Saturday, 24 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

নিল আর্মস্ট্রং আর নেই

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 108 বার

প্রকাশিত: August 26, 2012 | 1:48 AM

অনলাইন ডেস্ক  : যাঁর পা চাঁদের মাটি স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে মানবজাতি পৌঁছে গিয়েছিল অনন্য উচ্চতায়, মেতেছিল চন্দ্রজয়ের অপার আনন্দে, সেই নিল আর্মস্ট্রং আর নেই। ৮২ বছর বয়সে গতকাল শনিবার তিনি পৃথিবীর মায়া ছেড়ে পাড়ি দিয়েছেন অজানা গন্তব্যে। আর্মস্ট্রংয়ের পরিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হূিপণ্ডের চারটি ধমনিতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে ৭ আগস্ট নিল তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়। সেখান থেকে সৃষ্ট জটিলতায় আর্মস্ট্রংয়ের মৃত্যু হয়। তবে তিনি কোথায় মারা গেছেন, ওই বিবৃতিতে তা উল্লেখ করা হয়নি। বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, আর্মস্ট্রংয়ের মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আর্মস্ট্রং কেবল তাঁর সময়েরই নয়, বরং সর্বকালের সেরা মার্কিন মহানায়ক।’ নিল আর্মস্ট্রংয়ের নেতৃত্বে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মর্ত্যের মানুষ প্রথমবারের মতো চাঁদের মাটি স্পর্শ করে। তিনি ছিলেন অ্যাপোলো ১১ নভোযানের কমান্ডার। সেদিন বিশ্বের ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ টেলিভিশনে দেখেছিল সেই দৃশ্য। চাঁদের মাটি স্পর্শ করে আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘এটা মানুষের জন্য ছোট্ট পদক্ষেপ, তবে মানবজাতির জন্য বড় অগ্রগতি।’ চাঁদের সৌন্দর্যে মুগ্ধ আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, সেই দৃশ্যগুলো এক কথায় অসাধারণ। কোনো দৃশ্যপটেই তা প্রকাশ করা যাবে না। আর্মস্ট্রং যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওতে ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ছয় বছর বয়সেই বাবার সঙ্গে বিমানে চড়েন তিনি। সেই থেকে ওড়ার নেশা তাঁকে পেয়ে বসে। পঞ্চাশের দশকে কোরিয়া যুদ্ধের সময় তিনি নেভির জঙ্গি বিমান চালাতেন। তিনি ১৯৬২ সালে মার্কিন মহাকাশ কর্মসূচিতে যোগ দেন। অ্যাপোলো ১১ ছিল আর্মস্ট্রংয়ের শেষ মহাকাশ অভিযান। ১৯৭১ সালে তিনি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) ছেড়ে যান। পরবর্তী সময়ে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। ভবিষ্যতের নভোচারীদের তিনি এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং (বিমান ও নভোযান প্রকৌশল) বিষয়ে পড়াতেন। একজন নভোচারী হিসেবে আর্মস্ট্রং সব সময়ই নিভৃতে থাকতে পছন্দ করতেন। তবে মার্কিন সরকার তাঁকে যোগ্য সম্মান দিতে কার্পণ্য করেনি। গত বছরের নভেম্বরে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেলে ভূষিত করা হয়। আর্মস্ট্রংয়ের বিদায়ে শোক প্রকাশ করেছেন সেদিনের সেই অভিযানে তাঁর সহযাত্রী নভোচারী এডউইন অলড্রিন। তিনি বিবিসির নিউজআওয়ার অনুষ্ঠানে বলেন, ‘চাঁদে অভিযানের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে আমরা একসঙ্গে থাকতে পারব না, এটা খুবই দুঃখের বিষয়।’প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ