Thursday, 11 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
সব ক্যাটাগরি

বিদেশনীতি নিয়ে যত চ্যালেঞ্জের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 108 বার

প্রকাশিত: November 13, 2012 | 1:18 PM

বারাক ওবামা

 

মিজানুর রহমান খান, ওয়াশিংটন ডিসি থেকে : মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর পররাষ্ট্রনীতিতে কোন বিষয়টি সবচেয়ে অগ্রাধিকার পাবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মনে অনেক প্রশ্ন। ওবামা একজন ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্টের মর্যাদা পাবেন কি না, তার ফয়সালা ধনীদের ওপর করারোপের মতো কোনো অভ্যন্তরীণ ইস্যু দ্বারা নির্ধারিত হবে না। এ জন্য দরকার হবে যেকোনো একটি ক্ষেত্রে মৌলিক অবদান রাখা। অবশ্য এটা কারও জানা নেই যে ১৫ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণের বোঝা নিয়ে চলার পথে ওবামাকে ঠিক কোথায়, কতখানি তাঁর বিদেশনীতির পরিকল্পনার সঙ্গে আপস করতে হয়। ব্যক্তি ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা ওবামার নির্বাচনী প্রচারণায় বেশ কাজ দিয়েছে। কিন্তু ২০১৪ সালে আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের পর কী ঘটবে, তা কারও জানা নেই। সার্কের অন্যতম সদস্য আফগানিস্তান প্রশ্নেই সম্ভবত প্রথম সিদ্ধান্ত আসবে। বিশ্লেষকেরা অবশ্য মনে করেন, বিদেশনীতিতে এমন ছয়টি বিষয় রয়েছে, যেখানে ওবামা অন্যদের চেয়ে কিছুটা তফাত সৃষ্টি করতে পারেন। সেখানে প্রথমেই থাকবে ইরান। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের মারাত্মক শিরপীড়ার কারণ। গত বৃহস্পতিবার পেন্টাগনের বিবৃতিটি প্রমাণ করে যে তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্ক কতটা উত্তেজনাকর অবস্থায় আছে। যদিও দুই পক্ষের মধ্যে একটা আলোচনা শুরুর আভাস রয়েছে। আর তাতেই ইসরায়েলপন্থীরা বাতিকগ্রস্ততার প্রবণতা দেখাচ্ছে। গত মাসে বিদেশনীতিবিষয়ক বিতর্কে ওবামা বলেন, ‘কূটনীতির দরজা খোলা। ঘড়ির কাঁটা টিক টিক করছে। আমরা ইরানের সঙ্গে এমন সংলাপ করব না, যার কোনো গন্তব্য নেই।’ দ্বিতীয়ত, আফগানিস্তান। সেখানকার মার্কিন অধিনায়ক জেনারেল জন অ্যালেন এ মাসেই প্রতিবেদন দিচ্ছেন। সেখানে থাকা ৬৮ হাজার সৈন্যকে কখন, কীভাবে প্রত্যাহার করা হবে, তা জানা যাবে। ‘এখানে একটা অনিশ্চয়তা থেকেই যাবে।’ প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপচারিতায় এমন মন্তব্য করেন বর্তমানে উড্রো উইলসন সেন্টারে কর্মরত বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মাইকেল ওহ্যানলন মনে করেন, জেনারেল অ্যালেন ওবামাকে পুরো প্রত্যাহার ছাড়াও তিনটি বিকল্প দিতে পারেন। প্রথমত, অল্পসংখ্যক সৈন্য কমানো, ৬০ হাজারে স্থির রাখা। দ্বিতীয়ত, অর্ধেকের কম ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা। আর নাটকীয়ভাবে হলে ১৫ হাজার কমানোর পরামর্শ দেওয়া। অনেকেই স্মরণ করছেন, ইরাক থেকে সৈন্য প্রত্যাহার ওবামা যত দ্রুততার সঙ্গে চেয়েছিলেন, তা থেকে তিনি সরে আসেন। আফগানিস্তানেও এর পুনরাবৃত্তি উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ২০১৪ সালে যদি দেখা যায় যে তখনো ৫০ হাজারের মতো সৈন্য রয়ে গেছে, তখন ওবামাকে সমালোচনা সইতে হতে পারে। তৃতীয়ত, সিরিয়া। সেখানে রক্তপাত চলছে। কিন্তু সিরিয়া প্রশ্নে ওবামার প্রশাসন দোদুল্যমান। বড় প্রশ্ন, সিরিয়ার বিরোধী দলের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র তুলে দেওয়া হলে তা পরে আল-কায়েদার হাতে পড়ে কি না। কিন্তু তা সত্ত্বেও ওবামা হয়তো মার্কিন সৈন্য জড়ানোর চেয়ে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহকে কম ঝুঁকিপূর্ণ মনে করবেন। চতুর্থত, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট। অ্যারন ডেভিড মিলার একজন সাবেক মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচক। তিনি বর্তমানে উড্রো উইলসন সেন্টারে রয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা যদি নমনীয়তা না দেখায়, তা হলে ওবামা তেমন ব্যক্তি হবেন না, যিনি পাথরটি ১০০ বার গিরিশৃঙ্গ চূড়ায় টেনে তোলার মতো ধনুকভাঙা পণ করবেন।’ তবে এটা খুবই স্পষ্ট যে ইসরায়েলের প্রতি ওবামার কোনো আচ্ছন্নতা নেই। পঞ্চমত, আরব বসন্ত। আশা করা হচ্ছে, আমেরিকার আরব বসন্ত সামলানোর বিষয়টিও ইসরায়েল-ফিলিস্তিনকে বাদ দিয়ে চলবে না। কারণ, ওবামার শুধু ইসরায়েলে গেলেই চলবে না, তখন তাঁকে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গেও কথা বলতে হবে। অনেকে তাই বলছেন, তিনি যদি প্রথমে সেখানকার কোনো নিরপেক্ষ দেশে যান, তা হলে ইরান কাবু হবে। আবার মধ্যপ্রাচ্যের কোনো একটি অগণতান্ত্রিক দেশে ওবামা প্রথম গেলে প্রশ্ন উঠবে, তা হলে আরব বসন্তের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে কি না। সার্বিক বিবেচনায় লিবিয়া হতে পারে তাঁর প্রথম গন্তব্য। তবে ওবামার বিদেশনীতিতে তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ মধ্যপ্রাচ্যের চেয়ে সার্বিকভাবে এশিয়াকেন্দ্রিক হলেও বিস্ময়ের কিছু থাকবে না। নির্বাচিত হওয়ার সপ্তাহ না পেরোতেই তিনি কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে যাচ্ছেন। শুধু তা-ই নয়, মিয়ানমারে তাঁর পা রাখা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট থেইন সেন ও নোবেল বিজয়ী অং সান সু চির সঙ্গে আলোচনায় রোহিঙ্গা বিষয় নিয়ে কথা বলেন কি না, সেটা একটা পর্যবেক্ষণযোগ্য বিষয় হবে।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV