Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বের জলভাণ্ডারের আড়াই শতাংশ মিষ্টি, জীবন বাঁচাতে সমুদ্রের পানি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 85 বার

প্রকাশিত: May 9, 2012 | 8:16 AM

Details

গোটা বিশ্বের জলভাণ্ডারের মাত্র আড়াই শতাংশ মিষ্টি। তারও এক শতাংশের কম পরিমাণ পানি আমাদের হাতের নাগালে রয়েছে। বাকিটা জমাট বরফ হিসেবে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অথচ পানীয় জলের চাহিদা বেড়েই চলেছে। মাটির নীচে পানির স্তর কমে চলেছে। এই অবস্থায় খোঁজ চলছে বিকল্প উেসর। তাই মানবজাতির বেড়ে চলা পানির চাহিদা মেটাতে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি শোধন করার প্রবণতা বেড়ে চলেছে। কিন্তু এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে জটিলতাও কম নয়।

কয়েক দশক ধরে স্পেনে সমুদ্রের পানি থেকে লবণ দূর করে, তা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুরও প্রতিবেশী দেশ মালয়েশিয়ার উপর নির্ভরতা কমাতে এই কাজ করছে। ইসরাইল বছরে সমুদ্র থেকে প্রায় ৫০ কোটি বর্গমিটার লবণাক্ত পানি শোধন করে কাজে লাগাতে চায়। অনুমান করা হচ্ছে, ২০১৬ সাল পর্যন্ত গোটা বিশ্বে প্রায় ৩,৮০০ কোটি বর্গমিটার লবণাক্ত পানি শোধন করে নানা কাজে লাগানো হবে। ২০০৮ সালের তুলনায় তা হবে দ্বিগুণ।

আপাতদৃষ্টিতে পানির বেড়ে চলা চাহিদা মেটাতে লবণাক্ত পানি শোধনই সবচেয়ে উপযুক্ত প্রক্রিয়া হিসেবে মনে হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেনাখেম এলিমেলেশ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘নীতিগতভাবে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি শোধনের মাধ্যমে উচ্চমানের অফুরন্ত মিষ্টি পানি সংগ্রহ করা সম্ভব। নদী বা হ্রদের ক্ষেত্রে এটা করা সম্ভব নয়।

লবণাক্ত পানি শোধনের আধুনিক প্রক্রিয়ার নাম ‘রিভার্স অসমোসিস’। পলি-অ্যামিড মেমব্রেন নামের এক পাতলা পদার্থের উপর প্রচণ্ড বেগে লবণাক্ত পানি নিক্ষেপ করা হয়। পানির অণু তা ভেদ করে অপর প্রান্তে বেরিয়ে আসে। কিন্তু লবণ বা নুনের বড় অণু পর্দার অপর প্রান্তে আটকে যায়। ফলে এভাবেই পানির শোধন করা যায়। কিন্তু বর্তমানে প্রতি বর্গমিটার মিষ্টি পানি পেতে তিন থেকে চার কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এক বর্গমিটার পানি মোটামুটি ১,০০০ লিটারের সমান। নদী বা অন্যান্য উত্স থেকে পানির শোধন করতে এর এক-তৃতীয়াংশ বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়।

এই সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে অনেকে লবণাক্ত পানি শোধনের জন্য সৌর বা বায়ুশক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে কার্বন নির্গমন একেবারেই না হয় বা তার মাত্রা কম থাকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও পরিবেশের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোত্র দাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উইলিয়াম ফিলিপ বলেন, সমুদ্রের পানিতে লবণ ছাড়াও সামুদ্রিক উদ্ভিদের ক্ষুদ্র অংশসহ অন্য অনেক পদার্থ থাকে। যে মেমব্রেন বা ছাঁকনির সাহায্যে লবণ আলাদা করা হয়, তার মধ্য দিয়ে পানি সহজেই প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু এবং কোনো জৈব পদার্থের সংস্পর্শে এলে সেই পর্দার কার্যক্ষমতা কমে যায়। তখন তার উপর জৈব পদার্থের স্তর জমতে শুরু করে।

লবণাক্ত পানি শোধনের ক্ষেত্রে আরও একটা সমস্যা রয়েছে। সমুদ্রের পানি থেকে যে ঘন লবণের স্তর আলাদা করা হয়, তা আবার সমুদ্রেই ফেলে দেয়া হয়। তার ফলে সমুদ্রের উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতের কোনো ক্ষতি হয় না বলে ধরে নিলেও এর সপক্ষে অকাট্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। এত সব জটিলতার ফলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অন্য কোনো পথ খোলা না থাকলে তবেই এভাবে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি শোধনের পথে যাওয়া উচিত। সেইসঙ্গে অপেক্ষা করতে হবে আরও উন্নত প্রযুক্তির জন্য। —ডয়চে ভেলে,ইত্তেফাক

ট্যাগ:
Situs Streaming JAV