বাংলাদেশী যুবক নাফিসের মামলার শুনানি ১৪ই ফেব্রুয়ারি

এনা: গাড়িবোমা হামলায় নিউ ইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের ভবন উড়িয়ে দেয়ার চাঞ্চল্যকর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশী যুবক কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিস (২১)-কে ৯ই জানুয়ারি বুধবার সকালে (বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাতে) ব্রুকলিনের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট ফেডারেল কোর্টে হাজির করা হয়। এ সময় তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে সরকারি আইনজীবী এবং সরকারের দেয়া কাজী নাফিসের আইনজীবী (ফেডারেল ডিফেন্ডার)’র মধ্যে শলাপরামর্শ হয় মামলার গতি-প্রকৃতি নিয়ে। কাজী নাফিসের আইনজীবী তথা ফেডারেল ডিফেন্ডার হেইডি সিজার ফেডারেল কোর্টের চিফ জজ আমোন ক্যারল বেগলির কাছে আবেদন জানিয়েছেন, মামলাটি প্রচলিত আইনে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য। তিনি দাবি করেছেন, তার মক্কেল কাজী নাফিস নির্দোষ। গত ১৪ই নভেম্বর একই আদালতে জামিনের আবেদনের সময় কাজী নাফিস নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। পক্ষান্তরে ফেডারেল আইনজীবী জেমস লুনাম চাইছেন এটি সন্ত্রাসী মামলা হিসেবে বিবেচনা করে কাজী নাফিসের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে। অর্থাৎ মামলার ধরন কি হবে তা নিয়ে যুক্তিতর্ক হয়েছে। মাননীয় জজ কোন সিদ্ধান্ত না দিয়ে আগামী ১৪ই ফেব্রুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। ফেডারেল কোর্টের মুখপাত্র রোবার্ট নারদোজা এসব তথ্য জানান। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক আল কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন কাজী নাফিস- এ বক্তব্যের পক্ষে সরকারী আইনজীবী জেমস লুনাম মাননীয় আদালতকে জানান, নাফিসের কাছ থেকে একটি অডিও ক্যাসেট উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি হচ্ছে আল কায়েদার অন্যতম নেতা আনোয়ার আল-আওয়ালকির একটি বক্তব্যের। সেখানে আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার উদাত্ত আহ্বান রয়েছে। সরকারি আইনজীবী আদালতকে আরও জানান, স্টুডেন্ট ভিসায় গত বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগেই কাজী নাফিস ওই ক্যাসেট সংগ্রহ করে আমেরিকার ক্ষতিসাধনে প্ররোচিত হয়েছিলেন এবং আল কায়েদাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে সম্পর্ক রচনা করেন। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ইয়েমেনে মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হন আনোয়ার আল-আওয়ালকি। গত ১৭ই অক্টোবর সকালে নিউ ইয়র্ক সিটির ডাউন টাউনে ফেডারেল রিজার্ভ ভবনের নিকটবর্তী একটি হোটেলের লবিতে দাঁড়িয়ে সেলফোনের বোতাম টেপার সময় কাজী নাফিসকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে এফবিআই এবং নিউ ইয়র্ক পুলিশের একটি দল। রিজার্ভ ভবনের সামনে ১০০০ পাউন্ড পাউডার ভর্তি একটি ভ্যান দাঁড় করিয়েছিলেন কাজী নাফিস। সেটিকে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল। এফবিআই-এর স্টিং অপারেশনের আওতায় কাজী নাফিস হাতেনাতে ধরা পড়ে। ওই গাড়ি বিস্ফোরিত হয়নি, কারণ, পাউডারগুলো বিষ্ফোরক ছিল না। গ্রেপ্তারের পর থেকেই কাজী নাফিসকে আটকাদেশ দিয়ে কারাগারের নির্জন কক্ষে রাখা হয়েছে। আদালতে হাজির করার পর তিনি ছিলেন বিমর্ষ ও ভাবলেশহীন। শুনানির সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের কন্সুলার অফিসার মো. শামসুল হক এবং নিউ ইয়র্কে কন্সাল জেনারেল মনিরুল হক সেখানে ছিলেন। তারা নাফিসের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। আদালতের বক্তব্য তিনি বুঝতে সক্ষম বলেও উল্লেখ করেছেন।
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








