নিউইর্য়ক বাংলাদেশ মিশনে বেগম রোকেয়া এন্ড সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল ওয়ান হান্ড্রেড ইয়র্স আফটার ভিডিও প্রদর্শিত
তৈয়বুর রহমান টনি, নিউইর্য়ক : গত শুক্রবার ২৪শে আগষ্ট শুক্রবার বাংলাদেশ মিশনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলার নারী জাগরনের পথিকৃত মহিয়ষী নারী বেগম রোকেয়ার নির্মিত স্কুল বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল এর শতবর্ষ পুর্তি স্মরণে নির্মিত ভিডিও বেগম রোকেয়া এন্ড সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল ওয়ান হান্ড্রেড ইয়র্স আফটার ভিডিও প্রদর্শনি। শুরুতে জাতীসংঘের নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনের এ্যামবেসেডার ডঃ এ কে আব্দুল মোমেন এই মহিয়ষী নারী বেগম রোকেয়া স্মরণে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। মোমেন বলেন বেগম রোকেয়া বাংলার নারি জাগরনের অগ্রদূত। উনার জন্ম রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে ১৮৮০ সালে। সেই সময় বাংলার মেয়েদের অবস্হান ছিল অন্দর মহলে। বাহির জগতের সাথে যাদের কোন যোগাযোগই ছিল না। উনি উনার ভাই এর কাছে লেখাপড়া শেখেন। তারপর থেকেই বেগম রোকেয়া অনুভব করলেন পর্দার মধ্যে থেকে কিভাবে বাংলার নারীদের লেখাপড়া শিখানো যায়। উনি মাত্র ৫ জন মেয়েকে নিয়ে একটি স্কুল খোলেন রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে। বিখ্যাত সাংবাদিক ভয়েস অব আমেরিকা খ্যাত ইকবাল বাহার চৌধুরী এই ভিড়িও চিত্রটি নির্মান করেন। প্রবাসের এক সময়কার পত্রিকা প্রবাসীর সম্পাদক মাহমুদ উল্লাহ ভিডিও চিত্রের নির্মাতা ইকবাল বাহার চৌধুরী সম্পর্কে অতিথীদের সামনে সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পেশ করেন।

আরোও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মিশনের কালচারাল মিনিষ্টার নাট্যকার অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন এই মহিয়ষী নারী বেগম রোকেয়ার জন্ম গ্রহন করেন১৫ই ডিসেম্বর এবং উনি মৃত্যু বরন করেন একই তারিক যেটা ছিল ১৫ই ডিসেম্বর। উনি বলেন নারী জাগরণের এই প্রভাত সূর্যের আলো বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত বই অবোরোধ বাসিনী সম্পর্কে যেখানে সেই সময়কার নারীদের সমাজে কি অবস্হান ছিল সেটাই ছিল এই গল্পের মূল বিষয়বস্তু। ভিডিও চিত্রটির নির্মাতা বিখ্যাত সাংবাদিক ইকবাল বাহার চৌধুরী বেগম রোকেয়ার জীবনী বাংলায় এবং ইংরেজীতে পাঠ করেন। উনি বলেন এই মহিয়ষী নারী তৎকালের নারীদের শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য আন্দোলন করে গেছেন। উনি রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে স্কুল খোলেন মাত্র ৫ জন মেয়েকে নিয়ে। ১৮ বৎসর বয়সে বেগম রোকেয়ার বিবাহ হয় সাখাওয়াত হোসেনের সাথে। উনার বয়স ছিল তখন ৪০ বৎসর। উনি তৎকালীন ম্যজিস্ট্রেট ছিলেন। উনার সাথে বেগম রোকেয়ার দাম্পত্য জীবনকাল ছিল মাত্র ১০ বৎসর। স্বামী সাখাওয়াত হোসেনের মৃত্যুর সময় উনি উনার স্ত্রী বেগম রোকেয়ার জন্য দশ হাজার মুদ্রা রেখে যান। সেই টাকা দিয়ে বেগম রোকেয়া স্বামীর স্মৃতির প্রতিকৃতি স্বরুপ ১৯১১সালেবেগম রোকেয়া সাখওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল নির্মাণ করেন কলকাতায়। উনি বলেন বেগম রোকেয়ার প্রাক্তন ছাত্রীদের মাঝে আমার মা আনোয়ার বাহার চৌধুরী আমার ফুফু শামসুন্নাহারও ছিলেন। তারপর প্রদর্শিত হয় ভিডিও চিত্র। এই অসাধারণ ভিডিওটি দেখে সকলেই অভিভূত হয়ে যান। এই অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বহুগন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন।
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং