নিউইয়র্ক সিটি মেয়র মামদানি প্রশাসনে প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদেই বহাল মীর বাশার
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্ক সিটি হলের গুরুত্বপূর্ণ প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদে বাংলাদেশী-আমেরিকান মীর বাশার (সোহেল)কে বহাল রেখেছেন নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি। বিদায়ী মেয়র এরিক অ্যাডামস সিটি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম কোনো বাংলাদেশী-আমেরিকানকে সিটি হলের গুরুত্বপূর্ণ এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।

২০২২ সালের ১৫ জুলাই বিদায়ী মেয়র এরিক অ্যাডামস তার সিটি হল নেতৃত্বদানকারী দলে মীর বাশার, ক্রিস্টাল প্রাইস ও আলেকজান্দ্রা সিলভারকে নিয়োগ দেন। মীর বাশার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন এবং সিটি হলের দৈনন্দিন অর্থ, বাজেট, চুক্তি এবং সাধারণ প্রশাসনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি আর্থিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার সময় প্রক্রিয়াগুলোকে স্ট্রিমলাইন করা এবং দক্ষতা খোঁজার জন্যও দায়ী।
এই দায়িত্ব পালনের আগে মীর বাশার ২০১৫ সালে বাজেট এবং আর্থিক পরিকল্পনার সিনিয়র ডিরেক্টর ছিলেন এবং সিটি হল এজেন্সি প্রধানদের তাদের দৃষ্টি ও লক্ষ্যপূরণের জন্য কৌশল তৈরি করতে সহায়তা করেছিলেন। নিউইয়র্ক সিটি সরকারে কাজ করার সময় মীর বাশার ২৫ বছর ধরে একজন পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, বাজেট ও প্রকিউরমেন্ট পেশাদার হিসেবে এক বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের নেতৃত্ব দেন।
মীর বাশার লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গ্রামের বাড়ি বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জ শহরে। প্রথমে নিউইয়র্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার পাশাপাশি জব করেন। অ্যাসোসিয়েট ডিগ্রি করেন কুইন্স কলেজ থেকে। পরে লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন।
মেয়র জুলিয়ানির আমলে মীর বাশার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে সিটি হলে যোগ দেন। বিদায়ী মেয়র এরিক অ্যাডামস তার কাজের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে তাকে পদোন্নতি দেন।
মীর বাশারের বাবা মীর আব্দুল লতিফ ছিলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রাক্তন কমিশনার। মা রোকেয়া বানু ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার। ছয় ভাইবোনের মধ্যে মীর বাশার চতুর্থ। ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার প্রতি তার অনুরাগ ছিল। হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন তিনি। শিক্ষার পাশাপাশি তিনি স্বপ্ন দেখতেন দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করার।
নব্বইয়ের দশকে বাবা মীর আব্দুল লতিফ ওপি-১ লটারি জেতার মাধ্যমে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।
২০০২ সালে বাংলাদেশে গিয়ে পারিবারিকভাবে সেলিনা সুলতানার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মীর বাশার। ২০০৪ সালে তার স্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। এই দম্পতির ১৮ বছর বয়সী এক কন্যা ও ১৪ বছর বয়সী এক পুত্র রয়েছে। বর্তমানে তারা ব্রঙ্কসের প্যালহাম এলাকার বাসিন্দা।
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের








