Monday, 9 March 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

পুত্র নিনিত পিতার কোন স্মৃতি না নিয়েই বড় হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 129 বার

প্রকাশিত: July 21, 2012 | 3:51 AM

ছয় সন্তানের মধ্যে সবার ছোট নিনিতকে বাবার কোন স্মৃতি না নিয়েই বড় হতে হবে- এমন একটি আশঙ্কা জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মধ্যে কাজ করছিল জীবনের শেষ দিনগুলোতে। আগামী ৭ই সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় জন্মবার্ষিকীতে বাবাকে পাশে পাবে না নিনিত। সব মায়া কাটিয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তবে নিনিত যাতে বাবার স্মৃতি খুঁজে নিতে পারে, শেষ দিনগুলোতে সে চেষ্টা করে গেছেন হুমায়ূন। ২০১১ সালের বইমেলায় প্রকাশিত ‘বাদশাহ নামদার’ বইটি তিনি উৎসর্গ করে গেছেন কনিষ্ঠ সন্তানকেই। বইটির উৎসর্গপত্রে হুমায়ূন লিখেছেন, “আমার কেবলই মনে হচ্ছে, পুত্র নিনিত পিতার কোন স্মৃতি না নিয়েই বড় হবে। সে যেন আমাকে মনে রাখে এজন্য নানান কর্মকাণ্ড করছি। আমি ছবি তুলতে পছন্দ করি না। এখন সুযোগ পেলেই নিনিতকে কোলে নিয়ে ছবি তুলি। এ বইয়ের উৎসর্গপত্রও স্মৃতি মনে রাখা প্রকল্পের অংশ।” বাদশাহ নামদার বইটির প্রধান চরিত্র দিল্লির সম্রাট হুমায়ূন। ভূমিকায় এ বই লেখার কারণ সম্পর্কে পাঠককে খানিকটা আভাস দিয়েছেন লেখক হুমায়ূন। তিনি লিখেছেন, “আমার নিজের নাম হুমায়ূন হওয়ায় ক্লাস সিক্স সেভেনে আমার মধ্যে শুধুমাত্র নামের কারণে এক ধরনের হীনমন্যতা তৈরি হয়। সেই সময়ের পাঠ্য তালিকায় মোঘল ইতিহাস খানিকটা ছিল, তাতে ছিল শের শাহের হাতে হুমায়ূনের একের পর এক পরাজয়ের কাহিনী। হুমায়ূনের পরাজয়ের দায়ভার খানিকটা আমাকেও নিতে হয়েছিল। “ক্লাসে আমাকে ডাকা হতো হারু হুমায়ূন। কারণ আমি শুধু হারি… মহান সম্রাট শের শাহের হাতে- যিনি ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন, গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড বানান। আমি শুধু পালিয়ে বেড়াই। হায়রে শৈশব।” একুশে পদকজয়ী এই ঔপন্যাসিক ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য গত বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রে যান। মাঝখানে কিছুদিনের জন্য দেশে এলেও এ বছরের শুরুতে আবার নিউ ইয়র্কে ফেরেন অস্ত্রোপচারের জন্য। বৃহস্পতিবার রাতে ম্যানহাটনের বেলভ্যু হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হুমায়ূন প্রথম বিয়ে করেন ১৯৭৩ সালে গুলতেকিনকে। তাদের চার সন্তান হলেন নোভা, শীলা, বিপাশা ও নুহাশ। ২০০৫ সালে গুলতেকিনের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর বিয়ে করেন শাওনকে। এই দম্পতিরই দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিত। সূত্র : বিডিনিউজ
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV