Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও ড. ইউনূসকে নিয়ে ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 193 বার

প্রকাশিত: February 28, 2012 | 9:19 PM

 ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্বব্যাংকের প্রধান পদে নাম প্রস্তাব করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটা শুধুুই তামাশা নয়, এটা অন্য এক কৌশলের কেবল শুরু। এমন মন্তব্য করেছে দ্য ইকোনমিস্ট। ২৭শে ফেব্রুয়ারি ‘স্ট্রেঞ্জ বেডফেলোস ইন বাংলাদেশ ব্রিজ-মেন্ডিং’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে ওই মন্তব্য করা হয়। এতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে আলোকপাত করা হয়। এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সব সময় নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারতে সিদ্ধহস্ত। এ ধারণা অনেক দিন অক্ষতই ছিল। এখনও কি সেই নীতি নেই? বিশ্বব্যাংকের প্রধান পদে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ও ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম প্রস্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যিনি ড. ইউনূসকে তার গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে সমপ্রতি অভিযোগ করেছেন যে- ড. ইউনূস প্রভাব খাটিয়ে বিশ্বব্যাংকের ৩০০ কোটি ডলারের পদ্মা সেতু প্রকল্পের টাকা আটকে দিয়েছেন, তার প্রতি এমন ঔদার্যপূর্ণ প্রস্তাব করলেন শেখ হাসিনা।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনার এ পরিবর্তনে বাংলাদেশের মানুষ বিস্মিত। ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রীর এ প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের একটি পত্রিকার পাঠকের দেয়া মতামত তুলে ধরে বলা হয়- ডেইলি স্টার পত্রিকার এক পাঠক মন্তব্য করেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আন্তরিক হতে পারেন না!!’ আরেক পাঠক ব্যঙ্গ করে বলেছেন, সব রাজনীতিবিদ প্রধানমন্ত্রীর মতো বিজ্ঞ হলে বাংলাদেশ শিগগির সুইজারল্যান্ড হয়ে যাবে। বাংলাদেশীদের মধ্যে এমন লোক নেহায়েত হাতেগোনা, যারা বিশ্বাস করেন, বিশ্বব্যাংকের প্রধান হওয়ার জন্য ড. ইউনূস সত্যিই চেষ্টা করবেন। তবে বেশির ভাগ মানুষই এ কথা ভেবে বিস্মিত যে ড. ইউনূসের সুনামহানির এত জোর চেষ্টা এবং তাকে উৎখাতের পর এখন প্রধানমন্ত্রী নিজেই কেন আবার তার জন্য সুপারিশ করছেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা এমন একজন নারী, যিনি কখনও পিছু হটেন না। হাসিনার অনমনীয়তা তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়ার মতোই সুপরিচিত। এ জন্য অনেক মূল্যও দিতে হয়। যেমন রাজধানীর কাছে একটি নতুন বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত তিনি ত্যাগ করেছেন ঠিকই, কিন্তু তার আগে অনেক বড় বিক্ষোভ-রক্তক্ষয় হয়ে গেছে। ওই বিমানবন্দরটির নাম রাখা হতো তার পিতার নামে।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে- ড. ইউনূসের সঙ্গে সরকারের আচরণ নিয়ে পশ্চিমা সরকারগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র অনেক দিন ধরেই অসন্তুষ্ট। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনসহ ক্ষুদ্রঋণের এ প্রবক্তার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী সেখানে আছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা বার বার এ কথা বলে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ড. ইউনূসের সঙ্গে দুর্ব্যবহার দু’দেশের সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরিয়ে দিতে তিন মাস সময় লেগেছে। এতে বিশ্বব্যাংক, এডিবি এবং জাপানিরাসহ বেশির ভাগ দাতা অসন্তুষ্ট। পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের ৩০০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই সাবেক মন্ত্রী তা থেকে তার হাতকে দূরে রাখতে পারেননি বলে তাকে চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশের দুর্বল দুনীতি দমন কমিশন তারপর সৈয়দ আবুল হোসেনকে সব রকম দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রেহাই দিয়েছে। কিন্তু সংস্কার প্রক্রিয়ায় ধীরগতির জন্য আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল আইএমএফ ১০০ কোটি ডলারের অর্থ ছাড় দেয়নি।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা নড়বড়ে। এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেহাল দশা বাংলাদেশের মুদ্রা টাকার। বৈদেশিক মুদ্রার যে রিজার্ভ আছে তা দিয়ে তিন মাসের রপ্তানি-ব্যয় মেটানো যাবে। অপরিকল্পিত জ্বালানিনীতির কারণে বাজেট ঘাটতি পূরণে অর্থের প্রয়োজন, আমদানি করা জ্বালানি তেলেই চলছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাংলাদেশ সরকার দাবি করছে, পদ্মা সেতুতে অর্থ বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিনিয়োগকারীরা। অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য এটা হবে মিয়ানমারের পদ্ধতি বা বলা  যেতে পারে কম্বোডিয়ার মতো। শেখ হাসিনা সম্ভবত অন্যান্য দাতা দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করছেন। কাজেই বিশ্বব্যাংকের প্রধান পদে ড. ইউনূসের নাম প্রস্তাব শুধুই তামাশা নয়, এটা অন্য এক কৌশলের কেবল শুরু।মানবজমিন

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV