Friday, 13 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিল আর্মস্ট্রং আর নেই

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 76 বার

প্রকাশিত: August 26, 2012 | 1:48 AM

অনলাইন ডেস্ক  : যাঁর পা চাঁদের মাটি স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে মানবজাতি পৌঁছে গিয়েছিল অনন্য উচ্চতায়, মেতেছিল চন্দ্রজয়ের অপার আনন্দে, সেই নিল আর্মস্ট্রং আর নেই। ৮২ বছর বয়সে গতকাল শনিবার তিনি পৃথিবীর মায়া ছেড়ে পাড়ি দিয়েছেন অজানা গন্তব্যে। আর্মস্ট্রংয়ের পরিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হূিপণ্ডের চারটি ধমনিতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ৭ আগস্ট নিল তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়। সেখান থেকে সৃষ্ট জটিলতায় আর্মস্ট্রংয়ের মৃত্যু হয়। তবে তিনি কোথায় মারা গেছেন, ওই বিবৃতিতে তা উল্লেখ করা হয়নি। বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, আর্মস্ট্রংয়ের মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আর্মস্ট্রং কেবল তাঁর সময়েরই নয়, বরং সর্বকালের সেরা মার্কিন মহানায়ক।’ নিল আর্মস্ট্রংয়ের নেতৃত্বে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মর্ত্যের মানুষ প্রথমবারের মতো চাঁদের মাটি স্পর্শ করে। তিনি ছিলেন অ্যাপোলো ১১ নভোযানের কমান্ডার। সেদিন বিশ্বের ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ টেলিভিশনে দেখেছিল সেই দৃশ্য। চাঁদের মাটি স্পর্শ করে আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘এটা মানুষের জন্য ছোট্ট পদক্ষেপ, তবে মানবজাতির জন্য বড় অগ্রগতি।’ চাঁদের সৌন্দর্যে মুগ্ধ আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, সেই দৃশ্যগুলো এক কথায় অসাধারণ। কোনো দৃশ্যপটেই তা প্রকাশ করা যাবে না। আর্মস্ট্রং যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওতে ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ছয় বছর বয়সেই বাবার সঙ্গে বিমানে চড়েন তিনি। সেই থেকে ওড়ার নেশা তাঁকে পেয়ে বসে। পঞ্চাশের দশকে কোরিয়া যুদ্ধের সময় তিনি নেভির জঙ্গি বিমান চালাতেন। তিনি ১৯৬২ সালে মার্কিন মহাকাশ কর্মসূচিতে যোগ দেন। অ্যাপোলো ১১ ছিল আর্মস্ট্রংয়ের শেষ মহাকাশ অভিযান। ১৯৭১ সালে তিনি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) ছেড়ে যান। পরবর্তী সময়ে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। ভবিষ্যতের নভোচারীদের তিনি এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং (বিমান ও নভোযান প্রকৌশল) বিষয়ে পড়াতেন। একজন নভোচারী হিসেবে আর্মস্ট্রং সব সময়ই নিভৃতে থাকতে পছন্দ করতেন। তবে মার্কিন সরকার তাঁকে যোগ্য সম্মান দিতে কার্পণ্য করেনি। গত বছরের নভেম্বরে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেলে ভূষিত করা হয়। আর্মস্ট্রংয়ের বিদায়ে শোক প্রকাশ করেছেন সেদিনের সেই অভিযানে তাঁর সহযাত্রী নভোচারী এডউইন অলড্রিন। তিনি বিবিসির নিউজআওয়ার অনুষ্ঠানে বলেন, ‘চাঁদে অভিযানের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে আমরা একসঙ্গে থাকতে পারব না, এটা খুবই দুঃখের বিষয়।’প্রথম আলো

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV