প্রাগৈতিহাসিক ‘ফেসবুক’
বর্তমান ব্যস্ত নাগরিকজীবনে সশরীরে গিয়ে কারো সঙ্গে দেখা করা খুব একটা হয়ে ওঠে না। আর তাই বুঝি তথ্য, মতামত, ছবি বিনিময়ের জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ সাইট- ফেসবুক। প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানুষের হয়তো এত ব্যস্ততা ছিল না। কিন্তু তাদের হাতে কম্পিউটার, ইন্টারনেট ছিল না। এর ওপর আবার যাতায়াতের দুর্গমতা ছিল। সে ক্ষেত্রে তারা বেছে নিয়েছিল ‘পাথুরে ফেসবুক’। লেখ্য ভাষার প্রচলন না থাকলেও সময়-সুযোগ বুঝে একেকজন একেক সময় এসে নির্দিষ্ট কোনো স্থানে সাংকেতিক ভাষার মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করত।
রাশিয়ার জালাভরুগা এবং সুইডেনের এন্দেমফোরসেনে দুটি প্রাগৈতিহাসিক দর্শনীয় স্থানে পাথরের গায়ে আঁকা আড়াই হাজারের মতো চিত্রের সন্ধান পাওয়ার পর প্রত্নতত্ত্ববিদরা এ দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, তাম্র যুগের (প্রস্তর ও লৌহ যুগের মধ্যবর্তী সময়) বিভিন্ন গোত্র একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এ পদ্ধতি বেছে নিয়েছিল। এতে ছিল শিকার করার কৌশলসহ বেঁচে থাকার নানা উপায় নিয়ে জ্ঞান বা তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়।
যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল প্রত্নতত্ত্ববিদ এ নিয়ে গবেষণা করছেন। তাঁরা সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই দুই স্থানে পাথরে আঁকা জীবজন্তু, মানুষ, নৌকা ও শিকারি দলের বিভিন্ন ধরনের চিত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। ওই দুই স্থানে কয়েক হাজার বছর ধরে তথ্য আদান-প্রদানের এ ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল বলে প্রত্নতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস।
গবেষকদের নেতা প্রত্নতত্ত্ববিদ মার্ক স্যাপওয়েল বলেন, আজকের মতো ওই সময়েও মানুষ যে যোগাযোগ রক্ষা করার তাগিদ অনুভব করেছিল, এটি তারই প্রমাণ। লোকজন নির্দিষ্ট উন্মুক্ত স্থানে বিভিন্ন চিত্রের মাধ্যমে এ যোগাযোগ রক্ষা করত। বর্তমান ফেসবুক স্ট্যাটাসের মতোই তারা কোনো বিষয়ে মতামত চাইত। পাথুরে ওই চিত্র প্রাগৈতিহাসিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছিল। সূত্র : ডেইলি মেইল অনলাইন।কালের কণ্ঠ
রাশিয়ার জালাভরুগা এবং সুইডেনের এন্দেমফোরসেনে দুটি প্রাগৈতিহাসিক দর্শনীয় স্থানে পাথরের গায়ে আঁকা আড়াই হাজারের মতো চিত্রের সন্ধান পাওয়ার পর প্রত্নতত্ত্ববিদরা এ দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, তাম্র যুগের (প্রস্তর ও লৌহ যুগের মধ্যবর্তী সময়) বিভিন্ন গোত্র একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এ পদ্ধতি বেছে নিয়েছিল। এতে ছিল শিকার করার কৌশলসহ বেঁচে থাকার নানা উপায় নিয়ে জ্ঞান বা তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়।
যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল প্রত্নতত্ত্ববিদ এ নিয়ে গবেষণা করছেন। তাঁরা সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই দুই স্থানে পাথরে আঁকা জীবজন্তু, মানুষ, নৌকা ও শিকারি দলের বিভিন্ন ধরনের চিত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। ওই দুই স্থানে কয়েক হাজার বছর ধরে তথ্য আদান-প্রদানের এ ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল বলে প্রত্নতত্ত্ববিদদের বিশ্বাস।
গবেষকদের নেতা প্রত্নতত্ত্ববিদ মার্ক স্যাপওয়েল বলেন, আজকের মতো ওই সময়েও মানুষ যে যোগাযোগ রক্ষা করার তাগিদ অনুভব করেছিল, এটি তারই প্রমাণ। লোকজন নির্দিষ্ট উন্মুক্ত স্থানে বিভিন্ন চিত্রের মাধ্যমে এ যোগাযোগ রক্ষা করত। বর্তমান ফেসবুক স্ট্যাটাসের মতোই তারা কোনো বিষয়ে মতামত চাইত। পাথুরে ওই চিত্র প্রাগৈতিহাসিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছিল। সূত্র : ডেইলি মেইল অনলাইন।কালের কণ্ঠ
সর্বশেষ সংবাদ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests