বাংলাদেশিদের পাশে থাকব- নিউইয়র্ক সিটি মেয়র প্রার্থী ও সাবেক কমট্রোলার উইলিয়াম থমসন
নিউইয়র্ক : বক্তৃতা করছেন হাসানুজ্জামান হাসান। পাশে উইলিয়াম থমসন। ছবি-বাংলানিউজ |
লাবলু আনসার, নিউইয়র্ক : বিশ্বের রাজধানী হিসেবে খ্যাত নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদে ডেমোক্রেটিক পার্টির অন্যতম প্রার্থী উইলিয়াম সি থমসন জুনিয়র বলেছেন, নির্বাচিত হলে আমি বাংলাদেশিদের ভুলব না। নতুন কম্যুনিটি হিসেবে সবসময় তাদের পাশে থাকবো।
৮ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে ‘বাংলাদেশি-আমেরিকান ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ককাস’ আয়োজিত সমাবেশে কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট হাসানুজ্জামান হাসান এবং গিয়াস আহমেদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিটির সাবেক কমট্রোলার উইলিয়াম থমসন এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন স্কুলে ক্লাসরুম সংকট রয়েছে। রয়েছে আরো কিছু সমস্যা। এ পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে আমি সাধ্যমত চেষ্টা করবো। উইলিয়াম থমসন বলেন, আমিও ইমিগ্র্যান্ট পরিবারের সন্তান।
উইলিয়াম থমসন বলেন, ১৯১৭ সালে আমার পূর্ব পুরুষ জ্যামাইকা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। আমেরিকায় ইমিগ্র্যান্টদের কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে আমি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বলতে দ্বিধা নেই-এই সিটিতে বাংলাদেশিদের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।
নিজ নিজ দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তারা পালন করে এ সুনাম অর্জন করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্ক সিটির কৃষ্ণাঙ্গ, হিসপ্যানিক এবং এশিয়ানরাই এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাই তারা যদি ঐক্যবদ্ধ হন তাহলে আমার বিজয় কেউই ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।’
হোস্ট সংগঠনের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান, আলহাজ আব্দুর রহমান, আব্দুল মুকিত চৌধুরী, রাসেল কবীর, শাহ রাহিম, মো. ইকবাল প্রমুখ।
বাপাফের সভাপতি হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, নিউইয়র্ক সিটিতে দু’লক্ষাধিক বাংলাদেশি বাস করেন। অথচ মূলধারায় তাদের গুরুত্ব নেই। ১২ বছর যাবত মাইকেল ব্লুমবার্গ সিটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশিদের একটি আমন্ত্রণও তিনি গ্রহণ করেননি। অথচ নির্বাচনের সময় প্রায় সকল বাংলাদেশিই তাকে ভোট দিয়েছেন।
ডেমক্রেটিক পার্টি নেতা অ্যাডভোকেট মুজিবর রহমান বলেন, অন্যদের মত তুমিও জয়ী হয়ে আমাদের যদি ভুলে যাও তাহলে দুঃখের আর সীমা-পরিসীমা থাকবে না। গিয়াস আহমেদ বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি রিপাবলিকান হলেও ডেমক্রেটদের ভাল কাজকে সাপোর্ট করি বলেই আজ এ অনুষ্ঠানে এসেছি।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, দুই টার্ম সিটি কমট্রোলার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমরা খেয়াল করেছি উইলিয়াম থমসনের সততা। সে আলোকে আশা করতে পারি যে, সিটি মেয়র নির্বাচিত হলে বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে তিনি পিছপা হবেন না এবং সে জন্যেই আজকের এ সমাবেশ। আমরা নির্দ্বিধায় আপনাকে ভোট দেব।
মেয়র প্রার্থী উইলিয়াম থমসকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় ছোট্টমনি আরমান চৌধুরী।
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
নিউইয়র্ক : বক্তৃতা করছেন হাসানুজ্জামান হাসান। পাশে উইলিয়াম থমসন। ছবি-বাংলানিউজ