Monday, 8 June 2026 |
শিরোনাম
Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
সব ক্যাটাগরি

বিশ্ব মা দিবস: পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 116 বার

প্রকাশিত: May 10, 2020 | 12:53 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : মা একটি শ্রদ্ধার শব্দ। মা মিষ্টি একটি ডাক, একটি অনুভব, দৃঢ় একটি বন্ধন, আল্লাহর বড় নেয়ামত। যা আসলে অক্সিজেনের মতো। দেখা না গেলেও উপস্থিতি টের পাওয়া যায় দমে দমে। মাকে বাদ দিয়ে সন্তান হয় না, মানুষ হয় না। পৃথিবীতে মায়ের তুলনা একমাত্র মাই। মায়ের সঙ্গে কারো তুলনা চলে না। যার কল্যাণে পৃথিবীতে আলোর মুখ দেখা হয়। সেই মায়ের স্মরণে ১০ মে পালিত হয় বিশ্ব মা দিবস। প্রাচীন গ্রিসে বিশ্ব মা দিবসের পালন করা হলেও আধুনিককালে এর প্রবর্তন করেন এক মার্কিন নারী। ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আনা জারভিস নামের একজন নারী মারা গেলে, তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন। ওই বছর তিনি তার সান ডে স্কুলে প্রথম এ দিনটি মাতৃদিবস হিসেবে পালন করেন। ১৯০৭ সালের এক রোববার আনা মারিয়া স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে ‘মা’ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা।

কিছু ইতিহাসবিদের মতে, এই দিনটির সূত্রপাত হয় প্রাচীন গ্রিসের মাতৃ আরাধনার প্রথা থেকে। ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যে দীর্ঘকাল ধরে পালিত হচ্ছে মাদারিং সানডে। ক্যাথলিক পঞ্জিকা অনুযায়ী এটিকে বলা হয় ‘লেতার সানডে। যা কিনা চতুর্থ রোববার পালন করা হয় ভার্জিন মেরি বা কুমারী মাতার সম্মানে। সনাতন ধর্মে এই দিনটিকে ‘মাতৃ তীর্থ আনুসি বা এক পক্ষকালব্যাপী মাতৃ তীর্থযাত্রা হিসেবে গণ্য করা হয়। যা নেপালে হচ্ছে।

তবে মা দিবসে রয়েছে আরও অনেক ইতিহাস। করলিনার যুদ্ধে স্প্যানিশ সৈন্য কর্তৃক বলিভিয়ার নারীরা নৃশংসভাবে হত্যা হন। যুদ্ধের নির্মম স্মৃতিস্মারক হিসেবে ১৯২৭ সালে ৮ নভেম্বর সেখানে সরকারিভাবে মা দিবস আইনি স্বীকৃতি পায়। ইরানে মা দিবস পালিত হয় হয়রত মুহাম্মদ (স:) এর মেয়ে মা ফাতেমার জন্ম তারিখে।

ইতিহাস থেকে জানা যায় ১৯১২ সালে আনা জার্ভিস মাদারস ডে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন (আন্তর্জাতিক ‘মা’ দিবস সমিতি) গঠন করে। এমন কি তিনিই মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘মা’ দিবস এর বহুল প্রচারণা চালাতে সক্ষম হন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকরণে ১৯২২ সালে আলভারো ওব্রেগন সরকার মা দিবসের প্রচলন করেন।

মাকে বাদ দিয়ে সন্তান হয় না, মানুষ হয় না। মাকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা করার শিক্ষা পুরো মানবজাতিকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা করারই নামান্তর। মানব সম্পদের যথার্থ বিকাশ এবং মানব সমাজের সার্বিক অগ্রগতির জন্য মাতৃজাতির প্রতি শ্রদ্ধা ও দায়িত্বশীলতার মানসিকতা সৃষ্টি হোক সকলের। বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা। পৃথিবীর সব মা যেখানেই থাকুন তাদের সন্তানদের নিয়ে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV