‘নাফিসকাণ্ডের প্রভাব ভিসায় পড়বে না’ -ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কনস্যুলার বিভাগের প্রধান ব্রাইন জে ফস
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম- কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিসের ঘটনায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কনস্যুলার বিভাগের প্রধান ব্রাইন জে ফস বৃহস্পতিবার এক সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে মহাখালীর ব্রাক সেন্টারে ওই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন জে ফস।
তিনি বলেন, “নাফিসের ঘটনা একটা বিচ্ছিন্ন বিষয়। এই কারণে ভিসা নীতির কোনো পরিবর্তন করা হয়নি বা হবেও না। আমেরিকাতে এরকম আরো ঘটনা রয়েছে। কিন্তু সেসব কারণে নীতির পরিবর্তন করা হয় না।”
সম্প্রতি বাংলাদেশি নাগরিক নাফিস যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। তিনি শিক্ষার্থী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন।
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের আয়োজনে (আইবিএফবি) ‘কীভাবে আবেদন করতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সংগ্রহ করা যাবে’ শীর্ষক ওই সেমিনারে ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন ফস।
তিনি বলেন, আমেরিকা ভিসা দেয়ার বিষয়ে কোনো সঙ্কোচ বোধ করে না। তবে ভিসা প্রার্থীকে অবশ্যই আমেরিকা যাওয়ার যৌক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে।
“আমরা ভিসা প্রার্থীর প্রয়োজনটা বোঝার চেষ্টা করি। সেটা শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী সবার ক্ষেত্রেই সমান।”
ফস জানান, কোনো ব্যক্তি আমেরিকায় দুই বছরের জন্য ১০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করলে তাকে সপরিবারে দুই বছরের ভিসা দেয়া হয়।
দুই বছরে পরে বিনিয়োগকারী চাইলে বিনা শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব দেয়া হয়। গত বছর সারা বিশ্বের ৯৪০ জন বিনিয়োগকারী এরকম ভিসা নিয়েছে, এর মধ্যে ৭৭৮ জন চীনের নাগরিক।
এই তালিকায় বাংলাদেশেরও একজন রয়েছেন বলে দূতাবাসের কনস্যুলার বিভাগের প্রধান জানান।
সেমিনারে জানানো হয়, যদি কোনো ব্যবসায়ী দেখাতে পারেন যে যুক্তরাষ্ট্রে তার ব্যবসা বা ব্যবসায়িক অংশীদার রয়েছেন, তার জন্য ভিসা পাওয়া খুবই সহজ। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এসব ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের মাল্টিপল ভিসা পেয়ে থাকেন। আর ভারতের ব্যবসায়ীরা পান ১০ বছরের ভিসা।
তবে এই ভিসায় একটানা ছয় মাসের বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকা যায় না। অবশ্য অসুস্থতা বা ব্যবসায়িক জরুরি প্রয়োজনে এক বছরও থাকার সুযোগ রয়েছে বলে জানান ডেপুটি কনস্যুলার অগ্নিয়ানা ইভানোভা শ্রীরাম।
ভারতের ব্যবসায়ী কেন ১০ বছর আর বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা কেন ৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা পাচ্ছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে। ভারত নিশ্চয় বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে তাদের ব্যবসায়ীদের জন্য এই সুবিধা ১০ বছরের জন্য দরকার।
শ্রীরাম জানান, আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা, টুরিস্ট ভিসা, বিজনেস ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ও ইনভেস্টমেন্ট ভিসা দিয়ে থাকে। এছাড়া ডাইভারসিটি ভিসার মাধ্যমে অভিবাসীদেরও সুযোগ দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানের আয়োজক আইবিএফবির সভাপতি হাফিজুর রহমান খান বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়া আরো সহজ করার সুপারিশ করেন।
দূতাবাসে একটি আলাদা বিজনেস ভিসা ডেস্ক চালুর প্রস্তাব করেন হাফিজ। একইসঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিকদের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) পুনরায় চালুর সুপারিশও করেন তিনি।
২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের জন্য ডিভি বন্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes