প্রকাশ্যে চুমু রীতি চালু করেন প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্সেস ডায়ানা
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: বৃটিশ রাজপরিবারে নববিবাহিতদের জনসমক্ষে পরস্পরকে চুমু দেয়ার রীতি আগে ছিল না। এ ধারা প্রথম চালু করেন প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্সেস ডায়ানা। সে ১৯৮১ সালের ২৯শে জুলাইয়ের ঘটনা। সেদিন সেন্ট পল ক্যাথেড্রালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর বাকিংহাম প্যালেসের ব্যালকনিতে উপস্থিত হন চার্লস-ডায়ানা। তখন বাইরে অসংখ্য ভক্তের গাদাগাদি। তারা সমস্বরে উল্লাসধ্বনি করছেন। তারই জবাব দিতে বাকিংহাম প্যালেসের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্সেস ডায়ানা পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে চুমু এঁটে দেন। এর মধ্য দিয়ে নতুন এই ধারাটি চালু হয় রাজপরিবারে। বলাবলি আছে, এবার তাদের ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম তার নববধূকে ঘরে তোলার পর ওই ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে উপস্থিতদের উদ্দেশ্যে প্রথম স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একে অন্যকে চুমু দেবেন। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বৃটেনের রাজপরিবারের বিয়ে হয়েছে তাদের নিজস্ব ঢংয়ে। প্রাইভেটভাবে। তাতে জনগণের কোন সম্পৃক্ততা ছিল না। বিয়ে হতো উইন্ডসোর প্রাসাদের মতো প্রাসাদের ভেতরেই। কিন্তু রানী এলিজাবেথের সন্তান প্রিন্সেস অ্যান (১৯৭৩), প্রিন্স চার্লস (১৯৮১), প্রিন্স অ্যান্ড্রু (১৯৮৬) ও প্রিন্স এডওয়ার্ড (১৯৯৯) সে ধারাকে পাল্টে ফেলেন। সর্বশেষ ২০০৫ সালের ৯ই এপ্রিল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন প্রিন্স চার্লস ও ক্যামিলা পার্কার বোলস। প্রিন্স চার্লস প্রথম বিয়ে করেন ডায়ানাকে। কিন্তু প্রিন্সেস ডায়ানা ১৯৯৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন ক্যামিলা পার্কারকে। তবে এবার তিনি প্রথম বিয়ের মতো জাঁকজমক অনুষ্ঠান করেননি। ১৯৮১ সালের ২৯শে জুলাই ডায়ানার সঙ্গে তার বিয়ে দেখার জন্য সারা বিশ্বের যে কৌতূহল ছিল তা এবার দেখা যায়নি। তার ছোট ভাই প্রিন্স এডওয়ার্ডের বিয়েও হয় অনেকটা নীরবে। তিনি ১৯৯৯ সালের ১৯শে জুনে বিয়ে করেন সোফি রাইস-জোনসকে। বৃটিশ রাজপরিবারের বিয়ের ইতিহাস প্রণেতা ফিওনা ম্যাকডোনাল্ড-এর মতে বৃটিশ রাজপরিবারের প্রথা পুরনো দিনের রেকর্ড ভেঙেছে গত ৯০ বছরে। তিনি বলেছেন, আগে রাজপরিবারের সদস্যদের বিয়ে হতো রাজপরিবারের ভেতরেই। রাজপরিবারের বাইরে তাদের বিয়ের ঘটনা ছিল বিরল। কিন্তু ১৯২৩ সালের ২৬শে জুলাই প্রিন্স আলবার্ট বিয়ে করেন এলিজাবেথ বোস-লিওনকে। এলিজাবেথ বোস লিওন বর্তমানের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মা। রাজপরিবারের বিয়েগুলো হয়েছে কঠিন সময়ে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ তখন সবেমাত্র শেষ হয়েছে- এমন সময় ১৯২৩ সালে বিয়ে করেন প্রিন্স আলবার্ট। তখনও রাজপরিবারের বিয়ে জনসমক্ষে প্রচারিত হয়নি। ১৯৪৭ সালের ২০শে নভেম্বর প্রিন্সেস এলিজাবেথ বিয়ে করেন প্রিন্স ফিলিপকে। তখনই প্রথমবার ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবেতে বিবিসি’র ক্যামেরা প্রবেশ করতে দেয়া হয়। এবারও বৃটেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে বেরিয়ে এসেছে। এর পর ১৯৬০ সালের ৬ই মে প্রথমবার বৃটিশ রাজপরিবারের বিয়ে টেলিভিশনে সরাসরি সমপ্রচার করা হয়। ওই সময় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন প্রিন্সেস মার্গারেট। তিনি বিয়ে করেন ফটোগ্রাফার অ্যানথনি আর্মস্ট্রং জোনসকে। টেলিভিশনের কল্যাণে ওই বিয়ে উপভোগ করেন সারা বিশ্বের ৩০ কোটি দর্শক। সেই থেকেই বৃটিশ রাজপরিবারের বিয়ের দিকে নজর বিশ্ববাসীর। বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক সেখানকার যে কোন বিয়ে দেখার জন্য মুখিয়ে থাকে। মানবজমিন
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








