Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

পেন্টাগন এবং ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল ভবনে হামলা পরিকল্পনার অভিযোগ : যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবকের ১৭ বছর কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 151 বার

প্রকাশিত: November 3, 2012 | 12:58 AM

রেজওয়ান ফেরদৌস

 

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দপ্তর পেন্টাগন এবং ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল ভবনে সন্ত্রাসী হামলা পরিকল্পনার অভিযোগে রেজওয়ান ফেরদৌস নামের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক মার্কিন নাগরিককে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বোস্টনের একটি আদালত গত বৃহস্পতিবার তাঁকে এ কারাদণ্ড দেন। গত জুলাইতে দুটি ঘটনার দোষ স্বীকার করেন রেজওয়ান। এর একটি হলো, পেন্টাগন ও ক্যাপিটল ভবনের মতো সরকারি ভবন বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা। অপরটি, আল-কায়েদার মতো সন্ত্রাসীদের কাছে বিস্ফোরক সরবরাহের চেষ্টা। দোষ স্বীকার করায় তাঁর সাজা কম হয়েছে। নতুবা তাঁর সাজা হতো ৩৫ বছরের কারাদণ্ড। মার্কিন তদন্ত ব্যুরো এফবিআইয়ের ছদ্মবেশী গোয়েন্দাদের ফাঁদে ধরা পড়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে গ্রেপ্তার হন ২৭ বছরের যুবক রেজওয়ান। একই ভাবে গত মাসে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি আরেক যুবক কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিস। ‘স্টিং অপারেশন’ নামে পরিচিত এফবিআইয়ের সন্ত্রাসী ধরার এই কৌশল নিয়ে আগে থেকেই সমালোচনা হচ্ছে। গত মাসে রেজওয়ানুল গ্রেপ্তার হওয়ার পর এ সমালোচনা আরও জোরালো হয়েছে। ‘স্টিং অপারেশন’কে অভিহিত করা হচ্ছে ‘সন্ত্রাসী বানানোর কারখানা’ হিসেবে। সরকারি কৌঁসুলিরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জিহাদ করার জন্য রেজওয়ান ফেরদৌস ২০১০ সাল থেকে পরিকল্পনা করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে এফবিআইয়ের ছদ্মবেশী গোয়েন্দারা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁরা নিজেদের আল-কায়েদার সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। এরপর রেজওয়ান পেন্টাগন ও ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালানোর ইচ্ছা পোষণ করেন। তখন আল-কায়েদার ছদ্মবেশী গোয়েন্দারা তাঁকে একটি দূরনিয়ন্ত্রিত এফ-৮৬ ড্রোন (মনুষ্যবিহীন বিমান) ও বিস্ফোরক সরবরাহ করেন এবং তাঁর ওপর নজরদারি শুরু করেন। তবে ওই বিস্ফোরক ছিল নিষ্ক্রিয়। এরপর মুঠোফোনের মাধ্যমে ওই বিস্ফোরক বিস্ফোরণের জন্য তিনি সরঞ্জাম তৈরি করে নেন। এ ধরনের ১২টি সরঞ্জাম তিনি আল-কায়েদা ছদ্মবেশী গোয়েন্দাদের কাছে তুলে দেন বলে কৌঁসুলিরা জানান। অবশেষে ওই সরঞ্জাম বিস্ফোরকের সঙ্গে সংযুক্ত করার সময় ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টন শহরের নর্থ ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেছেন রেজওয়ান। বোস্টনের উপকণ্ঠে অ্যাশল্যান্ড নামক এলাকায় বসবাস করে তাঁর পরিবার। বৃহস্পতিবার সকালে রায় ঘোষণার আগে বোস্টনের ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে হাজির করা হয় রেজওয়ানকে। আদালতে হাজির ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। রেজওয়ান যখন আদালতে ঢুকছেন তখন তাঁর মা আনামারিয়া ফেরদৌস ছেলেকে উদ্দেশ করে বলতে থাকেন, ‘তোমার মাথা উঁচু রাখো।’ রায় ঘোষণার আগে আদালতে দেওয়া বক্তব্যে রেজওয়ান জানান, তিনি তাঁর নিয়তি মেনে নিয়েছেন কিন্তু ভবিষ্যতের ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘আমি ভালো কিছু আশা করছি। আল্লাহর ইচ্ছায়, আমি ভালো কিছু করতে পারব।’ রায় ঘোষণার সময় রিজওয়ানকে উদ্দেশ করে বিচারক রিচার্ড জি স্টিয়ার্নস বলেন, ‘আপনার বক্তব্য শুনে আমার মনে হয়েছে নিজেকে ফিরে পাওয়ার মতো চরিত্র এবং সামর্থ্য আপনার আছে।’ তবে রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কান্নায় ভেঙে পড়েন রেজওয়ানের মা আনামারিয়া ফেরদৌস। তিনি দাবি করেন, তাঁর ছেলে নির্দোষ এবং মানসিকভাবে অসুস্থ। গোয়েন্দাদের পাতা ফাঁদে সে ধরা পড়েছে। কিন্তু রেজওয়ানের আইনজীবী মিরিয়াম কনরার্ড আদালতে তাঁর মক্কেলের মানসিক অবস্থা নিয়ে কোনো কথা বলেননি। একই সঙ্গে তাঁর গ্রেপ্তারের ঘটনাকে সরাসরি ‘পাতা ফাঁদ’ হিসেবেও অভিহিত করেননি। কিন্তু তিনি বলেছেন, গোয়েন্দারা তাঁর মক্কেলকে উৎসাহিত করেছেন সন্ত্রাসী পরিকল্পনায়। মিরিয়াম কনরার্ড আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে অপরাধীদের ধরতে সরকারি গোয়েন্দারা যে কৌশল অবলম্বন করছে, তা নিয়ে আমরা প্রশ্ন তুলবই। এটা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার উপযুক্ত কৌশল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।’ নিউইয়র্ক টাইমস, বিবিসি।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV