Sunday, 26 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে অ্যাসাল’র ১২ তম বার্ষিক কনভেনশন : ২০২০ সালের সেন্সাসে অংশ গ্রহণ সহ মার্কিন প্রেসিডেন্টশিয়াল নির্বাচনে ডেমক্র্যাট প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 91 বার

প্রকাশিত: December 17, 2019 | 10:42 AM

সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : ২০২০ সালের সেন্সাসে অংশ গ্রহণ সহ মার্কিন প্রেসিডেন্টশিয়াল নির্বাচনে ডেমক্র্যাট প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে অ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার-অ্যাসাল’র ১২ তম বার্ষিক কনভেনশন।

‘আওয়ার ইউনিটি, আওয়ার ভোট, ২০২০ প্রেসিডেন্টশিয়াল ইলেকশন’- এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর শনিবার সিটির ম্যানহাটানের টিমস্টারস লোকাল ২৩৭ (২১৬ ওয়েস্ট ১৪ স্টিট) এর প্রথম তলার বিশাল হল রুমে এ কনভেনশন আয়োজন করা হয়।

বর্ণাঢ্য আয়োজন আর উৎসবমুখর পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রে মূলধারায় দক্ষিণ এশিয়ার ৮ দেশীয় ইমিগ্র্যান্টদের একমাত্র সংগঠন অ্যাসালের এ ব্যতিক্রমী মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত রেকর্ড সংখ্যক জনপ্রতিনিধি সহ দক্ষিণ এশিয় ইমিগ্র্যান্টদের সরব উপস্থিতিতে বিশাল হল রুম সরগরম থাকে।

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় এ কনভেনশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট লেবার লিডার অ্যাসালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা মাফ মিসবাহ উদ্দিন। উদ্বোধনী ভাষণে মাফ মিসবাহ উদ্দিন অ্যাসালের প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, অ্যাসাল গ্লোবালী চিন্তা-চেতনায় তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করছে। অ্যাসালের প্ল্যাটফরম থেকে বাংলাদেশীসহ দক্ষিণ এশিয়ানদের তৃণমূল থেকে বিভিন্ন দাবি দাওয়া জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। ইমিগ্র্যান্টদের নানা ইস্যুগুলো জনপ্রতিনিধিদের ইস্যুতে পরিণত করে তা বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছে অ্যাসাল।

মূলধারার প্রখ্যাত লেবার লীডার মাফ মিসবাহ উদ্দিন বলেন, আজ স্বল্প আয়ের মানুষের সংবিধান প্রদত্ত নানা সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেয়ার চক্রান্ত চলছে। সে চক্রান্ত রুখে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে এ স্বল্প আয়ের অভিবাসীদের রক্ত-ঘামে আমেরিকার বিনির্মাণ হয়েছে। তিনি ইমিগ্র্যান্টদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশীয়দের অবস্থান আরো সুসংহত করতে অ্যাসাল দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অ্যাসালের ১২ তম বার্ষিক কনভেনশন কমিটির চেয়ার ও ইউটিসি এসোসিয়েটস এর সিইও ইঞ্জিনিয়ার আজিজ আহমেদ।

কনভেনশনে বিগত বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন অ্যাসালের ন্যাশনাল সেক্রেটারী এম করিম চৌধুরী। তিনি এসময় অ্যাসালের ন্যাশনাল কমিটিসহ বিভিন্ন চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন।

অনুষ্ঠানে কীনোট স্পীকার ছিলেন নিউইয়র্ক কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট ১৩ থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসম্যান অ্যাড্রিয়ানো এসপাইল্যাট।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক স্টেট কম্পট্রোলার থমাস দিনাপলি, নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিয়া তিশ জেমস, নিউইয়র্ক স্টেট সেনেট মেজরটিলি লিডার আন্দ্রেয়া স্টুয়ার্ট-ক্যাসিনস, নিউইয়র্ক কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট ৬ থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং, নিউইয়র্ক স্টেট সেনেট ডিস্ট্রিক্ট ২৩-এর সিনেটর ডায়ান জে সাভিনো, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১৯-এর সিনেটর রোকসান পারসৌড, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ১১-এর সিনেটর জন ল্যু, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্ট ৩১-এর সিনেটর রবার্ট জ্যাকসন, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৫১ থেকে নির্বাচিত অ্যাসেম্বলিম্যান সহকারী স্পিকার ফেলিক্স ডাব্লউ অর্টিজ, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৪-এর অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৯-এর অ্যাসেম্বলিওম্যানম এলিসা এল হান্ডম্যান, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৫৮-এর অ্যাসেম্বলিম্যান (ব্রুকলীন) এন নিক পেরি, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৯-এর অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যাটালিনা ক্রুজ, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭-(ব্রঙ্কস) এর অ্যাসেম্বলিওম্যান কারাইনস রেইস,

অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৮০-(ব্রঙ্কস) অ্যাসেম্বলিওম্যান (ব্রঙ্কস) নাথালিয়া ফার্নান্দেজ, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৭৫- ম্যানহাটান এর অ্যাসেম্বলিম্যান হার্ভে এপস্টেইন, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৪২- ব্রুকলিন এর অ্যাসেম্বলিওম্যান রডনেস বিখোত্তে, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৬- কুইন্স এর অ্যাসেম্বলিওম্যান আরাভেলা সিমোটাস, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট ৫- ম্যানহাটান এর কাউন্সিলম্যান বেঞ্জামিন কালোস, সিটি কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট ৭-ম্যানহাটান এর কাউন্সিলম্যান

মার্ক লেভাইন, কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট ৩৯- ব্রুকলিন এর কাউন্সিলম্যান ব্র্যাড ল্যান্ডার, কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট ৬- ম্যানহাটান এর কাউন্সিলওম্যান হেলেন রোজনথাল, কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট ৩৬-ব্রুকলিন এর কাউন্সিলম্যান রবার্ট ই কর্নেজি জুনিয়র, কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট ২৩-কুইন্স এর কাউন্সিলম্যান ব্যারি গ্রডেনচিক, কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট ২২-কুইন্স এর কাউন্সিলম্যান কোস্টা কনস্টান্টিনাইডস, কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট ৪৫ ব্রুকলিন-এর কাউন্সিলম্যান ফারাহ লুই প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিরা ছাড়াও অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন মূলধারা ও অ্যাসাল’র বিভিন্ন চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাবৃন্দ।

কনভেনশনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেমিনার ও প্যানেল ভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেলিস্টরা বিষয় ভিত্তিক আলোচনা শেষে তাদের সুপারিশনামা পেশ করেন।

এর মধ্যে ‘সাউথ এশিয়ান উইম্যান-রেডি টু লীড’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন জর্জিয়া স্টেট কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে ডেমোক্রেট প্রার্থী নাবিলা ইসলাম, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৮-কুইন্স থেকে অ্যাসেম্বলিওম্যান প্রার্থী জেনিফার রাজকুমার, ইএসকিউ, কিউনি স্কুল অব ল ও ব্রুকলীন ইয়াং ডেমোক্রেট এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনা দাস এবং নিউইয়র্ক কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট ১৪ থেকে ডেমোক্রেট প্রার্থী বদরুন খান। এ প্যানেলে মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসাল উইম্যান’স কমিটির চেয়ার শাহানা বেগম, অ্যাসাল কুইন্স চ্যাপ্টার উইম্যান’স কমিটির চেয়ার আদনান ইসলাম এবং অ্যাসাল কুইন্স চ্যাপ্টার কমিটির পলিটিক্যাল একশান ডাইরেক্টর সুলতানা খানম।

দক্ষিণ এশীয় আমেরিকান নারীদের নেতৃত্ব গ্রহণে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তা চিহ্নিত করে এর থেকে উত্তরণের পরামর্শও তুলে ধরা হয় এ প্যানেল থেকে। দক্ষিণ এশীয় নারীদের নেতৃত্ব গ্রহণে সম্ভাব্য সকল প্রস্তুতি নিয়ে এগুনোর পরামর্শ তাদের।

‘সাউথ এশিয়ান ইন আমেরিকা – চুজিং আওয়ার কেন্ডিডেইটস’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ডাউনস্টেট রিজিওনাল অ্যাফিয়ারস নিউইয়র্ক অফিসের ডাইরেক্টর হ্যারিস কে পারেখ ইএসকিউ, অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৪-কুইন্স’র অ্যাসেম্বলিম্যান প্রার্থী জয় চৌধুরী এবং অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৪-কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট লীডার জন আলবার্ট। মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসাল মিশিগান চ্যাপ্টার প্রেসিডেন্ট মো. রাব্বি আলম ও মেরিল্যান্ড স্টেটের সাবেক সাউথ এশিয়ান অ্যাফিয়ারস কমিশনার আনিস আহমেদ।

প্যানেল আলোচকরা আমেরিকার বিভিন্ন নির্বাচনে সাউথ এশিয়ানদের প্রার্থী বাছাই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে নিজেদের পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা নির্বাচনে দক্ষিণ এশিয়ান প্রার্থীদের বিজয় অর্জনের কর্মকৌশল তুলে ধরে বলেন, যে কোন নির্বাচনে সঠিক প্রার্থী বাচাই করে তাদের বিজয়ী করার মাধ্যমে ইমিগ্যান্টদের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

কনভেনশনে মূলধারার রাজনীতিকরা অংশ নিয়ে অ্যাসালের বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রশংসা করে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ানরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আগামীতে তারাই আমেরিকার অর্থনীতি ও রাজনীতিতে নিয়ামক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হবেন। অনেক কিছুই নির্ভর করবে তাদের সমর্থনের ওপর। মুসলিম এবং ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটিকে আশ্বস্ত করে তারা সবসময় ইমিগ্র্যান্টদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

মূলধারার রাজনীতিকরা বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার ঘটনাটি ছিল আমেরিকার জন্যে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয়। তারা তার ইম্পিচমেন্টের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ট্রাম্প রাজা নন, যা খুশি করার বা নিজের রাজনৈতিক সুবিধার জন্য হোয়াইট হাউসকে ব্যবহার করতে তিনি পারেন না। ট্রাম্প ব্যক্তিগত কাজে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এ পদক্ষেপ তাঁকে অভিশংসনযোগ্য করে তুলেছে। ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে ট্রাম্পের অভিশংসনে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ বছরের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইম্পিচমেন্ট প্রশ্নে কংগ্রেসে ভোট গৃহীত হবে।

তারা বলেন, ২০২০ সালের নির্বাচনে আমেরিকার নীতি-নৈতিকতাকে সমুন্নত রাখা সহ ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটির অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতে হবে। আগামী প্রেসিডেন্টশিয়াল নির্বাচনে ডেমক্র্যাট প্রার্থীকে বিজয়ী করার মাধ্যমে শাসনতন্ত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার সহ ইমিগ্যান্টদের অধিকার সুসংহত করতে হবে। আমেরিকার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা, ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটির অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মূলধারায় আরো জোরালো অবস্থানে নিতে হবে এশিয়ানদের। কোন মানুষই যাতে বৈষম্যের শিকার না হন সে বিষয়েও সোচ্চার হতে হবে সকলকে। এজন্যে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

তারা বলেন, বাংলাদেশীসহ সাউথ এশিয়ানরা যাতে সংবিধান প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে সক্ষম হন সে লক্ষে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণেও উদ্যোমী হতে হবে। তারা সেন্সাসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ২০২০ সালের সেন্সাসে অংশ গ্রহণ সহ সিটিজেনশিপ নেয়া সকলকে ভোটার হতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেমক্রেট প্রাথীর বিজয়ে কাজ করতে হবে।
কনভেনশনে বক্তারা দেশব্যাপি অ্যাসালের বিভিন্ন কর্মকান্ড সহ বিভিন্ন নির্বাচনে অ্যাসালের অসাধারণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে দক্ষিণ এশিয়ানদের স্বার্থে অ্যাসাল-এর উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সকলকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশিয় কমিউনিটির অবস্থান আরও সুসংহত করতে অ্যাসাল’র নিরন্তর পথ চলার আশাবাদ ব্যক্ত করে তারা আরো বলেন, বিভিন্ন নির্বাচিত প্রতিনিধি-প্রশাসনের সাথে দূরত্ব থাকায় অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন ইমিগ্র্যান্টরা। বাংলাদেশীসহ সাউথ এশিয়ানদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা আদায় সহ সকল প্রতিকুলতা অবসানে কাজ করছে অ্যাসাল।
বক্তারা ইমিগ্রেশন ইস্যুসহ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গৃহীত নানা প্রদক্ষেপকে আমেরিকার মূল্যবোধ ও মানবাধিকার পরিপন্থী উল্লেখ করে বলেন, হিংসা, জাতি, বর্ণ ও ধর্মে বিভক্তির বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ট্রাম্প প্রশাসনকে অভিবাসী বিরোধী কোন কিছু করতে দেয়া হবে না। অভিবাসীদের স্বার্থ বিরোধী কর্মকান্ড রুখে দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে অ্যাসাল’র প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ বলেন, আমেরিকায় দক্ষিণ এশিয়ান শ্রমিকসহ ইমিগ্র্যান্টদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১২ বছর ধরে নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত অ্যাসাল। তিনি মূলধারায় অ্যাসালের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আমাদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। সংগঠক এবং কর্মীদের এসব বিষয়ে আরো বেশি দায়িত্ববান হতে হবে। শুধু নিজেদের মধ্যে আবদ্ধ থাকলে চলবে না। নিজেদের অধিকার আদায়ে আরো বেশী সক্রিয় হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি বলেন, বিগত নির্বাচনে বিভিন্ন স্টেট, সিটি এবং কাউন্টিতে ডেমক্র্যাটদের বিজয়ী করতে অ্যাসাল বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন নির্বাচনে অ্যাসাল সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হযয়েছেন। মাফ মিসবাহ বলেন, আগামী ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমক্র্যাট প্রার্থীকে বিপুল বিজয়ের জন্য কাজ করে যাবে অ্যাসাল। মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশিয় কমিউনিটির অবস্থান আরও সুসংহত করতে জোরালো ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। তিনি অ্যাসালের ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য নের্তৃবৃন্দের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে ‘পাবলিক স্কয়ার : স্পিক ইউর মাইন্ড- ফিল ফ্রি টু ক্রিটিক অ্যাসাল’ এর মডারেটরের দায়িত্বে ছিলেন ব্রঙ্কস চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ তাহমিদুল হক।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অ্যাসালের ন্যাশনাল করেসপন্ডিং সেক্রেটারী জেড মাতালন। কনভেনশনের শুরুতে শপথ বাক্য পাঠ করান অ্যাসাল স্ট্যাটেন আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের ইউথ কমিটির মানহা মেহজাবিন। রেজিস্ট্রেশানের দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসাল’র অ্যাসোসিয়েট ন্যাশনাল পলিটিক্যাল ডিরেক্টর জামিলা এ উদ্দিন, চ্যাপ্টারস আন্ডার ক্রেডেনশিয়ালস কমিটির চেয়ার ও ব্রুকলীন চ্যাপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তাক আলী। অন্যান্য দায়িত্বে ছিলেন অ্যাসাল এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
১২ তম বার্ষিক কনভেনশন উপলক্ষে অ্যাসাল ‘আওয়ার ইউনিটি, আওয়ার ভোট, ২০২০ প্রেসিডেন্টশিয়াল ইলেকশন’ শিরোণামে তথ্য সমৃদ্ধ একটি বিশেষ জার্নাল প্রকাশ করে।
কনভেনশনে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রে নানা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্টেট ও সিটি গভর্ণমেন্ট এবং অ্যাসাল-এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন গুনী জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা তুলে দেন অ্যাসালের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিন। এসময় অ্যাসালের ন্যাশনাল কমিটির সেক্রেটারী করিম চৌধুরী সহ অ্যাসাল এর বিভিন্ন চ্যাপ্টারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্টেট ও সিটি গভর্ণমেন্টের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও মূলধারাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের স্বীকৃতি স্বরূপ অ্যাসালকে প্রক্লেমেশন ও সাইটেশন প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতিক, কংগ্রেসম্যান, নিউইয়র্ক স্টেট ও সিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধি, কর্মকর্তা, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কমিউনিটি লিডার, সাংবাদিক, অ্যাসাল’র সদস্য সহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী অংশ নেন।

https://www.youtube.com/watch?v=Xwgyjc_IktQ
https://www.youtube.com/watch?v=O7XUP0m2Nw4
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV