বাংলাদেশ : ১,৪০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী-আয় গত বছর
বিদায়ী ২০১২ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা এক হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী-আয় (রেমিট্যান্স) দেশে পাঠিয়েছেন, বছরভিত্তিক পরিসংখ্যানে যা নতুন রেকর্ড। আগের বছর অর্থাৎ ২০১১ সালে প্রবাসী-আয় এসেছিল এক হাজার ২১৬ কোটি ডলার। তার মানে, এক বছরে প্রবাসী-আয় বেড়েছে প্রায় ১৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এই উচ্চহারে প্রবাসী-আয় প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুতকে (রিজার্ভ) নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এক বছরের ব্যবধানে রিজার্ভ বেড়েছে ৩০০ কোটি ডলার। এদিকে চাহিদার তুলনায় বৈদেশিক মুদ্রার জোগান এবার বেশি হওয়ায় মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকা শক্তিশালী হয়েছে প্রায় ৩ শতাংশ। সর্বশেষ ডিসেম্বর মাসে দেশে প্রবাসী-আয় এসেছে ১২৮ কোটি ডলারের বেশি। এ নিয়ে ২০১২ সালে মোট প্রবাসী-আয় এসেছে প্রায় এক হাজার ৪২১ কোটি ডলার। গত নভেম্বর মাসে অভিবাসন ও প্রবাসী-আয়ের ওপর বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়, ২০১২ সালে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ের পরিমাণ হবে এক হাজার ৪০০ কোটি ডলার। বিশ্বব্যাংকের ওই পূর্বাভাস প্রবাসীরা সঠিক প্রমাণ করেছেন। প্রবাসী-আয় প্রাপ্তির দিক থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের শীর্ষ ১০-এর মধ্যে রয়েছে। ২০১২ সালের শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৭৫ কোটি ডলার। আগের বছরে টাকার ব্যাপক দরপতন হলেও ২০১২ সালে মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার দর বেড়েছে ২ দশমিক ৬০ শতাংশ। সদ্য সমাপ্ত বছরের শেষে আন্তব্যাংকে প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার গড় দর দাঁড়ায় ৭৯ টাকা ৭৫ পয়সা। ২০১১ সালের শেষ দিনে এই দর ছিল ৮১ দশমিক ৮৫ পয়সা। প্রবাসী-আয়ের শক্তিশালী প্রবাহ ইতিমধ্যে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যকে অনেক ইতিবাচক অবস্থানে নিয়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে এই আয়ই সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে। ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে আশা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বিপুল পরিমাণে প্রবাসী-আয়, আমদানি কমে যাওয়া, রপ্তানিতে কিছুটা প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক সহায়তা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি সার্বিকভাবে রিজার্ভ বাড়াতে সহায়তা করেছে। বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে দেশের চার মাসের বেশি সময়ের আমদানি দায় মেটানো সম্ভব। গতকাল বুধবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ায় এক হাজার ২৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, আগামী সপ্তাহেই রিজার্ভ এক হাজার ৩০০ কোটি ডলারে গিয়ে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে ১২০ কোটি ১১ লাখ ডলার, আগস্টে ১১৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ১১৭ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, অক্টোবরে রেকর্ড ১৪৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং নভেম্বর মাসে ১১০ কোটি ২১ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী-আয় দেশে আসে। এর আগে জানুয়ারি মাসে ১২২ কোটি ১৪ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার, মার্চে প্রায় ১১০ কোটি ৯১ লাখ, এপ্রিলে ১০৮ কোটি ৩৮ লাখ, মে মাসে ১১৫ কোটি ৬৮ লাখ এবং জুন মাসে ১০৭ কোটি আট লাখ ডলারের আয় আসে। হিসাবে দেখা যায়, গত ছয় মাসে প্রবাসী-আয় এসেছে ৭৪০ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এসেছিল ৬০৬ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। তার মানে, জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে প্রবাসী-আয় বৃদ্ধির হার প্রায় ২২ শতাংশ।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








