Thursday, 12 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে ফাহিম হত্যার ঘটনায় একজন আটক, রবিবার দাফন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 177 বার

প্রকাশিত: July 17, 2020 | 11:21 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ (৩৩) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে নিউইয়র্কের পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ওই ব্যক্তিকে আটক করে মানসিক হাসপাতালে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সিটি থেকে গ্রেফতারের পর ওই ব্যক্তিটি এমন আচরণ করে যে, যেন সে মানসিকভাবে অসুস্থ। তবে আটক ব্যক্তিকে এখনো গ্রেপ্তার দেখানো হয়নিবলে জানা গেছে। তবে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুলিশ হেফাজতে আনা হবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এদিকে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিটি ফাহিমের ব্যবসায়ীক পার্টনার ছিলেন বলে এবিসি নিউজের বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তকারিদের পক্ষ থেকে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিটির নাম, বয়স এবং বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করা হয়েছে তদন্তের স্বার্থে। তদন্তকারী দলগুলো এর আগে জানিয়েছিল, পেশাদার খুনির হাতেই খুন হয়েছেন ফাহিম সালেহ। নিউইয়র্কে ফাহিম সালেহর মরদেহের পরীক্ষক জানিয়েছেন, ঘাড়ে ও কাধে একাধিক ছুরিকাঘাতের মাধ্যমে ফাহিমকে হত্যা করা হয়।
এখন পর্যন্ত ধারণা করা হচ্ছে, খুনি কালো পোশাক ও কালো মাস্ক পরে ছিলেন। তিনি ফাহিম সালেহর সঙ্গেই লিফটে ওঠেন এবং তার অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করেন। তাকে আগে থেকেই ফলো করা হচ্ছিল বলে মনে করছে নিউইয়র্ক পুলিশ। নিউইয়র্ক পুলিশের তদন্তকারীরা ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টে তল্লাশি চালিয়ে আলামত সংগ্রহ করে নানান তথ্য দিচ্ছেন।আশপাশের রাস্তা ও ভবনে যতো সিসি ক্যামেরা আছে, সেগুলোর ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও এনওয়াইপিডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আর তদন্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য, ফাহিমকে হত্যার পর টুকরো টুকরো করে মরদেহ সুটকেসে ভরে গুম করে ফেলার পরিকল্পনা ছিল খুনির। তবে খুনির কাজ শেষ হওয়ার আগেই ওই অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশের জন্য কেউ কলিং বেল বাজান। এতেই খুনি সবকিছু ফেলে ভবনের পেছনের দরজা ও সিঁড়ি ব্যবহার করে পালিয়ে যান। ফাহিমের পালিত কুকুর ছিল এপার্টমেন্টে। তবে তাকে আলাদা রুমে আটক করা অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানায়।সালেহর কাজিন প্রথম তার মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশকে জানান। আপাতত ব্যবসায়িক কারণেই হত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে নাইজেরিয়ার শত্রুদের সন্দেহ করা হচ্ছে। মৃত্যুর আগে ফাহিমের বিরুদ্ধে নিউ জার্সির এক কারাকর্মীর করা মামলা চলমান ছিল।হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নিয়োজিত এনওয়াইপিডির হোমিসাইড বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ফাহিমের হত্যাকারীর মোটিভ আর্থিক প্রকৃতির বলে দৃশ্যমান হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, কোনও খারাপ বাণিজ্যিক চুক্তির ফলে এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে।

ফাহিমের বাবা সালেহ আহমেদ নিউইয়র্কের পকিস্পী থেকে সিটির ব্রঙ্কসে এসেছেন স্ত্রীসহ। ছোট ভাইয়ের এই দু:সংবাদ জেনে ফাহিমের বড়বোন এঞ্জেলা দুবাই থেকে ছুটে এসেছেন। তদন্ত প্রক্রিয়ায় বিস্তারিত সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন ছোট বোন রিফায়েত রিপি।

এ নিয়ে ১৬ জুলাই একটি বিবৃতি দিয়েছে সালেহর পরিবার। এতে তারা হত্যাকারীকে পিশাচ আখ্যা দেন। তারা তাদের শোকের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য সবার থেকে একাকিত্ব কামনা করেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে ১৬ জুলাই গণমাধ্যমে প্রদত্ত এ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ঘাতক গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পেলেই ফাহিমের আত্মা শান্তি পাবে এবং আমরাও স্বস্তি পাবো।’ ‘আমরা প্রয়োজনবোধ করছি এবং এনওয়াইপিডিসহ অন্যান্য সংস্থার প্রতি আহবান রাখছি, যেন খুব দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ উদঘাটিত হয়। নৃশংসভাবে ফাহিমকে হত্যার সাথে জড়িতরা বিচারে সোপর্দ হয়’-উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। 

আরো বলা হয়েছে, ফাহিম সম্পর্কে গণমাধ্যমে যা বলা হচ্ছে, তার চেয়ে অনেক বেশী গুণে গুনান্বিত ছিলেন তিনি। কারণ, নিজের চেয়ে অন্যের কল্যাণের কথাই বেশী ভাবতেন। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে যাবার পর ফাহিমের সাথে পরিবারের সদস্যদের বাক-বিতণ্ডা হয় মামুলি একটি ইস্যুতে। মা-বাবা বলেছিলেন যে, বাংলাদেশের আবহাওয়া এতটাই গরম এবং সামাজিক পরিবেশ এতটাই জটিল যে, ফাহিম হয়তো তার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে না। এমন কথার প্রতিবাদ জানিয়ে ফাহিম বলেছিলেন, ‘শুধু শুধু তোমরা নিজের দেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করছো। আমার কিন্তু সবকিছুই ভালো লাগে। কারণ, আমি চাই বাংলাদেশের উদ্যমী যুবসমাজকে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে।’ পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফাহিমের লাশ শনিবারের মধ্যে পাওয়া গেলে রবিবার নিউইয়র্কের পকিস্পীতে মুসলিম কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV