ফখরুদ্দীন-মইন সম্পর্কে চিড় ধরেছিল

ফখরুদ্দীন আহমদ ও মইন উ আহমেদ II
আড়াই লাখ মার্কিন তারবার্তা ফাঁস করেছে উইকিলিকস। মার্কিন কূটনীতিকদের ভাষ্যে এসব তারবার্তায় বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশের রাজনীতি ও ক্ষমতার অন্দরমহলও
এক-এগারোপরবর্তী জরুরি অবস্থার সময় বেশ কিছু বিষয় নিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ ও তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কে চিড় ধরেছিল।
২০০৮ সালের শুরুর দিকে তাঁদের সম্পর্ক মোটেও ভালো যাচ্ছিল না। ওই সময় মইন উ আহমেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে বিশেষ সতর্ক হয়ে উঠেছিলেন। দুনিয়াজুড়ে হইচই ফেলে দেওয়া ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রকাশ করা অসংখ্য মার্কিন নথির একটিতে এই কথা বলা হয়েছে।
২০০৮ সালের ১৭ জানুয়ারি ঢাকায় মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স গীতা পাসির পাঠানো ওই তারবার্তা গত ৩০ আগস্ট প্রকাশ করে উইকিলিকস। তারবার্তাটিতে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি মইন উ আহমেদ গীতা পাসিকে একান্ত ভোজসভায় আমন্ত্রণ জানান। সেখানে তাঁদের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে কথা হয়।
মইন উ আহমেদ গীতা পাসিকে বলেন, খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, পোশাকশ্রমিকদের সহিংস আন্দোলন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিক্ষোভ ইত্যাদি বিষয় সামাল দিতে গিয়ে তিনি চাপের মধ্যে রয়েছেন। তারবার্তায় গীতা পাসি লিখেছেন, প্রতিশ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠানের ১১ মাস আগে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখে পড়ে সেনাপ্রধান কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অনেক বেশি সতর্ক হয়ে উঠেছিলেন।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স লিখেছেন, সেনাপ্রধানের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে যে তাঁর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীনের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি লিখেছেন, ওই মাসের (জানুয়ারি) ২৩ থেকে ২৭ তারিখে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ফখরুদ্দীনের যোগ দেওয়ার কথা আছে বলে তিনি সেনাপ্রধানকে জানান। সেনাপ্রধান তাঁকে (গীতা পাসিকে) জানান, এ খবর সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল নন। ফখরুদ্দীন আদৌ ওই সফরে যেতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সেনাপ্রধান সংশয় প্রকাশ করেন।
গীতা পাসি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, ‘প্রকৃতপক্ষে প্রধান উপদেষ্টা দাভোস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সেনাপ্রধানকে তখন পর্যন্ত কিছুই জানাননি। আমরা অন্যদের কাছ থেকে শুনেছি, সেনাপ্রধান ও প্রধান উপদেষ্টার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। চলতি মাসে (২০০৮ সালের জানুয়ারি) চারজন উপদেষ্টার পদত্যাগসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে সম্পর্কে চিড় ধরেছে।’
বার্তায় বলা হয়, অনেকে আশা করেছিলেন, একসঙ্গে সৌদি আরব গিয়ে হজ করে আসার পর তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক হূদ্যতা তৈরি হবে। কিন্তু আদতে তা হয়নি বলেই মনে হচ্ছে।
গীতা পাসি লিখেছেন, তাঁর সঙ্গে বৈঠক করার সময় মইন উ আহমেদ আবারও প্রতিশ্রুত সময়ে নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তাঁর কোনো রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ নেই বলেও জানান।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








