Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বে উৎপাদিত খাবারের এক-তৃতীয়াংশই অপচয়:খাদ্যাভাবে থাকে সাড়ে ৯২ কোটি মানুষ,প্রতিবছর খাবার নষ্ট হয় ১৩০ কোটি টনেরও বেশি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 198 বার

প্রকাশিত: May 13, 2011 | 10:40 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক:  বিশ্বে প্রতিবছর উৎপাদিত খাদ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই নষ্ট অথবা অপচয় হয়। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এক গবেষণা প্রতিবেদনে গত বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে খাদ্য নষ্ট হওয়ার হার প্রায় কাছাকাছি বলেও জানায় সংস্থাটি।
এফএও জানায়, বিশ্বে প্রতিবছর যত মানুষ খাদ্যাভাবে থাকে, এর চেয়েও ঢের পরিমাণে খাবার নষ্ট হয়। খাদ্যাভাবে থাকা লোকের সংখ্যা সাড়ে ৯২ কোটি, অথচ প্রতিবছর খাবার নষ্ট হয় ১৩০ কোটি টনেরও বেশি। মোট যে পরিমাণ শস্য উৎপাদিত হয়, নষ্ট হওয়া খাবারের পরিমাণ এর অর্ধেকের চেয়েও বেশি। শিল্পোন্নত দেশে বছরে প্রায় ৬৭ কোটি এবং উন্নয়নশীল বিশ্বে প্রায় ৬৩ কোটি টন খাদ্য নষ্ট হয়। ‘গ্লোবাল ফুড লসেস অ্যান্ড ফুড ওয়েস্ট’ নামক প্রতিবেদনে এ কথা জানায় এফএও। আগামী ১৬ ও ১৭ মে জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে সুইডেনের একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
গবেষণায় ‘খাদ্য নষ্ট’ ও ‘খাদ্য অপচয়ের’ মধ্যে পার্থক্য দেখানো হয়েছে। খাদ্য নষ্ট বলতে শস্য বা খাদ্য উৎপাদন, ফসল কাটা ও ঘরে তোলা, কাটার পর তা প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণজনিত ত্রুটির কথা বোঝানো হয়েছে। মূলত দুর্বল অবকাঠামোর কারণে উন্নয়নশীল বা গরিব দেশগুলোতেই এভাবে খাদ্য নষ্ট হয়। শিল্পোন্নত দেশগুলোতে খাদ্য অপচয়ের পরিমাণই বেশি। বিক্রেতা ও ভোক্তা দুই পর্যায়েই বিপুল পরিমাণ খাদ্য ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটে এসব দেশে। ফলে খাওয়ার উপযোগী বিপুল পরিমাণ খাদ্য আঁস্তাকুড়ে গিয়ে পড়ে। সাব-সাহারান আফ্রিকায় বছরে উৎপাদিতই হয় প্রায় ২৩ কোটি টন খাবার। অথচ ধনী দেশগুলো বছরে অপচয় করে প্রায় ২২ কোটি ২০ লাখ টন খাবার। প্রয়োজনের চেয়েও বেশি কেনার প্রবণতা রয়েছে এসব দেশের ভোক্তাদের মধ্যে।
গবেষণা মতে, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় জনপ্রতি প্রায় ৯৫ থেকে ১১৫ কিলোগ্রাম খাবার অপচয় হয় বছরে। আর সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বার্ষিক খাদ্য অপচয়ের পরিমাণ মাথাপিছু ছয় থেকে ১১ কিলোগ্রাম। অপচয় হওয়া খাদ্যের মধ্যে ফল, শাকসবজি, মূল ও কন্দজাতীয় খাবারই বেশি। ধনী দেশগুলোতে ‘দুটির দামে তিনটি’ কেনার মতো সুযোগও অপচয়ের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
নষ্ট হওয়ার পরিমাণ ও অপচয়ের মাত্রা কমানোর ব্যাপারেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। গরিব দেশগুলোতে প্রান্তিক বা ক্ষুদ্র কৃষকদের সঙ্গে ক্রেতাদের সরাসরি সংযোগ স্থাপন, অবকাঠামো, পরিবহন ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত পদ্ধতিতে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য নষ্ট হওয়ার পরিমাণ কমানো যায়। আর ধনী দেশগুলোতে ভোক্তা আচরণ পরিবর্তনের ব্যাপারে প্রচার শুরু করা যায়। সূত্র : টাইমস, এএফপি।সমকাল

ট্যাগ:
Situs Streaming JAV