বিশ্বজুড়ে গুপ্তচর বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ডেস্ক : বিশ্বে গুপ্তচর বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টিলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) অনুকরণে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিআইএ) বেশ কয়েকশ সদস্য সারা বিশ্বে নিয়োগ দেয়া হবে বলে সমপ্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তায় এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন দেশটির প্রতিরক্ষা বিষয়ক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগণ মনে করছে, সিআইএকে ঢেলে সাজানো দরকার। কারণ ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধ বিশ্বকে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও বিপজ্জনক হুমকির যুগে নিয়ে যাচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন। সেজন্য প্রয়োজন যুগোপযোগী ও নিবিড় গোয়েন্দা তত্পরতা। ডিআইএ এর প্রায় ১৬ শত তথ্য সংগ্রহকারীকে বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়া হবে। জনবলের দিক থেকে এর সংখ্যা সিআইএ এর সমান করা হবে। গত বছর মার্কিন গোয়েন্দা বিষয়ক পরিচালকের এক গোপন সমীক্ষা থেকে ওই পরিকল্পনার সূচনা হয়। জানা গেছে, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিআইএ) যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সিআইএ এর ওপর কাজের প্রচণ্ড চাপ পড়ে। এ কারণে প্রত্যাশিত গোপন তথ্য যথাসময়ে পেন্টাগণে আসে না। এসব সমস্যা মোকাবেলায় শেষ পর্যন্ত গুপ্তচর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রশিক্ষণ দেবে সিআইএ। তারা মাঝে মাঝে মার্কিন জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনের কমান্ডে কাজ করবে। তবে তারা কি তথ্য সংগ্রহ করবে সেই বিষয়ে নির্দেশনা দেবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আফ্রিকাতে বিভিন্ন ইসলামপন্থী দলের তত্পরতা, উত্তর কোরিয়া ও ইরানের বাইরের দেশগুলোতে অস্ত্র চালান এবং চীনা সেনাবাহিনীর চলমান সামরিক আধুনিকায়ন সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে পেন্টাগণ। ‘এটি কোন ছোটখাটো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নয়’ উল্লেখ করে সমপ্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ডিআইএ পরিচালক লে. জে. মাইকেল টি ফ্লিন বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এটি হবে বড় ধরনের এক পরিবর্তন।
বিশ্লেষকদের মতে, ডিআইএ গুপ্তচরদের সংখ্যা বৃদ্ধি একটি সুদূরপ্রসারী চিন্তার অংশ। সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যকার অভিযান সম্পর্কীয় সামর্থ্যগত ও নেতৃত্বগত পার্থক্য মুছে ফেলতেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হল। তবে, গোপন তথ্য সংগ্রহের বাইরে সিআইএর ন্যায় ড্রোন হামলা, রাজনৈতিক অন্তর্ঘাত বা জঙ্গিদের অস্ত্র সজ্জিত করার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গোপন তত্পরতা চালানোর অনুমতি দেয়া হয়নি ডিআইএকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফগানিস্তান থেকে পূর্ব আফ্রিকা পর্যন্ত বহু ড্রোন ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। প্রসঙ্গত, হামলার লক্ষ্যস্থল চিহ্নিত করে মার্কিন সেনাবাহিনীকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে আসছে ডিআইএ। এছাড়া আইনগত কর্তৃত্বের পার্থক্যের কারণে কংগ্রেসের কাছে সিআইয়ের মতো কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নয় মার্কিন সেনাবাহিনী। যার ফলে দৃষ্টির বাইরে থেকে যেতে পারে স্পর্শকাতর অনেক বিষয়।
এ ব্যাপারে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, কংগ্রেসের পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজকে বাধাগ্রস্ত করবে না ডিআইএর পুনর্গঠন কর্মসূচি। এদিকে, পেন্টাগণ কর্মকর্তারা বলেছেন, ডিআইয়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তায় নাক গলাবে না সিআইএ। ডিআইএ পুনর্গঠন সম্পর্কে গত অক্টোবরে লে. জে. মাইকেল টি ফ্লিন বলেছিলেন, কংগ্রেসের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সদ্ভাব বজায় রাখতে হবে আমাদের। এতে করে হুমকিমূলক ঘটনাগুলো সম্পর্কে আগে থেকে জানা যাবে এবং ‘অব্যাহত সংঘর্ষের যুগে’ সরাসরি জড়িয়ে পড়া পরিহারে এ পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সুফল বয়ে আনবে। তবে সংস্থাটির গুপ্ত ভূমিকার সম্পসারণ উদ্বেগের কারণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি লোকচক্ষুর অন্তরালে প্রাণঘাতী হামলা ও অন্যান্য গোপন কিংবা অশুভ তত্পরতা বৃদ্ধি পাবে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।ইত্তেফাক
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগণ মনে করছে, সিআইএকে ঢেলে সাজানো দরকার। কারণ ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধ বিশ্বকে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও বিপজ্জনক হুমকির যুগে নিয়ে যাচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন। সেজন্য প্রয়োজন যুগোপযোগী ও নিবিড় গোয়েন্দা তত্পরতা। ডিআইএ এর প্রায় ১৬ শত তথ্য সংগ্রহকারীকে বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়া হবে। জনবলের দিক থেকে এর সংখ্যা সিআইএ এর সমান করা হবে। গত বছর মার্কিন গোয়েন্দা বিষয়ক পরিচালকের এক গোপন সমীক্ষা থেকে ওই পরিকল্পনার সূচনা হয়। জানা গেছে, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিআইএ) যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সিআইএ এর ওপর কাজের প্রচণ্ড চাপ পড়ে। এ কারণে প্রত্যাশিত গোপন তথ্য যথাসময়ে পেন্টাগণে আসে না। এসব সমস্যা মোকাবেলায় শেষ পর্যন্ত গুপ্তচর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রশিক্ষণ দেবে সিআইএ। তারা মাঝে মাঝে মার্কিন জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনের কমান্ডে কাজ করবে। তবে তারা কি তথ্য সংগ্রহ করবে সেই বিষয়ে নির্দেশনা দেবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আফ্রিকাতে বিভিন্ন ইসলামপন্থী দলের তত্পরতা, উত্তর কোরিয়া ও ইরানের বাইরের দেশগুলোতে অস্ত্র চালান এবং চীনা সেনাবাহিনীর চলমান সামরিক আধুনিকায়ন সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে পেন্টাগণ। ‘এটি কোন ছোটখাটো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নয়’ উল্লেখ করে সমপ্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ডিআইএ পরিচালক লে. জে. মাইকেল টি ফ্লিন বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এটি হবে বড় ধরনের এক পরিবর্তন।
বিশ্লেষকদের মতে, ডিআইএ গুপ্তচরদের সংখ্যা বৃদ্ধি একটি সুদূরপ্রসারী চিন্তার অংশ। সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যকার অভিযান সম্পর্কীয় সামর্থ্যগত ও নেতৃত্বগত পার্থক্য মুছে ফেলতেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হল। তবে, গোপন তথ্য সংগ্রহের বাইরে সিআইএর ন্যায় ড্রোন হামলা, রাজনৈতিক অন্তর্ঘাত বা জঙ্গিদের অস্ত্র সজ্জিত করার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গোপন তত্পরতা চালানোর অনুমতি দেয়া হয়নি ডিআইএকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফগানিস্তান থেকে পূর্ব আফ্রিকা পর্যন্ত বহু ড্রোন ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। প্রসঙ্গত, হামলার লক্ষ্যস্থল চিহ্নিত করে মার্কিন সেনাবাহিনীকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে আসছে ডিআইএ। এছাড়া আইনগত কর্তৃত্বের পার্থক্যের কারণে কংগ্রেসের কাছে সিআইয়ের মতো কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নয় মার্কিন সেনাবাহিনী। যার ফলে দৃষ্টির বাইরে থেকে যেতে পারে স্পর্শকাতর অনেক বিষয়।
এ ব্যাপারে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, কংগ্রেসের পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজকে বাধাগ্রস্ত করবে না ডিআইএর পুনর্গঠন কর্মসূচি। এদিকে, পেন্টাগণ কর্মকর্তারা বলেছেন, ডিআইয়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তায় নাক গলাবে না সিআইএ। ডিআইএ পুনর্গঠন সম্পর্কে গত অক্টোবরে লে. জে. মাইকেল টি ফ্লিন বলেছিলেন, কংগ্রেসের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সদ্ভাব বজায় রাখতে হবে আমাদের। এতে করে হুমকিমূলক ঘটনাগুলো সম্পর্কে আগে থেকে জানা যাবে এবং ‘অব্যাহত সংঘর্ষের যুগে’ সরাসরি জড়িয়ে পড়া পরিহারে এ পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সুফল বয়ে আনবে। তবে সংস্থাটির গুপ্ত ভূমিকার সম্পসারণ উদ্বেগের কারণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি লোকচক্ষুর অন্তরালে প্রাণঘাতী হামলা ও অন্যান্য গোপন কিংবা অশুভ তত্পরতা বৃদ্ধি পাবে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।ইত্তেফাক
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








