Monday, 9 March 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

পৌরসভা নির্বাচন:চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বিএনপি ২৬ আ’লীগ ২৩

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 58 বার

প্রকাশিত: January 18, 2011 | 11:28 PM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: পৌরসভা নির্বাচনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মোট ৫৮টি পৌরসভার মধ্যে ৫৩টির বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। বাকি ৫টি পৌরসভার নির্বাচন ও ফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে। ঘোষিত ফলাফলে ২৬টি বিএনপি ও ২৩টিতে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন দু’জন ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী একজন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী তিন এবং এলডিপির একজন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগ: চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ৪২টি পৌরসভার মধ্যে সেনবাগ নির্বাচন ও নোয়াখালী ফল স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া আরও ৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও ব্যালটবাক্স ছিনতাই, ব্যালটপেপার কেড়ে নেওয়া, ফল কারচুপি, জোর করে সিল মারা ও সহিংস ঘটনার কারণে ফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে। পৌরসভাগুলো হলো_ পটিয়া, সোনাগাজী, কবিরহাট ও নাঙ্গলকোট।এ বিভাগে ঘোষিত ফলাফলের মধ্যে ২ জন বিদ্রোহীসহ বিএনপি ১৭ এবং ১ জন বিদ্রোহীসহ আওয়ামী লীগ ১৫টি পৌরসভায় বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র ৩টি এবং এলডিপি ১টিতে মেয়র নির্বাচিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম : সন্দ্বীপ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাফর উল্লাহ টিটু ৭ হাজার ৭২৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১০ হাজার ৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর হোসাইন ঠাকুর পেয়েছেন ২ হাজার ৩৩০ ভোট। উল্লেখ্য, নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে দুপুরেই নির্বাচন বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছিলেন আলমগীর ঠাকুর।চন্দনাইশ পৌরসভায় এলডিপির মোহাম্মদ আইয়ুব পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুল আনোয়ার পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৬০ ভোট।সাতকানিয়া পৌরসভায় বিএনপির মোহাম্মদুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ৫১৪। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জোবায়ের পেয়েছেন ৬ হাজার ৪২৪ ভোট।
বাঁশখালী পৌরসভায় ৪ হাজার ৩৫৮ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারণ হয়েছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ ফখরুদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৯ হাজার ৯৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কামরুল ইসলাম হোসাইনী পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৯৯ ভোট।মিরসরাই পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ শাহজাহান ২ হাজার ৬৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ফকির আহমদ পেয়েছেন ১ হাজার ৬১৬ ভোট।
বারইয়ারহাট পৌরসভায় জয়-পরাজয় নির্ধারণ হয়েছে ১ হাজার ৬৩ ভোটে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবু তাহের পেয়েছেন ২ হাজার ৬৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মঈন উদ্দিন চৌধুরী লিটন পেয়েছেন ১ হাজার ৫৭৬ ভোট।রাউজান পৌরসভায় ১ হাজার ৭৩৬ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির কাজী আবদুল্লাহ আল হাসান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের দেবাশীষ পালিত পেয়েছেন ৮ হাজার ৮০০ ভোট।রাঙ্গুনিয়া পৌরসভায় ২৫৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী খলিলুর রহমান। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৫৯। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমদাদুল ইসলাম পেয়েছেন ৬ হাজার ৫০৪ ভোট।
কুমিল্লা : চৌদ্দগ্রাম পৌরসভায় ৯৫২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মিজানুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ২১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জিএম রব্বানী পেয়েছেন ৭ হাজার ২৬৬ ভোট।
লাকসাম পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুর রহমান ৯ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সুভাষ বণিক পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৩৩ ভোট।
দাউদকান্দি পৌরসভায় বিএনপির নাছির উদ্দিন আহমেদ ৯ হাজার ৩৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শাহআলম চৌধুরী পেয়েছেন ৮ হাজার ৯৬৮ ভোট।
বরুড়া পৌরসভায় ৪ হাজার ৩০২ ভোটের ব্যবধানে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১২ হাজার ৬০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হাজী আমির হোসেন পেয়েছেন ৮ হাজার ৩০০ ভোট।
হোমনা পৌরসভায় ৭০৬ ভোটের ব্যবধানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন মিয়ার কাছে হেরেছেন আওয়ামী লীগের আবদুল জলিল। হারুন মিয়া পেয়েছেন ৬ হাজার ১৭৩ ভোট আর আবদুল জলিল পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
চান্দিনা পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থী আলমগীর খান ৬ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির আবদুল মান্নান সরদার পেয়েছেন ৪ হাজার ৮০২ ভোট।
নোয়াখালী :চৌমুহনী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মামুনুর রশিদ কিরণ ১৪ হাজার ১৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জুলফিকার আলী ভুট্টো পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৩৭ ভোট।
বসুরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মির্জা আবদুল কাদের ৭ হাজার ২০৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কামাল উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৪ হাজার ২৫০ ভোট।
চাটখিল পৌরসভায় আওয়ামী লীগের সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ৬ হাজার ১১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৩৫ ভোট।
হাতিয়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী একেএম ইউসুফ আলী ৮ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত অ্যাডভোকেট সাইফুদ্দিন আহমেদ ৬ হাজার ৭৪৩ ভোট পেয়েছেন।
চাঁদপুর : হাজীগঞ্জ পৌরসভায় বিএনপির আবদুল মান্নান খান বাচ্চু ১৬ হাজার ৫০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের গাজী মাঈন উদ্দিন পেয়েছেন ১০ হাজার ৬৮ ভোট।
শাহরাস্তি পৌরসভায় বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্র্থী মোস্তফা কামাল ৪ হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মোশারফ হোসেন পাটোয়ারী পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৯৩ ভোট।
কচুয়া পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত হুমায়ুন কবির প্রধান ৪ হাজার ৮০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আহসান হাবীব প্রধান পেয়েছেন ৩ হাজার ২৬ ভোট।
ফরিদগঞ্জ পৌরসভায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মঞ্জিল হোসেন ৭ হাজার ৬৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম পাটোয়ারি পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৪০ ভোট।
মতলব পৌরসভায় বিএনপির এনামুল হক বাদল ১২ হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম নুরু পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৫৪ ভোট।
ছেঙ্গারচর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ৯ হাজার ৩২৯ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির আমেনা বেগমকে পরাজিত করেছেন। বিল্লাল পেয়েছেন ১১ হাজার ৯৯১ ভোট। আমেনা বেগম পেয়েছেন ২ হাজার ৬৬২ ভোট।
রাঙামাটি :রাঙামাটি সদর পৌরসভায় বিএনপির সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১০ হাজার ৮৮৩।
খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল আলম ১০ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ধীমান খীসা পেয়েছেন ৫ হাজার ৬১৫ ভোট।
মাটিরাঙ্গা পৌরসভায় বিএনপির আবু ইউসুফ চৌধুরী ৩ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বাদশা মিয়া পেয়েছেন ২ হাজার ২১ ভোট।
বান্দরবান : বান্দরবান পৌরসভায় বিএনপির জাবেদ রেজা ৫ হাজার ৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের মোঃ ইসহাক পেয়েছেন ২ হাজার ৮৫০ ভোট।
লামা পৌরসভায় বিএনপির আমীর হোসেন ৪ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জহিরুল হক পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৯ ভোট।
লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আবু তাহের ২১ হাজার ২৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯ হাজার ৬০৬ ভোট।
রায়পুর পৌরসভায় বিএনপির এবিএম জিলানী ৬ হাজার ২১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মোঃ ইসমাইল খোকন পেয়েছেন ৩ হাজার ৮১১ ভোট।
রামগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বেলাল আহমেদ ১০ হাজার ৯৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রোমান হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ২৬৮ ভোট।
রামগতি পৌরসভায় বিএনপির শাহেদ আলী পটু ৩ হাজার ৯৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোসলেহ উদ্দিন খন্দকার পেয়েছেন ২ হাজার ৮৪৮ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : আখাউড়া পৌরসভায় বিএনপির এমএন হাসান খান ৪ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের তাকজিল খলিফা কাজল পেয়েছেন ৩ হাজার ৫১৪ ভোট।
ফেনী : ফেনী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নিজাম হাজারী ২৬ হাজার ৪৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী নূরুল আবসার ১৩ হাজার ৪০০ ভোট পেয়েছেন।
পরশুরাম পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সাজেল ৭ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু তালেব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬২০ ভোট।
সিলেট বিভাগ
সিলেট : জকিগঞ্জে আওয়ামী লীগের আনোয়ার হোসেন সোনাউল্লাহ ২ হাজার ৫৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইকবাল আহমদ চৌধুরী পেয়েছেন ২ হাজার ৩৪৫ ভোট।
প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কানাইঘাটে ৩ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের লুৎফুর রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ওলিউল্লাহ ২ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়েছেন।
সুনামগঞ্জ :সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগের আইয়ুব বখত জগলুল ১৮ হাজার ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র শেরগুল আহমেদ পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৩৬ ভোট।
ছাতকে ৭ হাজার ৪৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবুল কালাম চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র সাইফুর রহমান চৌধুরী খোকন পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৩৭ ভোট।
‘হাওরের লন্ডন’ খ্যাত জগন্নাথপুরে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আখতারুজ্জামান আখতার ৫ হাজার ৩১১ ভোট পেয়ে। মহাজোটের আবদুল মনাফ পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৮০ ভোট। এ পৌরসভার সাত মেয়র প্রার্থীর সবাই প্রবাসী।
দিরাই পৌরসভায় আওয়ামী লীগের আজিজুর রহমান বুলবুল ৬ হাজার ৯২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত মইনুদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৬৭ ভোট।
হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জে বিএনপির জি কে গউস ১৬ হাজার ৫৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শরিফউল্লাহ পেয়েছেন ৮ হাজার ৬৩৪ ভোট। এ পৌরসভায় একটি কেন্দ্রের ফল স্থগিত আছে।
শায়েস্তাগঞ্জে বিএনপির এমএস আহমেদ অলি ৬ হাজার ৪৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবদুর রশিদ তালুকদার ইকবাল পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৩৬ ভোট।
নবীগঞ্জে আওয়ামী লীগের তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী ৫ হাজার ২২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অ্যাডভোকেট আবদুস শহিদ গোলাপ পেয়েছেন ৫ হাজার ১১৬ ভোট।
মাধবপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হিরেন্দ্র লাল সাহা ৩ হাজার ৫২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম আওয়ামী লীগের শাহ মোহাম্মাদ মুসলিম ২ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়েছেন।
নবগঠিত চুনারুঘাটে বিএনপির মোহাম্মদ আলী ২ হাজার ৯৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবু তাহের ২ হাজার ৮০২ ভোট পেয়েছেন।
মৌলভীবাজার :মৌলভীবাজারে ১১ হাজার ৪৯৬ ভোট পেয়েছেন বিএনপির ফয়জুল করিম ময়ুন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সাইফুর রহমান বাবুল পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৩ ভোট।
কমলগঞ্জে বিএনপির আবু ইব্রাহীম জমসেদ ৩ হাজার ৩৬৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হাজী আখতার সালেহ কেরামত নান্না পেয়েছেন ১ হাজার ৭৫৮ ভোট।
কুলাউড়ায় ৪ হাজার ১৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত কামালউদ্দিন আহমেদ জুনেদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ১৬২ ভোট।
শ্রীমঙ্গলে পৌরসভায় বিএনপির মহসিন মিয়া মধু ৪ হাজার ৩১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একই দলের বিদ্রোহী আহাদ মিয়া পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৭৮ ভোট।
বড়লেখায় বিএনপির প্রভাষক ফখরুল ইসলাম ২ হাজার ৬৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর খিজির আহমেদ পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬৯ ভোট।
স্থগিত ৬ পৌরসভা
সেনবাগ পৌরসভায় ব্যালট পেপার ছিনতাই ও নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে নির্বাচন বাতিল করা হয়।
নোয়াখালী পৌরসভায়ও একই অভিযোগে ১৭ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বাতিল করা হয়।
কবিরহাট পৌরসভায় একটি কেন্দ্র স্থগিত থাকার কারণে ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। এখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জহিরুল হক রায়হান ১৪৮ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। স্থগিত কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে। এ কেন্দ্রে ভোট এক হাজার ৩৩০ ভোট।
পটিয়া পৌরসভায় রাত ১১টার সর্বশেষ খবর অনুযায়ী আওয়ামী লীগের অধ্যাপক হারুনুর রশিদ ৭ হাজার ৯১ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বদিউল আলম পেয়েছেন ৬ হাজার ১৫৩ ভোট। তবে ভোটের এ পরিসংখ্যান নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিমত থাকায় রাত ১২টা পর্যন্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।
নাঙ্গলকোট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের শামছুদ্দিন কালু ৫ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী নুরুল আবছার নয়ন পেয়েছেন ৫ হাজার ১০৯ ভোট। তবে এ পৌরসভায় একটি কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় চূড়ান্ত ফলাফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ১১ কেন্দ্রের মধ্যে স্থগিত আছে ৫৭২ ভোটের একটি কেন্দ্র। অবশিষ্ট ১০টি কেন্দ্রের ফলাফলে ৩২০ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছে আওয়ামী লীগের সামছুদ্দিন কালু।
সোনাগাজী পৌরসভায় ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরা উপজেলা কার্যালয় ঘেরাও করে রেখেছে। তাদের অভিযোগ ইউএনও বিএনপি প্রার্থীর ২০০ ভোট বাতিল করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে বিজয়ী করার চেষ্টা করছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফল ঘোষণা হয়নি।

ট্যাগ:
Situs Streaming JAV