নিউইয়র্কে জনপ্রিয় শিল্পী লেমন চৌধুরীর একক সঙ্গীতানুষ্ঠান, বিমোহিত দর্শক-শ্রোতা (ভিডিও সহ)
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/371279724585581
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/675189807015072
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/781770526039661
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/340284637870010
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম :: উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী লেমন চৌধুরীর একক সঙ্গীতানুষ্ঠান গত ৬ মার্চ রোববার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউইয়র্কের নানা শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ যোগ দেন গুণী এই শিল্পীর একক সন্ধ্যায়। শো টাইম মিউজিক আয়োজিত শিল্পী লেমন চৌধুরীর অনন্য পরিবেশনা উপভোগ করেন এ সকল প্রবাসী। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম’র।

এদিন সন্ধার পর পরই উডসাইডের কুইন্স প্যালেসের অডিটরিয়াম কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে আয়োজক শো টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলম বলেন, নিউইয়র্কের শিল্পীদের মূল্যায়নের অংশ হিসেবে একক সঙ্গীতানুষ্ঠানের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় শিল্পী লেমন চৌধুরীর এ সঙ্গীতানুষ্ঠান। সকলের সহযোগিতায় এ আয়োজন অব্যাহত রাখতে চাই।

হলভর্তি দর্শক শ্রোতার করতালিতে স্টেজে ওঠেন শিল্পী লেমন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, গান আমার ভালোবাসা। আপনাদের সানুগ্রহ উপস্থিতি আমাকে মুগ্ধ করেছে। আপনাদের অকৃত্তিম ভালবাসায় আমি সিক্ত।

এরপর লেমন চৌধুরী শুরু করেন তাঁর অনবদ্য পরিবেশনা। দেশাত্মবোধক, রবীন্দ্র, নজরুল, আধুনিক গানের সুরের মুর্ছনায় বিমোহিত হন দর্শক শ্রোতা। শিল্পী লেমন চৌধুরী ডুয়েট সহ একে একে গাইলেন ২০ টি গান। নিজের পছন্দের গান ছাড়াও ছিল দর্শকদের অনুরোধ। তার দরাজ কণ্ঠে সব গানই ছিল বেশ উপভোগ্য। ডুয়েটে ছিলেন শিল্পী জাহিদা আলম ও সহধর্মিনী শিল্পী ফারহানা তুলি। সবমিলিয়ে সংস্কৃতমনা নিউইয়র্কবাসী এদিন উপভোগ করলেন এক অসাধারণ সঙ্গীত সন্ধ্যা।

উপস্থিত দর্শকদের ভালোবাসায় সিক্ত হন শিল্পী লেমন চৌধুরী। এসময় অনেকেই তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। মুহুর্মমূহ করতালিতে শিল্পী লেমন চৌধুরীর প্রতি প্রকাশ করেন তাদের অকৃত্তিম ভালবাসা। জানান শুভ কামনা। বলেন, সুস্থ্য ধারার বিনোদন উপহার দিয়ে চলেছেন লেমন চৌধুরী। উত্তর আমেরিকায় বাংলা সংস্কৃতির বিকাশে তার অবদান উল্লেখ করার মত। ভালো গান উপহার দিয়ে চলেছেন তিনি। প্রবাসে সঙ্গীত শিক্ষক হিসেবেও অবদান রেখে চলেছেন শিল্পী লেমন চৌধুরী।

জাহিদা আলম ও সাদিয়া খন্দকারের উপস্থাপনায় শিল্পী, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ জড়ো হন এ অনুষ্ঠানে। ছিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় ও শহীদ হাসান, জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী রিজিয়া পারভীন, শাহ মাহবুব, রানো নেওয়াজ, শামীম সিদ্দিকী ও চন্দন চৌধুরী, ব্যবসায়ী নেতা শাহ নেওয়াজ, কমিউনিটি লিডার নাসির আলী খান পল, নারী নেত্রী নার্গিস আহমেদ, ডা. চৌধুরী সারোয়ার হাসান, ডা. বর্ণালী হাসান, ডা. নার্গিস রহমান, আবির আলমগীর, আহসান হাবিব, নুরুল আজিম প্রমুখ। সবশেষে নৈশ ভোজের মাধ্যমে শেষ হয় এই বর্ণিল আয়োজন।

শিল্পী লেমন চৌধুরীর জন্ম দিনাজপুর জেলায়। মাত্র ৯ বছর বয়েসে তাঁর নিজ স্কুলের একটি অনুষ্ঠানে গান গেয়ে শিল্পী হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেন। ১৯৮৯ সালে ভর্তি হন দিনাজপুর মিউজিক কলেজে। সেখানে দু’বছরের সঙ্গীত কোর্স শেষ করে ১৯৯১ সালে ঢাকা মিউজিক কলেজ থেকে সঙ্গীতের ওপর ২ বছরের ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন। শিল্পী লেমন চৌধুরী ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে এবং এর আগে বাংলাদেশ বেতারে শিল্পী হিসেবে তালিকাভূক্ত হন। নিউইয়র্কের এই জনপ্রিয় শিল্পী সঙ্গীত জীবনে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সার্ক সম্মেলনকালীন নজরুল সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় পদক লাভ করেন। নজরুল সঙ্গীতে জাতীয় শিশু পুরষ্কার প্রতিযোগীতায় বিভাগীয় পর্যায়েও পদক লাভ করেন। এছাড়া নিউইয়র্কে কুমিল্লা সোসাইটি ২০১০ সালে তাকে সেরা সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে স্বর্ণ পদক সম্মাননা প্রদান করেন। ভূষিত হন ঢালিউড সহ আরও অনেক সম্মাননায়।
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের








