নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট নিয়ে রাজনৈতিক দৌড়ঝাঁপ
কাজী সোহাগ: কারিগরি দিক দিয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশন। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি ক্যাটিগরি-২ হিসাবে চিহ্নিত। বারবার তাগাদা দেয়া সত্ত্বেও ক্যাটিগরি ১-এ উন্নীত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অথচ এর আগেই ঢাকা-নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আগামী মাসের ২৫ তারিখে ওই ফ্লাইট চালুর সম্ভাব্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের এই উদ্যোগে এরই মধ্যে বেঁকে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র। মানদণ্ডের দিক দিয়ে সিভিল এভিয়েশন যোগ্য না হওয়ায় তারা ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে নামতে দেবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এ আপত্তির কারণে সিভিল এভিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি কারিগরি টিম পাঠানো হয়। তবে তাদের বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্রের সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তারা। এতে বিপাকে পড়ে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। কারিগরি দিক দিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় এবার রাজনৈতিক দৌড়ঝাঁপ শুরু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতি নিয়েই এ উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এরই অংশ হিসেবে গতকাল ঢাকা ছেড়েছে সরকারের শক্তিশালী একটি প্রতিনিধি দল। বিমানমন্ত্রী জিএম কাদেরের নেতৃত্বে ওই দলে রয়েছেন, সাবেক বিমান মন্ত্রী ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও এ কমিটির সদস্য মইন উদ্দীন খান বাদল, মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান। যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেই তারা বৈঠক করবেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফেডারেল এভিয়েশন এডমিনিস্ট্রেশন (ফা)-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে। এর আগে ফা-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সফর শেষে ঢাকা-ম্যানচেস্টার-নিউ ইয়র্ক ফ্লাইট নিয়ে আপত্তি তোলে। বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশনের পক্ষ থেকে তাদের আপত্তির বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরা হলেও ফা-এর পক্ষ থেকে অনমনীয় মনোভাব জানানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিনিধি দলের সদস্য মইন উদ্দীন খান বাদল বলেন, ক্যাটিগরি ১-এ উন্নীত হওয়ার আগেই যেন এ ফ্লাইট চালু করা যায় সে লক্ষ্যে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাবো। ইতিমধ্যে সেখানে একটি কারিগরি দল সফরে আছে। আমাদের উদ্দেশ্য হবে কারিগরি নয়, রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত আদায় করা। সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিমানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি আমরা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো। এক কথায় তাদের সবার সহযোগিতা চাওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রতিনিধি দল এবারের সফরে ব্যর্থ হলে ওই ফ্লাইট চালু করতে আরও সময় লাগবে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় হবে। এদিকে সিভিল এভিয়েশনের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে ক্যাটিগরি ১-এ পৌঁছতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ চলছে। তবে শর্ত অনুযায়ী এখনও অনেক কাজ শুরুই করা হয়নি। এরই মধ্যে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের আগে এসব কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না। এদিকে আগামী মাসেই বিমান বহরে যোগ হতে যাচ্ছে অত্যন্ত ব্যয়বহুল নতুন প্রজন্মের দু’টি উড়োজাহাজ ৭৭৭-৩০০ ই আর। ওই দু’টি বিমান কিনতে বাংলাদেশের ব্যয় হবে ৩০৯ মিলিয়ন ডলার। এরই মধ্যে বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে সরকার ১১৩ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। এ অবস্থায় উড়োজাহাজ দু’টিকে বসিয়ে রাখলে বিপুল পরিমাণ অর্থের অপচয় হবে। মানবজমিন
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








