিজ্ঞানী এই কণার নাম রাখেন ঈশ্বর কণা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 29 বার

প্রকাশিত: July 4, 2012 | 11:11 AM

 ডেস্ক: বিজ্ঞানবিশ্বকে চমকে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, সুইজারল্যান্ডের মাটির নিচে স্থাপিত লার্জ হেড্রন কলাইডারের (এলএইচসি) পরীক্ষায় হিগস-বোসন কণার মতো এক ধরনের নতুন কণার সন্ধান পেয়েছেন। হিগস-বোসন কণার আরেক নাম গড পার্টিকেল বা ঈশ্বর কণা। নতুন ওই কণাটি আবিস্কৃত হওয়ায় এখন পর্যায় সারণিতে স্থান পেতে যাচ্ছে তা। ফলে রসায়ন ও পদার্থবিদ্যা আরও সমৃদ্ধ হবে। জেনেভায় আজ লার্জ হেড্রন কলাইডারে থেকে ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ বা সার্নের বিজ্ঞানীরা এমন দাবি করেছেন। এমন দাবি করার সঙ্গে সঙ্গে জেনেভায় এলএইচসি’র সদর দপ্তরে উল্লাস ও উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। কারণ হিগস-বোসন কণা ব্যাখ্যা করার জন্য গত ৪৫ বছর ধরে অপেক্ষা করছেন বিজ্ঞানীরা। কলকাতা প্রতিনিধি জানান, ঈশ্বর কণার অস্তিত্ব কি সত্যিই আছে? নাকি তা নেহাতই গাণিতিক মরিচিকা? বিতর্কটা চলছিল বিগত ৫ দশক ধরে। অবশেষে ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ বা সার্নের গবেষকরা তাদের পরীক্ষালব্ধ ফলের ভিত্তিতে মেনে নিলেন তার অস্তিত্ব। সার্নের  ভিডিও ফুটেজেও তুলে ধরা হয়েছে ‘গড পার্টিকল্স’-এর ছবি। পদার্থবিদ্যার যে তত্ত্ব কোনও বস্তুর ভর ব্যাখ্যা করে তা স্ট্যান্ডার্ড মডেল। আর স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অস্তিত্ব নির্ভরশীল ঈশ্বর কণার ওপর। পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেল বলে, মহাবিশ্বে প্রতিটি বস্তুুর ভরের প্রাথমিক ভিত্তি এক ধরণের অদৃশ্য কণা। কোনও বস্তুর ভর কেন অন্য বস্তুর থেকে আলাদা হয়? কোন বস্তুর ভর কতটা হবে? মহাবিশ্বে কোথা থেকে প্রতিটি বস্তু তার ভর খুঁজে পায়? স্ট্যান্ডার্ড মডেলের তত্ত্ব বলে, এই সমস্ত কিছুই নির্ভর করে ঈশ্বর কণার ওপরে। ১৯৬০ সালে বৃটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস তত্ত্বগতভাবে এই কণার কথা বলেছিলেন। হিগসের উল্লেখিত এই কণার চরিত্র সম্পর্কে আলোকপাত করেছিলেন ভারতীয় বাঙালি  বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু। দুই বিজ্ঞানীর নামে কণাটির নাম দেয়া হয় হিগস-বোসন। এতদিন অদৃশ্য এই কণার অস্তিত্ব ছিল শুধুমাত্র গাণিতিক বিশ্বাসে। অথচ একে ছাড়া যাবতীয় বস্তুর উপস্থিতি অসম্ভব। তাই আরেক বিজ্ঞানী এই কণার নাম রাখেন ঈশ্বর কণা। গত ৫ দশকে বহুবার ঈশ্বর কণার অস্তিত্ব সন্ধানের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ১৮ মাস আগে, ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ বা সার্ন শুরু করে তাদের বিজ্ঞানের মহাযজ্ঞ। ফ্রান্স-সুইজারল্যান্ড সীমান্তে মাটির একশো মিটার নিচে ষোল মাইল লম্বা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে বসানো হয় লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার। প্রাথমিকভাবে বিগ ব্যাং বা মহাজাগতিক বিস্ফোরণের পর মুহূর্তের  পরিস্থিতি সৃষ্টি করাই ছিল বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্য। যার থেকে জানা যেতে পারত  ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির রহস্য। সেই পরীক্ষায় লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে দুটি বিপরীতমুখী প্রোটনের সংঘর্ষ ঘটান বিজ্ঞানীরা। গত ১৮ মাস ধরে চলে সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই পরীক্ষা। গত ডিসেম্বরে একটি দুর্বল সংকেত পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। দুই প্রোটনের সংঘর্ষে সৃষ্ট অপরিচিত এক কণা তার অস্তিত্বের জানান দিয়ে মিলিয়ে যায়। প্রোটনের সংঘর্ষের পর সৃষ্ট কণার স্থায়িত্ব ছিল এক সেকেন্ডের এক লক্ষ ভাগের একভাগ সময়। বিজ্ঞানীরা তখনই একে ঈশ্বর কণা বলতে চাননি। আরও নিশ্চিত হতে পরীক্ষা চালিয়ে যান তারা। অবশেষে আজ জেনেভায় সার্নের সদর দফতর থেকে তারা পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেন। ভিডিও চিত্র প্রকাশ করে ঘোষিত হয় ঈশ্বর কণার অস্তিত্বের কথা। ঈশ্বর কণার অস্তিত্ব প্রমাণ হওয়ায় এবার পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেল বৈজ্ঞানিক প্রামাণিকতা পেল। অন্যভাবে বলতে গেলে, কণা পদার্থবিদ্যায় ‘ঈশ্বরের’ অস্তিত্বের প্রমাণ মিলল। যদিও তারপরেও, স্ট্যান্ডার্ড মডেল ব্রহ্মাণ্ড পরিচালনায় শেষ কথা বলবে না। কারণ, এই মডেল মহাকর্ষ বল বা কৃষ্ণ গহ্বরের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করতে পারে না।মানবজমিন
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV